April 2020

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



করোনা মহামারীর এই সময়ে আর্ত মানবতার সেবায় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের উদ্যোগে  চালু হচ্ছে টেলিমেডিসিন সেন্টার ‘আমার ডাক্তার’। ‌
পাশেই আছি সারাক্ষণ এ স্লোগানকে ধারণ করে এ  সেন্টার সংগঠনের পটভূমিতে বলা হয়েছে,আপনারা সবাই জানেন যে করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবা সারা পৃথিবীকে গ্রাস করেছে । আমাদের প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশও এই বিপদের বাইরে নয় ।
করোনা ভাইরাসের এই মহামারীতে নিজের জীবনের ওপর ঝুকি নিয়ে আমাদের দেশের চিকিৎসকেরা মানুষের জীবন রক্ষার জন্য যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছে।
করোনার এই ভয়াল সময়ে অন্য রোগের রোগীরাও তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী হাসপাতালে যেতে পারছেন না ।
আবার ঘরে থাকার কারনে সময়মত চিকিৎসকের পরামর্শও নিতে পারছেন না ।
এমতাবস্থায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি পরিবার  আপনাদের সেবায় টেলিমেডিসিন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সঠিক চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শ প্রদানের ব্রত গ্রহণ করেছেন ।
আপনারা সম্পুর্ণ বিনা খরচে প্রতিদিন প্রতিটি মুহুর্ত এই চিকিৎসাসেবা যেন পান সে লক্ষ্যেই এই চিকিৎসকেরা কাজ করে যেতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ।এই মহৎ উদ্যোগের সহ উদ্যোক্তা প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের  সহধর্মিনী ডা. জাহানারা আহসান প্রধান সমন্বয়ক- ডা. মো. আশরাফুজ্জামান সজীব, সহ সমন্বয়ক  ডা. ফাইম চৌধুরী সনি, ডা. খন্দকার মুস্তাক আদনান ও ডা. মমতাজুল হাসান শিমুল।
দেশের খ্যাতনামা ৪০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত এ সেন্টারের সেবা পেতে ফোন করতে হবে ০৯৬১১৫৫৫২২২ নাম্বারে। সেন্টারের ফেইস বুক পেইজেও যোগাযোগ করা যাবে।
টেলিমেডিসিন সেন্টার প্রসঙ্গে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেন, পৃথিবীজুড়ে চলমান করোনা মহামারী মোকাবেলায় সবাইকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে। আর সেতাগিদ থেকেই এ উদ্যোগ। তিনি জানান, পরিবর্তিত চাহিদানুসারে টেলিমেডিসিন সেন্টারের সেবার পরিধি বৃদ্ধি করা হবে। সূত্র: সি নিউজ

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



দেশে চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। মোট সংক্রমিত ব্যক্তিদের ১১ শতাংশই স্বাস্থ্যকর্মী। এই হার বৈশ্বিক হারের চেয়ে সাত গুণ বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এমন সংক্রমণের কারণ জানার চেষ্টা করছে। 
জনস্বাস্থ্যবিদ ও গবেষকেরা মনে করছেন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, মানসম্পন্ন সুরক্ষাসামগ্রী (পিপিই) ও মাস্ক না পাওয়া, প্রশিক্ষণের ঘাটতির কারণে স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি। 
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একাধিকবার বলেছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা এই মহামারি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের সামনের সারির যোদ্ধা। এঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে অন্য সবার সুরক্ষা ঝুঁকিতে থাকবে। 
সর্বশেষ ২৮ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, করোনা রোগী সেবার সঙ্গে জড়িত স্বাস্থ্যকর্মীরা ভাইরাস সংক্রমণ, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা, মানসিক চাপ, কর্মক্লান্তি ও ভীতির ঝুঁকিতে আছেন। এ ছাড়া তাঁরা শারীরিক ও মনস্তাত্ত্বিক সমস্যারও শিকার হচ্ছেন। এসব বন্ধে বিশ্বের সব দেশ এবং সব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। ওই দিন তারা আরও বলেছিল, সারা বিশ্বে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৫ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মীর সংক্রমণের তথ্য তারা পেয়েছে। ওই দিন পর্যন্ত সারা বিশ্বে আক্রান্ত ছিলেন ২৩ লাখ ৯৭ হাজার ২১৭ জন। অর্থাৎ তাঁদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মী ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। 
দেশে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট, ওয়ার্ডবয়, আয়ার সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এরই মধ্যে করোনায় একজন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের কেন্দ্রীয় পেশাজীবী সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) সংক্রমিত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়মিত হিসাব রাখছে। 
বিএমএর মহাসচিব মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ৮৮১ জন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা শনাক্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসক ৩৯২ জন, নার্স ১৯১ জন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ২৯৮ জন। বাংলাদেশে মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৭ হাজার ৬৬৭ জন। অর্থাৎ মোট সংক্রমণের ১১ শতাংশই স্বাস্থ্যকর্মী।
চিকিৎসক ও নার্স সংগঠনগুলোর তৎপরতার কারণে তাঁদের সংক্রমণের খবর বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর খবর সুনির্দিষ্টভাবে পাওয়া যায় না।
কোভিড–১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা প্রথম আলোকে বলেন, এটা দুঃখজনক যে চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হচ্ছেন। সম্মুখ সারির সব কর্মীর পিপিই, কর্মঘণ্টা, বিশ্রাম, থাকা–খাওয়া, যাতায়াতসহ সব বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে আরও মনোযোগী হতে হবে।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি, মানসম্পন্ন পিপিই ও মাস্ক না পাওয়া, প্রশিক্ষণের ঘাটতির কারণে সংক্রমণ বেশি।
স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্তের পরিস্থিতি
সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বাংলাদেশে সংক্রমণের তথ্য প্রথম প্রকাশ করে ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যুর খবর জানা যায় ১৮ মার্চ। করোনায় প্রথম মৃত্যু হয়েছিল বেসরকারি হাসপাতালে। মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংক্রমণের বিষয় প্রকাশ পেতে থাকে। 
গতকাল শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, এ পর্যন্ত ওই হাসপাতালে ৪৬ জন চিকিৎসক, ৭ জন নার্স ও ১৩ জন কর্মচারীর করোনা শনাক্ত হয়েছে।
ঢাকার প্রায় সব বড় সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সংক্রমণের খবর গণমাধ্যমে নিয়মিত বের হচ্ছে। রাজধানীর বাইরেও বিভিন্ন জেলায় একই ঘটনা ঘটছে। 
কোনো জেলায় সাধারণ মানুষের চেয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা বেশি আক্রান্ত হয়েছেন এমন খবর পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ জেলায় ১৪৫ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে ১০৭ জন বা ৭৪ শতাংশই হচ্ছে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী। এঁদের ৮৩ জনই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের। এ নিয়ে গতকাল প্রথম আলোতে বিস্তারিত খবর ছাপা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, কিশোরগঞ্জে আক্রান্তদের ৬৬ শতাংশই চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মী। 
সংক্রমণ শুরু হয়েছিল চীনে। দেশটিতে এ পর্যন্ত তিন হাজার চিকিৎসক ও নার্স আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ স্বাস্থ্যকর্মীরা মোট আক্রান্তের ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৯ হাজার ২৮২ জন স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছিলেন। দেশটিতে ওই সময় মোট আক্রান্তের ২ শতাংশ ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী। 
কেন এমন হচ্ছে
বিএমএর মহাসচিব মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী মনে করেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের সংক্রমণের প্রধান কারণ তিনটি। প্রথমত কে কে সংক্রমণমুক্ত, কে সম্ভাব্য করোনা রোগী এবং কে প্রকৃত রোগী—এটা বাছাই করার কোনো ব্যবস্থা হাসপাতালে নেই। দ্বিতীয়ত, শুরু থেকেই পিপিইর মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। আবার সবাই পিপিই পাননি। যখন পেলেন, তখন তাঁদের ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। তৃতীয়ত, অনেক ব্যক্তি করোনার লক্ষণের বিষয় চেপে গিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও একই ধরনের কথা বলেছে। তারা বলছে, সেবার একটি পর্যায়ে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা জানতে পেরেছেন, কে রোগী আর কে রোগী নন, তাঁরা অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ বিভাগগুলোতে কাজ করেন, তাঁদের দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়, অনেক কর্মী সংক্রমণ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেন না (যেমন সঠিকভাবে পিপিই ব্যবহার করেন না, বা অনেকের হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাস নেই)। এ ছাড়া অনেকের প্রশিক্ষণেরও ঘাটতি আছে। 
পিপিই বা মাস্ক নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা বিশেষ করে চিকিৎসকেরা অভিযোগ করেছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারে এমন পিপিই অনেক ক্ষেত্রে দেওয়া হয়নি। জীবাণুপ্রতিরোধী মাস্কও অনেকে ব্যবহার করতে পারেননি। অন্যদিকে বিশ্বসেরা মাস্কের নামে নকল মাস্ক সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। 
এ বিষয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জেমস পি গ্রান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথ ও নাগরিক সংগঠন হেলথ ওয়ার্চ একটি জরিপ করেছিল। ১৮ এপ্রিল প্রকাশ করা ওই জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, ২৫ শতাংশ চিকিৎসক ও নার্স কোনো পিপিই পাননি। যাঁরা পেয়েছিলেন, তাঁরা পিপিইর মান নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না। 
এখন করণীয়
একাধিক সূত্র বলেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঢাকা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁরা খতিয়ে দেখতে চান, সংক্রমণের উৎস কোথায়—হাসপাতালে, যাতায়াতের গাড়িতে, বাসস্থানে, নাকি স্বাস্থ্যকর্মীদের সামাজিক মেলামেশার স্থানে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
এদিকে ২৮ এপ্রিল জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সুরক্ষা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। সভায় পিপিইর মান নিয়ে কথা হয়। ওই সভায় পিপিইর মানের বিষয়ে কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বলেছে, প্রতিটি দেশকে তার স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আর স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে পিপিই ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।
জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন বলেন, কী করতে হবে এখন মোটামুটি সবারই জানা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থাপনা ও সরঞ্জামাদির বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে, যেন সুরক্ষার বাইরে কোনো চিকিৎসক বা কর্মী না থাকেন। কর্মীর দায়িত্ব, সুরক্ষার ব্যাপারে সচেতন আচরণ করা।
 সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

Google Home Wireless Voice Activated Speaker - White/Slate Fabric



আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নির্দেশে মাননীয় তথ্য প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি মহোদয়ের পক্ষ থেকে রোজা রেখে সরিষাবাড়ি উপজেলা ছাত্রলীগ, জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সদস্য মোঃ আসাদুজ্জামান বাবুর উদ্যোগে সেচ্ছায় ডোয়াইল ইউনিয়নে রায়দেপাড়ায় বিনা পারিশ্রমিকে ২ জন হত দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে দিলেন ৩৫ শতাংশ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা রবিউল আলম রবি, ফরহাদ আলম,নাইম হাসান,সোহেল রানা,নাসিম, রাকিবসহ প্রায় ৩০ জন নেতা কর্মী। এছাড়া আসাদুজ্জামান বাবু বলেন আলহাজ্ব ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি মহোদয়ের নির্দেশে আমরা আমাদের এই কাজ অব্যাহত আছে, থাকবে ইনশাআল্লাহ। নিজস্ব প্রতিবেদক, সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি


Google Home Wireless Voice Activated Speaker - White/Slate Fabric



আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
করোনাভাইরাস: ১৬০ কোটি মানুষ জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে


করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ১৬০ কোটি কর্মজীবী মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।
সংস্থাটির সর্বশেষ প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের কর্মের সঙ্গে যুক্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় দুইশো কোটি। তার ১৬০ কোটি মানুষই কর্ম হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। যা সারা বিশ্বে কর্মের সঙ্গে জড়িত মানুষের প্রায় অর্ধেক।
আইএলও’র হিসাব মতে, সারা বিশ্বে শ্রমের সঙ্গে জড়িত মানুষের সংখ্যা ৩৩০ কোটি। করোনা পরিস্থিতির শুরুর দিকে কর্মসংস্থানের উপর যে প্রভাব ছিল, এখন তা আরও বেশি খারাপ।
সংস্থাটির মহাপরিচালক গাই রাইডার বলেন, কোটি কোটি মানুষের আয় না থাকার অর্থ হলো তাদের খাদ্য নেই। নেই তাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা।
‘‘কোটি কোটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাকের ডগায় নিঃশ্বাস চলে এসেছে। তাদের সঞ্চয় নেই। ঋণ নেওয়ার সক্ষমতাও নেই। এটাই প্রকৃত চিত্র। যথাযথ সহায়তা না পেলে এ পরিস্থিতিতে তারা হারিয়ে যাবে।’’
আইএলও’র প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে: বিশেষত ঋণ ছাড় ও এ ব্যবস্থা সহজিকরণসহ প্রণোদনায় আন্তর্জাতিক সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক মহামারি ও চাকরির ঝুঁকিতে থাকাদের রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ প্রয়োজন।
ঢাকায় নিযুক্ত আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিআইনেন জানিয়েছন: স্বকর্মসংস্থান ও ছোট-খাটো কাজের সঙ্গে যুক্তরা বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের জীবিকা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। করোনাভাইরাস মহামারীতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে তরুণ ও যুবক শ্রেণি। সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

Our Website www.labibitsolution.com
Click to visitLABIB IT SOLUTION

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

ক্লাস নয়, পরীক্ষা নিয়ে চিন্তিত শিক্ষা প্রশাসন

করোনার কারণে টানা বন্ধ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হচ্ছে না কোনো ক্লাস, পরীক্ষা। ঘরে থাকা স্কুল শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টেলিভিশনে পাঠদান চললেও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা রয়েছেন হাত গুটিয়ে। কোচিং সেন্টার বন্ধ, বাড়িতেও গৃহশিক্ষকের আসা বন্ধ রয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা চালিয়ে যেতে চাইলেও পরীক্ষার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে সরকারের দেন-দরবার চলছে। সময়মতো সেমিস্টার পরীক্ষা দিতে না পারলে আর্থিক ক্ষতির শিকার হবেন শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরও সেশনজটে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষা খাতের নীতিনির্ধারক ও অংশীজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার বলে মনে করছেন তারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন মনে করেন, টেলিভিশন ও অনলাইনে পাঠদান চালিয়ে নেওয়া গেলেও পরীক্ষা নেওয়া দুঃসাধ্য। আসলে ক্লাস নয়, পরীক্ষা নেওয়া নিয়েই সবচেয়ে বড় ভাবনা। ঢাকা ও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরাও একই অভিমত দেন। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক সমকালকে বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধ শিক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ করার প্রধান অন্তরায়। আর সিলেবাস শেষ না হলে বছর শেষে জেএসসি, জেডিসি, প্রাথমিক সমাপনীসহ কোনো পরীক্ষাই নেওয়া যাবে না। এমনকি বার্ষিক পরীক্ষাও হুমকির মুখে পড়বে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহা. মোকবুল হোসেন বলেন, বছরে চারটি বড় পাবলিক পরীক্ষা বোর্ডগুলো নেয়। এ বছরের এইচএসসি, জেএসসি, জেডিসি নিয়ে করোনার কারণে বড় ধরনের বিপাকে পড়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম সমকালকে বলেন, এসএসসি পরীক্ষার্থীরা এখনও ফল পায়নি। ফল প্রকাশ না হলে আমরা একাদশ শ্রেণির ভর্তি শুরু করতে পারব না। আবার এইচএসসি পরীক্ষার্থীরাও প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছে, পরীক্ষা দিতে পারছে না। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিও এ বছর পিছিয়ে যাবে। তিনি বলেন, যদি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক এবং মাধ্যমিকের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা থাকবে না। স্কুল খোলার পর পাঠদান বাড়ানোর জন্য ঐচ্ছিক ছুটি কমানো এবং সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার দরকার হবে।

ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক এ বিষয়ে বলেন, স্কুলের সাময়িক বা বার্ষিক পরীক্ষা কোনোভাবে সামলে নিতে পারবে স্কুলগুলো। কিন্তু পড়াশোনা না করতে পারলে, স্কুলে পাঠদান না হলে, আগামী জেএসসি, ২০২১ সালের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নিয়েই বড় সমস্যা তৈরি হবে।

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিলেবাস শেষ করার একটি পন্থা হতে পারে এমন- স্বাস্থ্যবিধি মেনে সপ্তাহের একদিন একটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ডাকা যেতে পারে। ওইদিন শুধু ওই ক্লাসের শিক্ষার্থীরাই স্কুলে আসবে। পুরো সপ্তাহের পড়াটা ওইদিন শিক্ষার্থীদের দিয়ে দিতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ বলেন, এ বছরের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা কীভাবে নেওয়া যায় সেটা নিয়ে তারা ভাবছেন।

অন্যদিকে সমস্যায় পড়েছে উচ্চশিক্ষাও। কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইনে সেমিস্টারের পাঠদান শেষ করেছে। ইউজিসির বাধ্যবাধকতা থাকায় অনলাইনে পরীক্ষা নিতে পারছে না। এমনকি পরবর্তী সেমিস্টারও শুরু করতে পারছে না। এ বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, করোনার এই পরিস্থিতিতে বিকল্প পন্থায় লেখাপড়া চালিয়ে নিতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদিও এই প্রক্রিয়াটি আরও আগেই শুরু করেছিল, কিন্তু কিছু জটিলতার কারণে তা চালু রাখা যায়নি।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু বলেন, পড়াশোনার স্থবিরতা কাটাতে সরকার এবং বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এখনই কাজ শুরু করতে হবে। তিনি বলেন, ১৬ মার্চ একযোগে সব প্রতিষ্ঠান ছুটি দেওয়ার আগে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের ভর্তি কার্যক্রমই শেষ করতে পারেনি।

কলেজ শিক্ষক সমিতির (বাকশিস) মহাসম্পাদক প্রফেসর ড. এ কে এম আবদুল্লাহ বলেন, পাবলিক পরীক্ষার মতো বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিশেষ করে পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ এই ছুটির মধ্যে শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে নিয়ে আসতে হবে। স্কুলগুলোকে নিজেদের উদ্যোগে পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে তাদের নিয়মিত পড়াশোনার তত্ত্বাবধান করতে হবে। পাবলিক পরীক্ষার বাইরে থাকা ক্লাসগুলোকে নিজস্ব মূল্যায়ন পদ্ধতির আলোকে প্রমোশন দিতে হবে। সূত্র: সমকাল পত্রিকা


Our Website www.labibitsolution.com
Click to visitLABIB IT SOLUTION থানা রোড, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ। মোবাইল: ০১৭২৭১৭৮২৮৫, ০১৯৭৭১৭৮২৮৫ গুগলের নিজস্ব প্রযক্তিতে ফ্রি হোস্টিং সেবা ব্যবহার করে কম খরচে যে কোন ধরনের উন্নতমানের ওয়েব সাই্ট তৈরি করা হয়, ডাটাবেস প্রোগ্রামিং তৈরি করা হয় এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করা হয়।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকরোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট–সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারে (বিএমআরসি) জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। কিটের সক্ষমতা কতটা, সে বিষয়ে পরীক্ষার জন্য বিএমআরসি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। অন্যদিকে, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের সক্ষমতা পরীক্ষার জন্য ৮০০ কিট চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)।
করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট–সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ সেন্টারে (বিএমআরসি) জমা দিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। কিটের সক্ষমতা কতটা, সে বিষয়ে পরীক্ষার জন্য বিএমআরসি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
অন্যদিকে, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের সক্ষমতা পরীক্ষার জন্য ৮০০ কিট চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি)। জাফরুল্লাহ চৌধুরী গতকাল মঙ্গলবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘কিটের প্রটোকল তৈরির জন্য কোনো কন্ট্রাক্ট রিসার্চ ফার্মের (সিআরও) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হব না। এই পদ্ধতিতে লেনদেনের সুযোগ থাকতে পারে। কিটের কাগজপত্র বিএমআরসিকে দেওয়া হয়েছে। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলেছে।’
গত শনিবার করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট সরকারের কাছে হস্তান্তরের জন্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সংস্থাটি জানায়, তাদের উদ্ভাবিত ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট’ কিটের মাধ্যমে সহজে ও স্বল্পমূল্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে কিট পরীক্ষা ও মতামতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসির প্রতিনিধির কাছে কিট হস্তান্তর করা হয়।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের অনুমোদন নিয়ে কয়েক দিন ধরে সরকার ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের টানাপোড়েন চলছে। তারা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং সংবাদ সম্মেলনও করেছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর গত সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানায়, র‌্যাপিড কিট নিয়ে সরকার শুরু থেকেই সতর্ক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা র‌্যাপিড কিট ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি। সরকারও র‌্যাপিড কিট ব্যবহারের অনুমতি দিতে চাইছে না।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানান, সিডিসি লিখিতভাবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিটের সক্ষমতা পরীক্ষা করতে চেয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সিডিসিকে কিট দেওয়া হবে। আইসিডিডিআরবি এই কিটের সক্ষমতা মূল্যায়ন করলে আপত্তি নেই। আইসিডিডিআরবি বা অন্য কোথাও কিটের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করাতে যে খরচ লাগবে, তা সুচিন্তা ফাউন্ডেশন বহন করবে। সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা




আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
ইউরোপের দেশ ইতালিতে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা এখনো কাটেনি। তবে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে এসেছে। ছবি: রয়টার্স

ইউরোপের দেশ ইতালিতে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা এখনো কাটেনি। তবে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে এসেছে। ছবি: রয়টার্সইউরোপে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর কয়েকটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমে এসেছে। এরপরও প্রতিটি দেশে প্রতিদিন কয়েক শ করে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এর মধ্যেই কিছু দেশ বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করেছে। কিন্তু লকডাউন আরও দ্রুত তুলে নিতে ইউরোপীয় নেতাদের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
এদিকে এক মাসের লকডাউনের পর গতকাল মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডে জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। পাঁচ সপ্তাহ বন্ধ রাখার পর খুলে দেওয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সৈকত। তবে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মিসরের মতো কিছু দেশ বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
ইউরোপে করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর কয়েকটিতে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমে এসেছে। এরপরও প্রতিটি দেশে প্রতিদিন কয়েক শ করে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এর মধ্যেই কিছু দেশ বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করেছে। কিন্তু লকডাউন আরও দ্রুত তুলে নিতে ইউরোপীয় নেতাদের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।
এদিকে এক মাসের লকডাউনের পর গতকাল মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডে জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। পাঁচ সপ্তাহ বন্ধ রাখার পর খুলে দেওয়া হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি সৈকত। তবে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মিসরের মতো কিছু দেশ বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সার্বক্ষণিক তথ্য প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, চীন থেকে গত জানুয়ারির শুরুর দিকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে গতকাল পর্যন্ত প্রায় ৩১ লাখ ৫ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২ লাখ ১৪ হাজারের বেশি। সুস্থ হয়েছেন প্রায় সাড়ে ৯ লাখ। আক্রান্তদের মধ্যে ১৩ লাখের বেশি ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বাসিন্দা। এই মহাদেশে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষের। তবে এখন পরিস্থিতির ‍উন্নতি ঘটছে। ইতালি, স্পেন, ফ্রান্সের মতো ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোয় সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে এসেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান জানায়, দ্রুত লকডাউন তুলে নিতে ইউরোপীয় নেতাদের ওপর চাপ বেড়েই চলেছে। বিধিনিষেধ কবে ও কীভাবে শিথিল করা হবে, তা নিয়ে জার্মানিতে একধরনের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের আশঙ্কা, সময়ের আগে বিধিনিষেধ তুলে নিলে হিতে বিপরীত হতে পারে। গত সপ্তাহেই দেশটির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল সতর্ক করে বলেছেন, জার্মানির ১৬টি রাজ্য লকডাউন তুলে নিতে তড়িঘড়ি করছে। দেশটির অর্থমন্ত্রী পিটার আল্টমায়ের বলেন, ‘আমি সবাইকে অনুরোধ করছি, বিধিনিষেধ শিথিল করার ক্ষেত্রে খুব সতর্কভাবে অগ্রসর হতে হবে।’
সুইজার‌ল্যান্ডে করোনা ঠেকাতে গত মাসে লকডাউন আরোপ করা হয়। গত সোমবার দেশটিতে চিকিৎসক, দাঁতের চিকিৎসকেরা ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখার অনুমতি পেয়েছেন। খুলেছে প্রাক্‌–প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো, ফুলের দোকান, সেলুন, ম্যাসাজ পারলার ও বিউটি স্যালনগুলো। নরওয়েতেও শিশুরা ফিরেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, চেক প্রজাতন্ত্রে অনেক দোকান খুলেছে। দেশটি প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার আগেই জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। সোমবার চেক প্রজাতন্ত্রের সরকার লকডাউন তুলে নিতে পাঁচ স্তরের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে।
ইউরোপের দেশ ইতালিতে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা এখনো কাটেনি। তবে সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে এসেছে। এরই মধ্যে দেশটিতে আরোপ করা বিধিনিষেধ শিথিল করতে শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। আগামী ৪ মে খুলছে সেখানকার কারখানা ও নির্মাণ খাত। দেশটিতে গতকাল পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৩৫৯ জনের।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ফ্রান্স ও স্পেনের কর্তৃপক্ষের গতকাল লকডাউন তুলে নিতে পরিকল্পনা উপস্থাপনের কথা ছিল। অবশ্য স্পেনে এরই মধ্যে বিধিনিষেধ শিথিল করা শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে দেশটিতে শিশু-কিশোরেরা অভিভাবকের সঙ্গে সীমিত সময়ের জন্য ঘরের বাইরে পা রাখতে পারছে। দেশটিতে মৃত্যু ২৪ হাজার ছুঁই ছুঁই।
ফ্রান্সের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে বিধিনিষেধ শিথিল হবে আগামী ১১ মে। বিবিসি জানায়, ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এদোয়ার্দো ফিলিপ বিধিনিষেধ শিথিলের পরিকল্পনা উপস্থাপনের সময় বলেন, লকডাউনের কারণে এক মাসে দেশটিতে ৬২ হাজার মানুষের জীবন রক্ষা পেয়েছে। ফ্রান্সে সোমবার পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ২৩ হাজারের বেশি মানুষ।
তবে যুক্তরাজ্যের সরকার এরই মধ্যে জানিয়েছে, দেশটিতে চলমান বিধিনিষেধ শিগগিরই শিথিল করার পরিকল্পনা নেই। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন করোনার সংক্রমণ থেকে সেরে উঠে সোমবার কাজে যোগ দিয়েছেন। ‍যুক্তরাজ্যে মৃত্যু ২১ হাজার ছাড়িয়েছে সোমবার। দেশটিতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার। 
রয়টার্স জানায়, করোনা মোকাবিলায় জাপানে চলমান জরুরি অবস্থার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৬ মে। এরপর মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে দেশটির অর্থমন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা গতকাল বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে করোনা–সম্পর্কিত তথ্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের পরই।
এএফপি জানায়, মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি গতকাল তাঁর দেশে চলমান জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়িয়েছেন। এবার তিনি করোনা মহামারি ও নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ালেন। ২০১৭ সালে গির্জায় জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জোড়া বোমা হামলার পর থেকে মিসরে জরুরি অবস্থা চলছে। দেশটিতে সোমবার পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন সাড়ে ৪ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ৩৩৭ জন।
যুক্তরাষ্ট্রে গতকাল পর্যন্ত ১০ লাখ ২০ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন। মৃত্যু ৫৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তবে দেশটিতে পরিস্থিতির ‍উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিদিনকার মৃত্যুর সংখ্যা এখনো অনেক বেশি হলেও তা কমতির দিকে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৮৪ জনের। সেখানেও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে লকডাউন তুলে নেওয়ার দাবিতে ক্ষোভ বাড়ছে।
রয়টার্স জানায়, নিউজিল্যান্ডের সরকার দেশটিতে এক মাস ধরে চলমান লকডাউন প্রত্যাহার করেছে। গতকাল দেশটিতে জনজীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন বলেছেন, তাঁর দেশে এখন আর করোনার স্থানীয় সংক্রমণ নেই। নিউজিল্যান্ডে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৭২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৯ জন।
সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

Sick Khaleda to observe fasting in quarantine
ফাইল ছবি

 বিভিন্ন অসুস্থতা সত্ত্বেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পবিত্র রমজান মাসে পৃথক পৃথক অবস্থায় রোজা রেখে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন।

“ম্যাডাম (খালেদা) করোন ভাইরাস বন্ধের মধ্যে কোয়ারান্টিনে রয়েছেন। তিনি তার অসুস্থতার জন্য তার ব্যক্তিগত চিকিত্সকদের কাছ থেকে চিকিত্সা নিচ্ছেন। তিনি পৃথক পৃথক উপবাস পালন করবেন, ”বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন।

শুক্রবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, তাদের চেয়ারপারসন রমজানের প্রাক্কালে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের অন্যত্র মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

খালেদের ব্যক্তিগত চিকিত্সকের এক সদস্য, নাম প্রকাশ না করার জন্য বলেছিলেন, বিএনপি প্রধান তার পুত্র তানিক, দুই পুত্রবধূ এবং নাতনির সাথে আলাপ করে পবিত্র কোরআনের আয়াত থেকে তেলাওয়াত করে, বই পড়ে এবং প্রার্থনা করেছেন।

তিনি বলেছিলেন যে কর্ণাভাইরাসের অবস্থার উন্নতি না হওয়া অবধি কেবল খালেদা জিয়া খালেদার সাথেই দেখা করতে পারেন তিনি।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও এর চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিত্সক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, খালেদার স্বাস্থ্যের অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। "তার থেরাপি করা হলেও তার হাত ও পায়ে ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় না। তার ডায়াবেটিস এখনও অনিয়ন্ত্রিত ”

তিনি বলেন, খালেদা করোনভাইরাস পরিস্থিতি এবং দেশের উপর এর প্রভাব নিয়ে চিন্তিত।

গত ২৫ শে মার্চ খালেদা তার বয়স এবং মানবিক দিক বিবেচনা করে ফাঁসির আদেশে ছয় মাসের জন্য কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।

সরকার দুটি শর্তে তার মুক্তির কার্যনির্বাহী আদেশটি পাস করেছে - তার গুলশানের বাসভবনে থাকাকালীন চিকিৎসা নেওয়া এবং দেশ ছাড়ছেন না।

৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১ 2018 সালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় একটি বিশেষ আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদন্ডে দণ্ডিত করার পরে খালেদাকে পুরান Dhakaাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছিল।

সূত্র: ইনডিপেনন্ডেড অনলাইন পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের কারণে এফডিসিতে কোনো শুটিং নেই। ফ্লোরগুলো ফাঁকা। প্রশাসনিক কার্যক্রম চলছে না। তবে মসজিদের ইমামসহ এই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার দায়িত্বে যাঁরা নিয়োজিত, তাঁরা ঠিকই তাঁদের কাজ করে চলেছেন। রমজানের এই সময়টায় এই মানুষগুলোর মধ্যে ইফতারসামগ্রী দিচ্ছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই চিত্রনায়িকা বলেন, ‘করোনার কারণে সবকিছুই বন্ধ। এরপরও প্রাণের জায়গা এফডিসির কোনো কার্যক্রম না চললেও কিছু মানুষ ঠিকই তাঁদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আমার মনে হলো কীভাবে তাঁদের পাশে থাকা যায়। তাই ভাবলাম, পুরো মাসের ইফতারের দায়িত্ব নিয়ে যদি পাশে থাকতে পারি, ভালো লাগবে।’
নিপুণ বলেন, এফডিসিতে পুলিশ, আনসার ও নিরাপত্তার দায়িত্বে ১০ জন আর মসজিদে ২ জন ইমাম। সব মিলিয়ে ১২ জনের ইফতারের আয়োজন করতে পেরে নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবান মনে করছেন।
নিপুণ বলেন, ‘বহু বছর ধরে ‌প্রতি রোজায় আমাদের বাসা থেকে ২০ জন মানুষের ইফতারের আয়োজন করে থাকি। এবার যেহেতু সবাই ঘরবন্দী, ভাবলাম আর কী করা যায়। আব্বুর সঙ্গে আলাপ করে ২০ জনের পাশাপাশি এফডিসিতে যাঁরা এই সময়টায় থাকবেন, তাঁদের ব্যাপারটাও চূড়ান্ত করি। এটা পরম শান্তির ব্যাপার। কারণ যে এফডিসি ও চলচ্চিত্র আমাকে নিপুণ হিসেবে তৈরি করেছে, সেখানকার মানুষের এভাবে পাশে থাকতে পারাটা ভীষণ সৌভাগ্যের।’
কিছুদিন আগে চলচ্চিত্রের মেকআপম্যানদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন নিপুণ। গত সপ্তাহে চলচ্চিত্রের স্টিল ক্যামেরাম্যানদের আর্থিক সহায়তা দেন তিনি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সস্পাদক জায়েদ খানের কাছে এই আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংঠনের নামের তালিকা নিয়ে গেছেন, যাঁদের তিনি দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা করবেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি নিপুণ এখন ব্যবসায়ীও। রাজধানী ঢাকার বনানীতে প্রসাধনী ও লাইফস্টাইলকেন্দ্রিক ব্যবসা ‘টিউলিপ নেইলস অ্যান্ড স্পা’ পরিচালনা করছেন তিনি। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ইতিমধ্যেই কর্মীদের অগ্রিম বেতন দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ রেখেছেন এই চিত্রনায়িকা।

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক নারী স্বাস্থ্যকর্মীকে পুকুর পাড়ে তালপাতার ঝুপড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য করা হয়। ছবি: প্রথম আলো

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক নারী স্বাস্থ্যকর্মীকে পুকুর পাড়ে তালপাতার ঝুপড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য করা হয়। ছবি: প্রথম আলোগোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক নারী স্বাস্থ্যকর্মীকে (২১) পুকুর পাড়ে তালপাতার ঝুপড়িতে কোয়ারেন্টিনে রাখার ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান কোটালীপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মোহসিন উদ্দিন। তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটি গঠন করেন কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মাহফজুর রহমান। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন কোটালীপাড়া থানার পরিদর্শক মো. জাকারিয়া ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাগচী।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা প্রশান্ত বাড়ৈয়ের নির্দেশে ওই নারীকে নির্জন স্থানে তালপাতার ঝুপড়িতে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়ে বলে অভিযোগ আছে। ২১ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ওই নারীকে এভাবে এখানে থাকতে হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে নিন্দার ঝড় ওঠে।খবর পেয়ে কোটালীপাড়ার ইউএনও এস এম মাহফুজুর রহমান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুশান্ত বৈদ্য সেখানে যান। ওই নারী স্বাস্থ্যকর্মীকে তাঁর বাড়ির একটি আলাদা ঘরে কোয়ারেন্টিনে থাকার ব্যবস্থা করে আসেন তাঁরা।
বে এখন ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে কয়েকজন অভিযোগ করেছেন। তাঁরা বলছেন, ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে দিয়ে কাগজে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে যে তিনি স্বেচ্ছায় তালপাতার ঝুপড়িতে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন।
এ বিষয়ে ইউএনও এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, ওই স্বাস্থ্যকর্মী আগে এক কথা বলেছেন। এখন অন্য কথা বলছেন। তদন্তকারী দল সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবেন এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই স্বাস্থ্যকর্মী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করেন। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে ছুটি দেন। ছুটিতে তিনি বাড়িতে যান। পরে তাঁকে বাড়ি থেকে দূরে এক ঝুপড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকতে বাধ্য করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
প্রতীকী ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জন মারা গেছেন। দেশে নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ৫৪৯ জন। এটি একদিনে সর্বোচ্চ।এর মধ্য দিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়াল। নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৮ জন।

দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে সোমবার ৪৯৭ জন নতুন শনাক্তের কথা জানানো হয়েছিল। আর ৭ জনের মারা যাওয়ার কথা জানানো হয়।

আজকের ব্রিফিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে মোট মারা গেছেন ১৫৫ জন। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৪৬২।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩৩২ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। এর আগের দিন ৩ হাজার ৮১২ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৪ হাজার ৭৩৩ জনকে।

নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৮ জন। সব মিলে সুস্থ হয়েছেন ১৩৯ জন। তবে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সুস্থ হওয়ার তথ্য এখানে নেই। যদিও প্রায় ৭৯ শতাংশ রোগী বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
An Images
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের জেরে আজ, রবিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দুঘন্টা বঙ্গ বিজেপি নেতা-কর্মীরা নিজেদের বাড়িতে মৌন প্রতিবাদ অবস্থান করলেন। দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, মুকুল রায়-সহ রাজ্য বিজেপির সব শীর্ষনেতা, দলের বাংলার সমস্ত সাংসদ ছাড়াও রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেননরাও বাড়িতে থেকে এই মৌন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন।
করোনা নিয়ে তথ্য গোপন, গোপনে মৃতদেহ পুড়িয়ে দেওয়া, রেশন দুর্নীতি ও বিজেপি নেতাদের ত্রাণ দিতে বাধা দেওয়া ও ঘরবন্দি করে রাখা। রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে এই সমস্ত অভিযোগ তুলে তার প্রতিবাদেই আজ, বঙ্গ বিজেপির বাড়ি থেকে মৌন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন জেলায় দলের লক্ষাধিক কর্মী। রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী পোস্টার হাতে নিয়ে মৌন অবস্থান করেন দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, সুব্রত চট্টোপাধ্যায়।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন, ভারতীয় পত্রিকা


আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

টেলিভিশনে হুমায়ূন আহমেদের কৌতুক উজ্জ্বলতার দিকে ফিরে তাকানো

সম্প্রতি, বিটিভি আবার কিংবদন্তি সাহিত্যিক এবং পরিচালক হুমায়ূন আহমেদের কোথাও কেউ নে এবং বোহুব্রাহী পুনরায় পরিচালনা শুরু করেছিল, এটি টেলিভিশন বাফদের আনন্দিত করার জন্য। বাস্তব জীবন এবং বাংলাদেশী সংস্কৃতি দ্বারা অনুপ্রাণিত তার ট্র্যাজেডির জন্য হোক, তাঁর রোমান্টিক উপন্যাসগুলি বা তাঁর স্মরণীয় চরিত্রগুলি হুমায়ূন আহমেদের গল্প সর্বদা লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে, বিদেশে এবং বিদেশে। যাইহোক, শিল্পী সত্যই কৌতুক শৈলীতে বিশেষভাবে দক্ষতা অর্জন করেছিলেন, বিশেষত যখন এটি লেখার এবং টেলিভিশনের নির্দেশনার ক্ষেত্রে আসে। এখানে তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টেলিভিশন অনুষ্ঠান যা আপনার মজার হাড়গুলিকে সুড়সুড়ি দেবে।


জাহিদ হাসান, রিয়াজ, এস আই টুটুল, সোহেল আহমেদ, পুতুল, ফারুক আহমেদ ও মাহফুজ আহমেদের মতো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন হুমায়ূন আহমেদের মন্ট্রি মোহদোয়ের আগমন শুভছা শাগোতম, গ্রামীণ বাংলাদেশে। সরকার এই ঘোষণার পর গ্রামবাসীদের প্রস্তুতির ভিত্তিতে এই প্লট তৈরি করেছে যা প্রতিটি শহর একজন মন্ত্রীর সাথে পরিদর্শন করবে। মন্ত্রীর আগমনের বিষয়ে গ্রামবাসীদের অবহিত হওয়ার সাথে সাথে স্থানীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারপারসন তাদের অতিথিকে স্বাগত জানাতে নতুন গেট নির্মাণ শুরু করেন। অন্যদিকে, সরকারী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছে দেশপ্রেমিক স্লোগান প্রচার ও শিক্ষা দেওয়া শুরু করেন এবং স্থানীয় সংগীতশিল্পী তাঁর সম্মানে নতুন গান রচনা করা শুরু করেন। মন্ত্রীর আগমনের দৃশ্য হাস্যরসকে আরও বাড়িয়ে তোলে, কারণ হেলিকপ্টার থেকে তাঁর নামার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় এবং পরিবর্তে তিনি মহিষে এসে পৌঁছান। কৌতুকের ডোজটি জাহিদ হাসানের পাগল চরিত্রে অভিনয়ের সাথে দ্বিগুণ হয়ে গেছে, যিনি মন্ত্রীর এক কর্মকর্তাকে চড় মারেন।

বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যক্তিদের দ্বারা পূর্ণ বাসের সাথে শমুদ্রো বিলাস পিভিটি লিমিটেড, একটি নকশাকৃত কাস্টের বৈশিষ্ট্যযুক্ত, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যাত্রা শুরু করার তাড়াহুড়োকে প্রদর্শন করে, দুর্ঘটনায় ভরা, প্রথম ঘটনার সাথে শুরু করে, যখন গাড়ির ইঞ্জিন কাজ বন্ধ করে দেয় , সমস্ত যাত্রীদের বাড়াবাড়ি। যাইহোক, আসাদুজ্জামান নূর এবং তার সহকারী, জাহিদ হাসানের চরিত্রে অভিনয় করা পরিবহন সংস্থার মালিক কথা বলা শুরু করার সাথে সাথে যাত্রীরা তাদের ক্রোধ ভুলে যাত্রা উপভোগ করতে শুরু করেন।


অন্যদিকে, নীতু তোমাকে ভালবাসী, আধুনিক দিনের শহর জীবনের উপর ভিত্তি করে, একটি রোম্যান্টিক কৌতুক যা মজাদার এবং হৃদয়ের একটি আনন্দদায়ক ভারসাম্য সরবরাহ করে। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাহফুজ আহমেদ, শমী কায়সার ও জাহিদ হাসান। গল্পে নীতুর দাদা মাহফুজ আহমেদের চরিত্রকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত, একটি অনাবাসী বাংলাদেশী, যে বিয়েতে নিতুর হাত চাওয়া চায়। তবে, শুভেচ্ছা প্রকাশ করতে অক্ষম হয়ে শিতী কায়সার অভিনীত নীতু তার প্রেমের আগ্রহকে বিয়ে করার জন্য প্রহেলিকা জাহিদ হাসান অভিনয় করেছিলেন। হুমায়ূন ফারিদী তাদের বিবাহ অফিসার হিসাবে একটি স্মরণীয় ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

বুয়া বিলাস Dhakaাকার এক গৃহকর্মীর দৈনন্দিন জীবনের চিত্র তুলে ধরেছে। এই পেশার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন সামাজিক কলঙ্ককে চিত্রিত করার সাথে সাথে শোটি একই সাথে বিনোদনমূলক এবং আলোকিত হয়। প্রতিটি দৃশ্যে কৌতুক সংলাপ এবং অ্যাকশনে মিশ্রিত এটিতে মনিরা মিঠু প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন, রিয়াজ একটি মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

তদুপরি, জুতা বাবা-তে গ্রামগুলি যখন শিরোনামের চরিত্রটি জুড়ে আসে, তখন তারা চ্যালেঞ্জার দ্বারা চিত্রিত হয়, যারা দেশ জুড়ে খালি পায়ে হাঁটা এবং জুতা খায় ats মাজনুন মিজান ও ফারুক আহমেদ অভিনীত তাঁর দুই সহকারীকে নিয়ে যূতা বাবা অবশেষে একটি গ্রামে পৌঁছেছেন, যেখানে স্থানীয় চেয়ার এবং সহকর্মীরা তাঁর এই অযৌক্তিক গল্পটি বিশ্বাস করতে অস্বীকার করেছেন। পরিবর্তে, যুতা বাবা পালাতে বাধ্য হন এবং কখনও ফিরে আসতে পারেন না। হাস্যকর মুহুর্তের পাশাপাশি শোতে আমাদের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে নৈতিক বার্তা রয়েছে যা আমাদের সামাজিক বিশ্বাসে নিমগ্ন।

কৌতুক কৌতুক, তারা কিশোর জন: ডঃ এজাজুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ এবং শাহিন খসরু অভিনীত চা মাস্টার, তিনজন বেকার ব্যাচেলর যারা চায়ের স্টল চালানো শুরু করে তাদের চারপাশে ঘোরে। স্যুট পরিহিত তারা প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তাদের 'অফিসে' পৌঁছায় যা একটি পার্ক। তারা সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে পার্কে চা বিক্রি করে এবং অনেক গ্রাহকদের তাদের চিত্তাকর্ষক উপস্থিতি এবং মনোভাবের সাথে বিজয়ী করতে পরিচালিত করে, যেমন অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক চা বিক্রেতারা লোকসানের মুখে পড়ে। একদিন ব্যাচেলরদের উপর বিরক্ত হয়ে অন্য চা বিক্রেতারা তাদের এক গ্রাহকের মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করেন। ফলস্বরূপ, বিক্রেতার সমস্ত কারাগারে শেষ। একই রকম মহাবিশ্বে প্রতিষ্ঠিত, তারা কিশোর জন: ফুচকা বিলাশ তিন ব্যাচেলরদের গল্প অনুসরণ করেছেন যারা 'ফুচকা বিলাশ' নামে ফুচকা স্টল শুরু করার পরিকল্পনা করছেন। উত্তেজনায় ভরা এই ত্রয়ী তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্কে বিশেষ করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে দিবাস্বপ্ন শুরু করে, যেখানে তারা অভিনেতা রিয়াজকে ফিতা কাটা এবং পরে তাদের স্টলে একটি ফ্যাশন শো উপভোগ করবেন বলে আশা করছেন। শেষ পর্যন্ত তিন জনকে কল্পনা ছাড়া আর কিছু না রেখে তারা দর্শকদের হাসতে ব্যর্থ হয় না।

অন্যদিকে, উরে জয় বোক পোকি বড় হৃদয় নিয়ে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী গায়ক সম্পর্কে। হালকা চিত্তের মুহূর্ত এবং নৈতিক অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে স্তরিত এই প্লটটি বিদেশ থেকে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা, রিয়াজের চিত্রিত, গায়কের বাড়িতে গিয়েছিলেন a তার যে সামান্য আয় রয়েছে তা দিয়ে, গায়ক যখন তার অতিথির দেখাশোনা করার কথা আসে তখন কোনও ঝুঁকি ছাড়েন না। ধারাবাহিকের অভিনয়ে আরও আছেন মেহের আফরোজ শাওন, চ্যালেঞ্জার ও ডাঃ এনামুল হক প্রমুখ।

শেষ অবধি, অলি যাকের, আসাদুজ্জামান নূর, জাহিদ হাসান, সুবর্ণা মোস্তফা, এবং মেহের আফরোজ শাওন অভিনীত আজ রবিবার এমন একটি পারিবারিক সিরিজ যা তার অনন্য চরিত্র এবং অতুলনীয় কৌতুকের জন্য প্রজন্মের কাছে প্রিয়। । সূত্র: ডেইলি স্টার পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


করোনাকালীন সময়ে বাচ্ছাদের পড়া-শোনার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শিক্ষনীয় বিষয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার জন্য অভিভাবকদের এ সময়ে কঠোর ভুমিকা পালন করতে হবে| যাতে করে এ সময়ে ছেলে-মেয়েরা লেখা পড়া থেকে দূরে সরে না যায়, তারই অংশ হিসাবে একজন শিক্ষিকা মা তার ছেলে কে অবসর সময়ে লেখা-পড়ার পাশা-পাশি আর্ট শেখাচেছ । ছেলে: তাহসান আহমেদ তরফদার লাবিব, শিশু শ্রেণী, বড়দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।

নিজস্ব প্রতিবেদক, হালুয়াঘাট প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উপহার,,,প্রিয় অভিভাবক মাননীয় তথ্য প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি মহোদয়ের নির্দেশে জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সদস্য মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু ভাইয়ের উদ্যোগে, সরিষাবাড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে কর্মহীন মানুষের জন্য উপহার,বাড়ি বাড়ি গিয়ে, চাল, ডাল,ছোলা,মুড়ি, আলু,সাবান পৌঁছে দিয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতারা, উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা রবিউল আলম রবি,ফরহাদ আলম, রাকিব হাসান নাহিদ,ছাব্বির, নাসিম, শাহিন,ফারুক, বিপু, রাকিব সরকার,সাগর আরো অনেকেই, এই মহামারি করোনা যুদ্ধে সবাইকে কর্মহীন মানুষের পাশে থাকতে অনুরোধ করেছেন সবাই এবং যার যার ঘরে থাকতে বলেছেন, এবং সবাইকে রমজানুল মোবারক জানিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক, সরিষাবাড়ি প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
সাহারী ও ইফতারের সময় সূচী,  সিয়াম এর ফজিলত ও তাৎপর্য

আর কয়দিন পরেই রমজান মাস। সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য সিয়াম সাধনার পবিত্র মাস এটি। ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে সিয়াম তিন নম্বর। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ পাক বলেন তোমাদের জন্যে সিয়াম ফরজ করা হয়েছে। সব ইবাদত-বন্দেগি থেকে সিয়ামের আলাদা মর্যাদাও দিয়েছেন।

আরবী ১২ টি মাসের মধ্যে ৯ম মাসটিই হচ্ছে রমজান মাস। আরবি অর্থ হচ্ছে ‘সওম’, বহুবচনে ‘সিয়াম’। সওম বা সিয়ামের বাংলা অর্থ বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তে সওম হল আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে নিয়তসহ সুবহে সাদিকের শুরু থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকাই সিয়াম ।
রমজান ধৈর্য্যের মাস। আর ধৈর্য্যের সওয়াব হলো বেহেশত। এটা সহানুভূতি প্রদর্শনের মাস। এটা সেই মাস যে মাসে মুমিন বান্দার রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ মাসে যে ব্যক্তি কোনো সিয়ামদারকে ইফতার করাবে তা তার জন্য গুনাহ মাফের এবং দোযখের আগুন থেকে মুক্তির কারণ হবে। এছাড়া তার সওয়াব হবে সিয়ামদার ব্যক্তির সমান।
পবিত্র রমজানের ফজিলত ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসের কিতাবগুলোতে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এর ভেতর থেকে কিছু হাদিস এখানে উল্লেখ করা হলো-

নবী (সা.) এর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেছেন, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, যখন রমজান মাস আসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়, আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। (বুখারী, মুসলিম)

অপর হাদিসে এসেছে, হযরত সাহ্ল ইবনে সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) এরশাদ করেছেন, বেহেশতের ৮টি দরজা রয়েছে। এর মধ্যে ১টি দরজার নাম রাইয়ান। সিয়ামদার ব্যতিত আর কেউ ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম)

‘তোমাদের কেউ সিয়াম রেখে অশ্লীল কথাবার্তায় ও ঝগড়া বিবাদে যেন লিপ্ত না হয়। কেউ তার সঙ্গে গালমন্দ বা ঝগড়া বিবাদ করলে শুধু বলবে, আমি সিয়ামদার । সেই মহান সত্তার কসম যার করতলগত মুহাম্মদের জীবন, আল্লাহর কাছে সিয়ামদারের মুখের গন্ধ কস্তুরীর সুঘ্রাণের চেয়েও উত্তম।’

সিয়ামদারের খুশির বিষয় ২টি- যখন সে ইফতার করে, আর একবার যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সিয়াম এর বিনিময় লাভ করবে। (বুখারী)।

পবিত্র রমজান মাস মহান আল্লাহর সঙ্গে প্রিয় বান্দার প্রেম বিনিময়ের সবচেয়ে উত্তম সময়। এই মাসে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে। তাই এ মাসের ফজিলত ও মর্যাদা বেড়ে গেছে আরো বহুগুণ।



রমজানের ফজিলত নিয়ে আরো অনেক হাদিস বিভিন্ন সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে।
এই মাসে যে ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশে ১টি নফল আমল করল সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি এই মাসে ১টি ফরজ আদায় করলো সে ওই ব্যক্তির সমান হলো, যে অন্য মাসে ৭০টি ফরজ আদায় করলো।
এসব শুনে সাহাবীরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.)! আমাদের প্রত্যেক ব্যক্তি তো এমন সামর্থ্য রাখে না যে সিয়াম দারকে (তৃপ্তি সহকারে) ইফতার করাবে? রাসুল (সা.) বললেন, আল্লাহ পাক এই সওয়াব দান করবেন যে সিয়াম দারকে ইফতার করায় এক চুমুক দুধ দিয়ে, অথবা একটি খেজুর দিয়ে, অথবা এক চুমুক পানি দিয়ে। আর যে ব্যক্তি কোনো সিয়াম দারকে তৃপ্তির সঙ্গে খাওয়ায় আল্লাহ তায়ালা তাকে হাউজে কাউছার থেকে পানি পান করাবেন যার পর জান্নাতে প্রবেশ করা পর্যন্ত সে পুনরায় তৃষ্ণার্ত হবে না।
যে ব্যক্তি এই মাসে আপন অধীনস্থ দাস-দাসীদের কাজের বোঝা হালকা করে দেবে মহান আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন এবং তাকে দোযখ থেকে মুক্তি দান করবেন। (বায়হাকী)

নবীর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু ওবায়দা (রা.) রমজানের গুরুত্ব সম্পর্কে আরেকটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, সিয়াম মানুষের জন্য ঢালস্বরুপ যতক্ষণ পর্যন্ত তা ফেড়ে না ফেলা হয় (অর্থাৎ সিয়াম মানুষের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তা নিয়ম অনুযায়ী পালন করা হয়)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)

সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এ সম্পর্কে আরেকটি বর্ণনা এসেছে। তিনি বলেছেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, অনেক সিয়ামদার ব্যক্তি এমন রয়েছে যাদের সিয়াম বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যতিত আর কিছুই লাভ হয় না। আবার অনেক রাত জাগরণকারী এমন রয়েছে যাদের রাত জাগার কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ হয় না। (নেক আমল যদি এখলাস ও আন্তরিকতার সঙ্গে না হয়ে লোক দেখানোর উদ্দেশে হয় তাহলে এর বিনিময়ে কোনো সওয়াব পাওয়া যায় না)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) আরো বলেছেন, নবী করীম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে শরীয়ত সম্মত কোনো কারণ ছাড়া রমজানের একটি সিয়াম ও ভাঙে সে রমজানের বাইরে সারাজীবন সিয়াম রাখলেও এর বদলা বা সমান হবে না। (তিরমিযী, আবু দাউদ)
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্র রমজানের ফজিলত জেনে বেশি বেশি নেক আমল করার তৌফিক দান করুক। আমীন

সূত্র: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

আজকের শীর্ষখবর ডেস্ক


করোনাভাইরাসের কারনে সরিষাবাড়ী উপজেলাতে দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংকট। এতে বোরো ধান ঘরে তুলতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন প্রায় লক্ষাধিক কৃষক। তাই প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা নির্দেশে মাননীয় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি মহোদয়ের পক্ষে তার নির্বাচনী এলাকা জামালপুর-৪(সরিষাবাড়ী) বিনা পারিশ্রমিকে স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সদ্য ঘোষিত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু সহ সরিষাবাড়ী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাবৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের নাথের পাড়া এলাকায় এই ব্যতিক্রম কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন উপজেলার ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।আওনা ইউনিয়নের নাথের পাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য, ও সরিষাবাড়ী উপজেলার সদ্য ঘোষিত ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবুর নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী কাদা-পানি মাড়িয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন।


আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
উন্নয়নের অগ্রাধিকারগুলি এখন হঠাৎ করেই বদলে গেছে


মারাত্মক করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সরকার সামাজিক দূরত্ব এবং দেশব্যাপী বন্ধের মতো কিছু অনিবার্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে যদিও এর ফলে অর্থনৈতিক বিকাশ মন্দা হতে পারে।

বাংলাদেশে জীবন বাঁচানোর পক্ষে কোন বিকল্প নেই no যদি এই পদক্ষেপগুলি না নেওয়া হয় তবে ভাইরাসটি এত দ্রুত ছড়িয়ে যাবে যে উত্পাদন কার্যক্রম ব্যাহত হবে।

তবে লকডাউনের সবচেয়ে বিপর্যয়কর প্রভাব হ'ল এর অর্থ হ'ল দরিদ্রতম গোষ্ঠীর জীবন-যাপন, যারা খাদ্য ঘাটতি এবং ক্ষুধার হুমকির মুখে পড়েছেন।

সরকার ও বেসরকারী সংস্থাগুলি এই গোষ্ঠীর মধ্যে খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে, তবে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে।

নিম্নলিখিত আলোচনার বিষয়গুলি কেবলমাত্র এই মুহুর্তে নয়, আগত বছরে বা তার চেয়েও বেশি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক on


এই ইস্যুগুলির মধ্যে জিডিপি বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ, দরিদ্রদের জীবিকা এবং কীভাবে তাদের কর্মসংস্থান বজায় রাখা যায় এবং এ ছাড়াও অন্যান্য গ্রুপ রয়েছে যাদের জন্য কর্মসংস্থান প্রয়োজন তাও স্বীকৃতি জানানো দরকার।

চলতি অর্থবছরে স্বল্প জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন বিভিন্ন মহল থেকে আসছে তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দার কারণগুলি সম্পর্কে স্বাভাবিক প্রশ্নগুলি প্রাসঙ্গিক নাও হতে পারে।

যেহেতু প্রথম তিনটি প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশা মতো ছিল, জিডিপি প্রবৃদ্ধির হ্রাস অবশ্যই করোনভাইরাস দ্বারা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক অতীতের নির্দিষ্ট নীতিগুলিকে দায়ী করা যায় না।

অতএব, হতাশার পরিমাণ নিয়ে বিতর্ক সবচেয়ে জরুরি নীতি প্রশ্ন নাও হতে পারে। এশীয় প্রতিবেশীদের মধ্যে বৃদ্ধির পরিসংখ্যানের তুলনা অতীতে যেমনটি কার্যকর তেমন কার্যকর নয়।

এই মুহুর্তে, তুলনা করতে হবে সংক্রামিত জনসংখ্যার ভাগ এবং মৃত্যুর ভাগের দিক দিয়ে করোনভাইরাস দ্বারা ক্ষয়ক্ষতির সাথে বৃদ্ধির হ্রাসের পরিসংখ্যানগুলিকে একত্রিত করতে হবে।

বাংলাদেশ যদি সংক্রামণগুলি ধারণ করতে এবং অন্যান্য দুর্ভোগগুলি, বিশেষত খাদ্যের ঘাটতি এবং ক্ষুধা দূর করতে সফল হয়, তবে জিডিপি-র স্বল্প প্রবৃদ্ধি অমান্য হতে পারে না।

বরং ভাইরাসটির দ্রুত প্রসারণ এবং ফলস্বরূপ মৃত্যুর ব্যয়ে বৃদ্ধির দৃশ্যের বিপরীত প্রবণতা গ্রহণযোগ্য হবে না। অবশ্যই, কারও যখন বক্ররেখার সমতল হয় তত বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য ব্যবহারিক পদক্ষেপগুলি বিবেচনা করা উচিত।

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ক্ষুধা নিরসনের জন্য তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপের বাইরে থাকা বিষয়গুলির দিকে মনোযোগ প্রয়োজন requires সকল স্তরের লোকের পর্যাপ্ত খাবারের অ্যাক্সেসের জন্য আগত মাস বা বছরে সামগ্রিক স্তরে পর্যাপ্ত প্রাপ্যতার প্রয়োজন হবে।

বাংলাদেশ গত কয়েক বছর ধরে খাদ্যে প্রায় স্বাবলম্বী। ভাল ফসলের বছরগুলিতে, আমদানি করা ধানের অংশ হ্রাস পায় এবং উত্পাদনে কোনও অস্বাভাবিক হ্রাসের ক্ষেত্রে বিপরীত হয়।

তবে পরের এক বছরের মধ্যে চাল রফতানিকারক দেশগুলি রফতানির বিষয়ে সতর্ক থাকবে এবং বর্তমান অনিশ্চয়তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিটি দেশ খাদ্য প্রাপ্যতা সম্পর্কিত ঝুঁকি হ্রাস করার চেষ্টা করবে।

বাংলাদেশকে খাদ্য সরবরাহ, বিশেষত খাদ্যশস্য উত্পাদন বজায় রাখতেও চেষ্টা করতে হবে। এটি আনন্দদায়ক যে শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে খাদ্য উত্পাদন বাড়াতে এবং আরও জমি আরও বেশি খাদ্য বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করার নির্দেশনা এসেছে।

ত্বরান্বিত কৃষি বৃদ্ধি পরবর্তী দুই বছরে উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে বলে এখন যথাযথ বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।

আসন্ন বোরো ফসল সাধারণ হওয়ার আশা করা হলেও ফসল ও ফসল কাটার পরবর্তী কাজের জন্য শ্রম পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যাপ্ত আমন জমিতেও নিশ্চিত করতে হবে।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে, সামাজিক দূরত্বের মাঝেও কৃষি উত্পাদন নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে পারে।

দরিদ্রতম মানুষের জীবিকা নির্বাহের মোট কর্মসংস্থান এবং সম্পর্কিত দুর্ভোগের একটি অংশ। যারা এই স্তরের উপরে তাদের অনেকে অস্থায়ী চাকরি হারিয়েছেন।

শিল্প ও সেবা খাতে, কাজের একটি বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক এবং অস্থায়ী প্রকৃতির। তাদের বেশিরভাগ অংশ সম্ভবত চাকরি হারিয়েছে এবং অনেকেই বন্ধের কারণে কাজ না করার দিনগুলিতে বেতন পাবে না।

কর্মসংস্থানের অভাবে অন্যান্য বিভাগগুলি হ'ল 2020 সালে যারা শ্রমবাজারে প্রবেশ করেছে।

তারা চাকরি পাওয়ার আগে জব মার্কেটের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং যারা 2019 সালে পড়াশোনা শেষ করেছেন তাদের এখন চাকরির সম্ভাবনা নেই। অনেকে বিদেশে চাকুরী গ্রহণ করতেন তবে সেই রুটটিও বন্ধ।

যখনই অর্থনীতি স্বাভাবিকতায় ফিরে আসে, এই গোষ্ঠীগুলির জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি একটি অগ্রাধিকার হবে। চাকুরী সৃষ্টির পরিকল্পনা করার সময়, সরকার অতীতের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করতে পারে না।

গত দশক বা তার দশকে, নতুন শ্রমশক্তিতে মোট প্রবেশকারীরা প্রতি বছর ১.৮ থেকে ২ মিলিয়ন পরিসরে ছিল যার মধ্যে ০.৪ থেকে ১.০ মিলিয়ন প্রতি বছর বিদেশী কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছিল।

সুতরাং, ভারসাম্য ছিল দেশীয় শ্রমশক্তির নেট সংযোজন। অর্থনীতি যখন স্বাভাবিক ট্র্যাকের দিকে ফিরে আসে, কর্মসংস্থান সন্ধানকারী নেট গার্হস্থ্য শ্রমশক্তি এক বছরে পুরো সংযোজন হবে, যা প্রায় ১.৯ মিলিয়ন-বেশি এবং ২০২০ এর নতুন প্রবেশকারীদের একটি ব্যাকলগ।
সূত্র: দি ডেইলি স্টার

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

চাটখিলে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী খাদিজা আক্তার ববিকে (২০) হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী রবিন হোসেনের (২৬) বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিনদের বাড়ি উপজেলার শাহপুর ইউনিয়নের পূর্ব শোশালিয়া গ্রামের আটিয়া বাড়িতে।

নিহত ববির চাচা ইউছুপ আলী সাংবাদিকদের জানান, তাদের বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের গঙ্গাশিবপুর গ্রামে। প্রায় দুই বছর আগে তার বড় ভাই বেলায়েত হোসেনের কন্যা ববির সাথে চাটখিল উপজেলার পূর্ব শোশালিয়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে রবিন হোসেনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রবিন যৌতুকদাবিসহ নানা অজুহাতে ববিকে মারধরসহ নানা রকম নির্যাতন চালাতো। এর মধ্যে তাকে দুবার বেশ কিছু টাকাও দেয় ববির বাবা। তারপরেও তার সাধ না মেটায় সে ববিকে প্রায় নির্যাতন চালিয়ে যায়।
তিনি জানান, শুক্রবার (মধ্যরাতে) রবিনদের বাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, ববি বিষ পান করেছে এবং তাকে রবিন নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছে। সকাল বেলা ববির পরিবারের লোকজন হাসপাতালে পৌছে দেখেন ববির মরদেহ পড়ে আছে আর তার স্বামী রবিন সেখান থেকে পালিয়ে গেছে।
ববির বাবা বেলায়েত হোসেন রোববার বিকেলে (৫টার দিকে) সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ববির মরদেহ ময়না তদন্তের পর তাদের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে এবং তারা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
চাটখিল থানা’র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম আলোকিত চাটখিল পত্রিকাকে জানান, তার পরিবার মামলা দায়ের করেছেন, যা আত্মহত্যা ও প্ররোচনার মামলা হিসাবে নথিভুক্ত হয়। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
সূত্র: আলোকিত চাটখিল

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget