হারুনুর রশিদ শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের নকলা পৌরসভার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে ৯ জনের নাম ক্রমানুসারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে উপজেলা আওয়ামী লীগের জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দলীয় প্রতীক চেয়ে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান লিটন, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক খলিলুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আ: রশিদ সরকার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা উম্মে কুলসুম রেনু, উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন, সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ও সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী উৎপল।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ বলেন, নকলা পৌরসভা নির্বাচনে ৯জন দলীয় প্রতীকের মনোনয়ন চেয়ে প্রার্থী হন। আমরা সর্বসম্মতিক্রমে দলীয় পদবী ক্রমানুুসারে তাদের নামের তালিকা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পাঠাব।
নির্বাচন কমিশন থেকে তফসিল ঘোষণা না করা হলেও জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছে ৪৫ জন নেতাকর্মী।
দলীয় মনোনয়ন বিক্রির শেষ দিনে এ সংখ্যা পাওয়া যায়।
জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু জানান, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে জামালপুর পৌরসভায় ১১ জন, সরিষাবাড়ী পৌরসভায় ১০ জন, মাদারগঞ্জে ১ জন, মেলান্দহে ৬ জন, ইসলামপুরে ৯ জন এবং দেওয়ানগঞ্জে ৮ জন দলীয় মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছেন। এগুলো বুধবার যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মনোনয়ন সংগ্রহকারী প্রার্থীরা জানান, প্রতিটি দলীয় মনোনয়ন ফরমের জন্য মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
জামালপুরে মোট পৌরসভার সংখ্যা ৮টি। বকশীগঞ্জ ও হাজরাবাড়ী বাদ বাদে ৬টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রথম দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মীর্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি। তিনি ফরম পূরণ করে জমাও দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ জানান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী মনোনয়ন বিতরণ ও সংগ্রহ করা হচ্ছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সভা শেষে ৫ ডিসেম্বর প্রতিটি পৌরসভায় ৩ জন করে সম্ভাব্য নামের তালিকা কেন্দ্রে প্রেরণ করা হবে। কে মনোনয়ন পাবে সেটি দলের নীতি নির্ধরকরাই নির্ধারণ করবেন।
হারুনুর রশিদ শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের নকলায় গরুবাহী ট্রাক দুর্ঘটনায় ১৩টি গরুসহ ও নির্মানাধীন কালভার্র্টের পাহাড়াদার ছোরহাব আলী নামের এক ব্যাক্তি নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। সোমবার দিবাগত রাতে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের নকলা উপজেলার কুর্শাবাদাগৌর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ছোরহাব আলী একই এলাকার মৃত. সৈয়দ আলীর পুত্র। আহতরা হলেন ট্রাক চালক মোখলেছ মিয়া ও গরু ব্যবসায়ী কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মাঝিরকোনা গ্রামের শওকত আলীর পুত্র নবী হোসেন।
স্থানীয়সূত্র ও পুলিশ জানায়, কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে ৩২টি গরু ক্রয় করে ব্যবসায়ীরা ট্রাকে করে কিশোরগঞ্জে যাওয়ার পথে ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের নকলা উপজেলার কুর্শবাদাগৈর এলাকায় নির্মানাধীন কালভার্র্টের খাদে পড়ে যায়। নির্মানাধীন ব্রিজের পাহাড়াদার ছোরহাব মিয়া ঘটনাস্থলেই প্রান হারান। এতে গরুর ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ট্রাকে থাকা ৩২টি গরুর মধ্যে ১৩টি গরু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। বাকী গরুগুলো উদ্ধার করে নকলা থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সাথে সাথে ফায়ার সার্ভিস সংবাদ পেয়ে ট্রাকের দরজা কেটে চালক মোখলেসকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও গরু ব্যবসায়ী নবী হোসেনকে নকলা হাসপাতালে প্রেরন করেছেন। তবে স্থানীয়দের দাবী নির্মানাধীন কালভার্র্টের সামনে কোন রোড সাইনবোর্ড বা ব্যারিকেড না থাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।