আমি_মনে_করি_এনজিও_আছে_বলেই_আজ_ক্ষুদ্র_ব্যবসায়ীরা_স্বাবলম্বী আর_হাজারো_উপকারভোগী_উপকার_পাচ্ছে

আমি_মনে_করি_এনজিও_আছে_বলেই_আজ_ক্ষুদ্র_ব্যবসায়ীরা_স্বাবলম্বী আর_হাজারো_উপকারভোগী_উপকার_পাচ্ছে

এনজিও কিস্তি আদায় বন্ধ করল।
অনেকের ধারণা কিস্তি মানে সদস্যর থেকে এনজিও অন্যায়ভাবে টাকা নিয়ে আসে। কিন্তু আসল কথা হলো এনজিও সদস্যকে ঋণ হিসেবে টাকা দিয়েছিল সেই টাকা দিয়ে সদস্য আয়বর্ধ্বক কাজে লাগিয়ে সেই অর্থে নিজের পরিবারকে প্রতিপালন করে অবশিষ্ট টাকা ঋণের কিস্তি হিসেবে এনজিও-তে দেয়। যে কিস্তির সাথে সরকার নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ থাকে।
এনজিও ঋণের অবদান আমরা স্বীকার করতে চাইনা। তাহলে যে পিকেএসএফ-এর পার্টনারদের সম্মিলিত ঋণ স্থিতি ১ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি, এক গ্রামীণ ব্যাংকের একক ঋণ স্থিতি ২ লক্ষ কোটির উপরে আশা, ব্র্যাকের হিসাব ধরলামই না। এই টাকা কি দেশের অর্থনিতিতে কোন অবদান রাখছে না?
অবদান রাখছে কি রাখছে বুঝতে পারতেন যদি এনজিও তার কার্যক্রম বন্ধ করে দিত। যখন লক্ষ লক্ষ মানুষ বেকার হয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়াত।
যাদের এনজিও নিয়ে এলার্জি আছে তারা কি জীবনে কাউকে টাকা ধার দিয়েছেন যে টাকায় তার পরিচিত কেউ আয়বর্ধ্বক কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন করতে পারে? দেননি বরং বলে বেড়ান টাকা ধার দিলে সম্পর্ক নষ্ট হয়। সেই মানুষ গুলোকেই এনজিও জামানত ছাড়া টাকা দিয়ে আয়ের পথ তৈরি করে দেয়। নিজে উন্নতি করে দেশের বোঝা না হয়ে উন্নয়নে অবদান রাখে। এমন উদাহরণ খুঁজতে গেলে এতো বেশি পাবেন যে দেখতে দেখতে হয়রান হয়ে যাবেন।
আপনার মনের কালো পর্দা সরে যাবে।
ফেসবুক থেকে সংগ্রহিত

Post a Comment

[blogger]

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget