উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদের (বাঁয়ে) হাতে টাকা তুলে দিচ্ছেন মো. নজিমুদ্দিন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাতিয়াগাঁও এলাকায়। ছবি: প্রথম আলোশেরপুরের ঝিনাইগাতীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘরবন্দী কর্মহীন মানুষের খাদ্যসহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে ১০ হাজার টাকা দান করা ভিক্ষুক নজিমুদ্দিনকে (৮০) সরকারের পক্ষ থেকে জমিসহ ঘর নির্মাণ আর জীবিকার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুদিদোকান করে দেওয়া হবে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় আনা হবে তাঁকে।
বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে নজিমুদ্দিনকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) আনার কলি মাহবুব এসব তথ্য জানান।
ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের গান্ধীগাঁও গ্রামের নজিমুদ্দিন তাঁর জমানো ১০ হাজার টাকা গত মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদের হাতে তুলে দেন। এ বিষয়ে প্রথম আলোর অনলাইনে ‘ভিক্ষা করে জমানো টাকা করোনা তহবিলে’ শীর্ষক একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসককে ফোন করে নজিমুদ্দিনের জন্য বাড়ির নকশা ও প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠানোর জন্য বলা হয়।বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব নজিমুদ্দিনের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে ও তাঁর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন। এ ছাড়া দোকানঘর নির্মাণের জন্য অর্থসহায়তা ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেন।আনার কলি মাহবুব বলেন, নজিমুদ্দিন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে যে টাকা দিয়েছেন, তার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন অনেক বড় হৃদয়ের মানুষ হিসেবে প্রমাণ করেছেন, যা অনেক বিত্তশালী মানুষের ক্ষেত্রেও দেখা যায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী নজিমুদ্দিনকে একটি ঘর উপহার দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ী জেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৈনন্দিন আয়ের জন্য তাঁকে একটি মুদিদোকান করে দেওয়া হবে। তাঁকে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় আনা হবে। এখন থেকে জেলা প্রশাসন তাঁর চিকিৎসার ব্যয়ভারও বহন করবে।
ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের গান্ধীগাঁও গ্রামের নজিমুদ্দিন তাঁর জমানো ১০ হাজার টাকা গত মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদের হাতে তুলে দেন। এ বিষয়ে প্রথম আলোর অনলাইনে ‘ভিক্ষা করে জমানো টাকা করোনা তহবিলে’ শীর্ষক একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জেলা প্রশাসককে ফোন করে নজিমুদ্দিনের জন্য বাড়ির নকশা ও প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠানোর জন্য বলা হয়।বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব নজিমুদ্দিনের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে ও তাঁর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন। এ ছাড়া দোকানঘর নির্মাণের জন্য অর্থসহায়তা ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেন।আনার কলি মাহবুব বলেন, নজিমুদ্দিন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে যে টাকা দিয়েছেন, তার মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন অনেক বড় হৃদয়ের মানুষ হিসেবে প্রমাণ করেছেন, যা অনেক বিত্তশালী মানুষের ক্ষেত্রেও দেখা যায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি জেনেছেন। প্রধানমন্ত্রী নজিমুদ্দিনকে একটি ঘর উপহার দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুযায়ী জেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৈনন্দিন আয়ের জন্য তাঁকে একটি মুদিদোকান করে দেওয়া হবে। তাঁকে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় আনা হবে। এখন থেকে জেলা প্রশাসন তাঁর চিকিৎসার ব্যয়ভারও বহন করবে।
নজিমুদ্দিন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি খুব খুশি হইছি। আপনারা আমার জন্য যে সমস্ত ব্যবস্থা নিতাছেন তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আল্লাহ আপনাগরে ভালো করুক।’ তিনি জানান, তাঁর তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। স্ত্রী আবেদা বেগম শারীরিক প্রতিবন্ধী। এক মেয়ে ছাড়া অন্য ছেলেমেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। ছেলেরা দিনমজুরি করেন। তাঁদের সংসারই চলে না। তিনিও দিনমজুরি করতেন। অসুস্থ হয়ে পড়ায় ৮-১০ বছর ধরে ভিক্ষা করছেন। দুই বছরে ১০ হাজার টাকা জমিয়েছিলেন। ইচ্ছা ছিল এই টাকায় ভাঙা বসতঘর মেরামত করবেন, কিন্তু করোনার কারণে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। তাঁরা কষ্টে দিনযাপন করছেন। তাই মানুষের জন্য কিছু করার চিন্তা থেকেই জমানো ১০ হাজার টাকা ইউএনও সাহেবের হাতে তুলে দিয়েছেন।
সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা
Post a Comment