May 2020

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


করোনাভাইরাসের কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ৩১ মে। ওই দিন সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২০ সালের এসএসসির ফল প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। 
গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ২০ লাখ। স্বাভাবিক সময় থাকলে এ মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে ফল প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে তা অশ্চিয়তার মুখে পড়ে। এ অবস্থায় কিছুদিন আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
স্টাফ নার্স-মিডওয়াইফারী
বেতন – ৪৯,৭৬৩ টাকা।
Staff Nurse-Midwifery under the Nutrition and Clinical Services Division (Adv#82/2020)
Salary – Monthly Tk. 49,763/ -inclusive of house rent and conveyance allowances and other admissible benefits.
Benefits/facilities – Risk and Hazardous Allowance (25% of salary), festival bonus as per icddr,b HR Policies and procedures manual and Group Professional Indemnity Insurance for COVID-19.
Requirements:
Education and relevant experience:
• Diploma in Midwifery or equivalent qualification with good academic records;
• Minimum 3 years relevant experience with valid registration from Bangladesh Nursing and Midwifery Council.
ইনচার্জ নার্স-
স্যালারি- ৬২,৯৫৭ টাকা।
Charge Nurse under the Nutrition and Clinical Services Division (Adv#61/2020)
Salary – Monthly Tk. 62,957/ -inclusive of house rent and conveyance allowances and other admissible benefits.
Benefits/facilities – Risk and Hazardous Allowance (25% of salary), festival bonus as per icddr,b HR Policies and procedures manual and Group Professional Indemnity Insurance for COVID-19.
Requirements:
Education and relevant experience:
Diploma in Nursing & Midwifery or equivalent qualification with good academic records,
5 years relevant experience with valid registration from Bangladesh Nursing Council.
স্টাফ নার্স
স্যালারি- ৪৯,৭৬৩ টাকা।
Staff Nurse under the Nutrition and Clinical Services Division (Adv#67/2020)
Salary – Monthly Tk. 49,763/ -inclusive of house rent and conveyance allowances and other admissible benefits.
Benefits/facilities – Risk and Hazardous Allowance (25% of salary), festival bonus as per icddr,b HR Policies and procedures manual and Group Professional Indemnity Insurance for COVID-19.
Requirements:
Education and Relevant Experience:
•Diploma in Nursing Science and Midwifery / BSc in Nursing with valid registration from the Bangladesh Nursing and Midwifery Council (BNMC);
•3 year relevant experiences. Candidates who have completed Fellowship in Nursing from icddr,b will get preference.
আবেদনের শেষ তারিখঃ ২৭ মে।
আবেদন করুন সরাসরি ওয়েবসাইট থেকেঃ
career.icddrb.org

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


দেশে আরও দুই হাজার চিকিৎসক এবং তিন হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান ও রেডিওগ্রাফার নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার। যার মধ্য দিয়ে একমাসের মধ্যে দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়োগ হবে।
করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলায় গত ৪ মে দুই হাজার চিকিৎসক এবং ৭ মে পাঁচ হাজার ৫৪ নার্স নিয়োগ দেয় সরকার।
এখন তিন হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান ও রেডিওগ্রাফার নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া সেলের প্রধান অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান খান জানিয়েছেন ।
তিনি বলেন, “তিন হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, টেকনিশিয়ান ও রেডিওগ্রাফার নিয়োগ দেওয়ার জন্য আমরা ঈদের মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেয়েছি। এখন দ্রুততার ভিত্তিতে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাজ চলছে। সব মিলিয়ে এক মাসের মধ্যেই ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ ১০ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের রেকর্ড হবে, যা আগে কখনোই হয়নি।”
নতুন নিয়োগ পেতে যাওয়া স্বাস্থ্যকর্মীদের বিষয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান খান বলেন, এদের মধ্যে ১২০০ টেকনোলজিস্ট, ১৬৫০ টেকনিশিয়ান ও ১৫০ জন রেডিওগ্রাফার।
যতদিন মহামারী থাকবে ততদিন এরা কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকার পর মহামারী কেটে গেলে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ল্যাবে তাদের পদায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে জানতে চাইলে এই অতিরিক্ত সচিব বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের বিষয়টা ইতোমধ্যেই আমরা স্বাস্থ্য বিভাগকে জানিয়ে দিয়েছি। এখানে স্বাস্থ্য, জনপ্রশাসন, অর্থসহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় জড়িত। এদের মধ্যে সমন্বয় করে কীভাবে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া যায় সেটা নিয়ে আলোচনা চলছে।”
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।
হাবিবুর রহমান খান বলেন, “আমরা একটা সিগন্যাল পেয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাত নিয়ে অনেক চিন্তা-ভাবনা করেন ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত দেন। উনি হয়ত দেখছেন যে, স্বাস্থ্য খাতকে আরও গতিশীল করার দরকার আছে। যার কারণে উনি প্রতিনিয়তই আমাদের নির্দেশনা দিচ্ছেন।
“আরও দুই হাজার ডাক্তার নিয়োগের বিষয়ে আমাদের কাছে নির্দেশ এসেছে। এখন আমাদের কাজ হল এটাকে এগিয়ে নেওয়া। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করে এটি এগিয়ে নিতে হবে।”
বাংলাদেশ এর আগে একসঙ্গে এত বেশি সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ হয়নি।
হাবিবুর রহমান খান জানান, এর আগে ২০১৪ সালে ৬৩০০ চিকিৎসক নিয়োগ দেয় সরকার। গত ডিসেম্বরে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল পৌনে পাঁচ হাজারের মতো চিকিৎসক।
“বিসিএসের মাধ্যমে প্রতিবছর ২০০ থেকে ৪০০ এর মতো ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে ৩৩তম বিসিএসের মাধ্যমে ৬৩০০ ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়।”
একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান নিয়োগকে ‘বিরল’ ঘটনা হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।
ক্ষমতাসীন দলের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগেই বলেছিলেন ১০ হাজার নেবেন। ডাক্তার যে নিয়োগ হয়েছে এটা কিন্তু মেধাক্রম অনুযায়ী। যে নার্স নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সেটাও মেধা অনুযায়ী। এখানে কোনও তদ্বির, কোনও কিছু চলে নাই।”
তিনি বলেন, “এর সবই সম্ভব হচ্ছে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক মানসিকতার জন্য। ডাক্তার নিয়োগের বিষয় উনি আগেই বলেছিলেন এবং উনার নির্দেশেই হচ্ছে। তিনি নিজে তদারকি ও দেখভাল করার কারণে আমরা একটা পর্যায়ে দাঁড়িয়েছি বলে আমার মনে হয়।”
সূত্র: বিড নার্সিং ২৪

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



খবরটি পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


ঢেঁড়স জনপ্রিয় একটি সবজির নাম। আমাদের দেশে ব্যাপক আকারে ঢেঁড়স আবাদ হয়ে থাকে।

ঢেঁড়স যদিও গ্রীষ্মকালীন সবজি তারপরও এখন সারাবছর ঢেঁড়স আবাদ হয়।শীতের শেষের দিকে আগাম ঢেঁড়স বাজারে আসতে শুরু করে।

আগাম ঢেঁড়স আবাদে ফলন কিছুটা কম আসে কিন্তু এ সময় বাজার অনেক বেশি থাকে মানে
ঢেঁড়সের মুল্য অনেক বেশি পাওয়া যায়।

আগাম চাষের জন্য হাইব্রিড ঢেঁড়সের বিকল্প নেই তাই দিন দিন কৃষকের কাছে হাইব্রিড ঢেঁড়স অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ঢেঁড়স আবাদের জন্য উঁচু(যেখানে পানি জমতে পারে না ) বেলে দোআঁশ মাটি খুবই উপযুক্ত।এছাড়া বেলে অথবা এঁটেল মাটিতেও ঢেঁড়স আবাদ করা যায় তবে বেলে মাটিতে আবাদ করলে অবশ্যই জমিতে বেশি পরিমাণ জৈব সার দিতে হবে।

জমিতে প্রথমে আগাছা পরিষ্কার করে  ৪-৫ বার চাষ দিয়ে জমি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে।আগাম চাষে বীজ বপনের পূর্বে বা লাঙ্গল দেয়ার সময় প্রতি শতক জমিতে আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ কেজি গোবর সার বা জৈব সার দিতে হবে (অতিরিক্ত জৈব সার ব্যবহারে ফসলের ক্ষতি হতে পারে),দানা ফসফেট এক থেকে দুই কেজি,অনুখাদ্য প্রায় ১০০ গ্রাম দিতে হবে।

শীতকালে বীজের পরিমাণ একটু বেশি দরকার হয় প্রতি দনে (২৪ শতাংশ) জমিতে ৮০০ গ্রাম থেকে  ১০০০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন হয়।

বীজ বপনের পূর্বে বীজগুলো এক থেকে দুই ঘণ্টা রোদে শুকিয়ে ঠান্ডা করে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে এতে বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা বেশি হয়।

বীজ থেকে বীজ এর দূরত্ব ১০ ইঞ্চি এবং সারি থেকে সারির দূরত্ব ১৫ থেকে ১৮ ইঞ্চি রেখে বীজ বপন করতে হয়।অতিরিক্ত শীত পড়ার পূর্বে আগাম ঢেঁড়স আবাদ করতে হয় কারন তীব্র শীতে বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা কমে যায়।সাধারণত আমাদের দেশে অগ্রাহায়ন মাসে আগাম বীজ বপন করতে হয়।

জমিতে রস যদি না থাকে তবে প্রতি সপ্তাহ বা ১০ দিন পরপর পানি দিতে হবে।আগাছা পরিষ্কার রাখতে হবেে এবং কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করে দিতে হবে।

গাছের বয়স ৩০ দিন হলে প্রতি শতকে জমিতে ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম  সুফলা প্রয়োগ করতে হবে এবং ফল সংগ্রহের পর থেকে প্রতি মাসে এভাবে সুফলা প্রয়োগ করতে হবে,এতে করে দীর্ঘদিন যাবত পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল পাওয়া যাবে।

আগাম ঢেঁড়স চাষে সাদা মাছি ও সবুজ মাছি আক্রমণ হয় সবচেয়ে বেশি ।এসব মাছি পাতা ও ডগার রস খেয়ে গাছকে দুর্বল করে দেয় এবং গাছের পাতাগুলো কুঁকড়ে যেতে থাকে।

তবে খুব সহজে মাছির আক্রমণ দমন করা যায় ।প্রতি সপ্তাহে সাদা মাছি ও সবুজ মাছির পাউডার কীটনাশক ব্যবহার করলে আক্রমণ রোধ করা যেতে পারে।

এছাড়া অনেক সময় লেদা পোকার আক্রমণ দেখা যায় যদিও শীতকালে তা অনেকটা কম হয়।লেদা আক্রমণ যদি কম হয় তাহলে আক্রান্ত গাছ গুলো তুলে ফেলে দিতে হবে আর যদি আক্রমণ বেশি হয় তবে কীটনাশক ব্যাবহার করতে হবে ।সবচেয়ে ভালো হয় ঢেঁড়স ক্ষেতের মাঝে ধনিয়া বপন করলে এতে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

শীতকালে ঢেঁড়স গাছে .৫০ থেকে ৫৫ দিনে ফুল আসতে শুরু করে(শীতকালে ফুল-ফল আসতে একটু সময় বেশি লাগে) এবং শীতকালে আগাম ঢেঁড়স একটু ফলন কম হয়।

তবে হতাশার কিছু নেই শীতকালে আগাম ঢেঁড়স চাষে ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি বাজার পাওয়া যায় (মূল্য পাওয়া যায়)।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:
মোটরসাইকেল কিংবা মটরগাড়ির লাইসেন্স অথবা পেশাদার বা অপেশাদার লাইসেন্স যেই লাইসেন্স  ই করুন না কেনো আপনার প্রথমে লার্নার লাইসেন্স করতেই হবে।

লার্নার লাইসেন্স করার মাধ্যমে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রক্রিয়া শুরু হয়।আগে লার্নার করতে বিআরটিএ গিয়ে  লার্নার লাইসেন্স ফরম নিয়ে এর সাথে প্রয়োজনীয় কাগজ নিয়ে সংযুক্ত ( ন্যাশনাল আইডই কার্ড, সার্টিফিকেট ফটোকপি,রক্ত্রের গ্রুপ ,ইত্যাদি ) করতে হতো।

কিন্তু বিআরটিএ নতুন  একটি অনলাইন সার্ভিস চালু করেছে যার মাধ্যমে ঘরে বসেই লার্নার লাইসেন্স করা যাবে।

এখন থেকে খুব সহজেই বিআরটিএ অফিস যাওয়ার ঝামেলা এড়িয়ে বাসায় বসে লার্নার করা যাবে ।এর জন্য প্রথমে https://bsp.brta.gov.bd লিঙ্ক ওয়েব সাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ।

যাদের বিভিন্ন ওয়েব সাইট ভিসিটের অভ্যাস রয়েছে তাদের জন্য অনেক সহজ হবে আর যাদের ওয়েবসাইট ভিসিট অথবা ইন্টারনেট বিষয়ে অভিজ্ঞতা কম তারা আশেপাশে কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছে শিখে খুব সহজে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।

রেজিস্ট্রেশন করতে সাধারন তথ্য যেমন নাম মোবাইল নাম্বার জাতীয় পরিচয় নাম্বার এসব লাগবে।

রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স অপশনে গিয়ে শিক্ষানবিস লাইসেন্স আবেদনে ক্লিক করে আপানার প্রয়োজনিও কাগজ গুলো স্ক্যান অথবা মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে সংযুক্ত করতে পারবেন মেডিকেল সার্টিফিকেট সংযুক্তের পূর্বে সত্যায়িত করে নিতে হবে ।

সব শেযে টাকা জমা দিতেও আপনাকে কোথাও যেতে হবে না আপনি ডিবিবিএল ব্যাংক,ডিবিবিএল রকেট,সিটি ব্যাংক অথবা যেকোনো ভিসা বা মাস্টার কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন শুধু মটরসাইকেল এর জন্য ৩৪৫ টাকা জমা দিতে হবে।

পেমেন্ট হয়ে গেলে প্রিন্টের অপশন পেয়ে যাবেন সেখান থেকে প্রিন্ট দিলেই পেয়ে যাবেন আপনার কাংখিত ড্রাইভিং লার্নার লাইসেন্স।
You can also Watch it in youtube:

https://m.youtube.com/watch?v=fnGfz7L0hKY&feature=youtu.be

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঈদের আগের দিন রোববার রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে বলে তার ব্যক্তিগত সহকারী ফজলুর রহমান জানিয়েছেন।
১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ধানমণ্ডি-মোহাম্মদপুর আসনের সংসদ সদস্য মকবুল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
ফজলুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উনার করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছিল। তিন দিন আগে তিনি সিএমএইচে ভর্তি হন।”
করোনাভাইরাস সঙ্কটের মধ্যেই মুন্সীগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ করে যাচ্ছিলেন মকবুল।
সর্বশেষ গত ১৪ মে তিনি মোহাম্মদপুরের বাসায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন।
এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার স্ত্রীও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে ফজলুর জানান।
শমরিতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটির মালিক মকবুল। তিনি একাধিক ইন্সুরেন্স কোম্পানিরও মালিক। সিটি ইউনিভার্সিটিতে মালিকানার পাশাপাশি মোহাম্মদপুরে নিজের নামে কলেজও রয়েছে তার।
তার ছেলে আহসানুল ইসলাম টিটু টাঙ্গাইল-৬ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। 

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

ভয় ! আর কতো ভয় দেখাবে করোনা, আর কতো ?
মাসের পর মাস ধরে বিশ্বজুড়ে চালাচ্ছ তাণ্ডবলীলা মহাপ্রলয়ের মতো;
আক্রান্তের ভয়, মৃত্যুর ভয়, কোন চিকিৎসা না পাওয়ার ভয়, চাকরী হারানোর ভয়, মহামারীর ভয়,
উৎপাদন বন্ধ, লুটপাট, দুর্ভিক্ষ, বিশৃঙ্খলা, মৃত্যুর পরও সৎকারের শেষ সম্মান যদি না পাওয়া হয়,শিক্ষা, সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি, শাসননীতি পঙ্গু করার ভয়, কোন মায়াবি স্পর্শেরও ভয়,
আরও অনেক জানা-অজানা আশংকার সংকটের ভয়, সবকিছুতেই ভয় পাওয়ার লয়ের ভয় ।
কতো, আর কতো ভয় দেখাবে মানুষে ?
ভয় পেতে পেতে আমি ক্লান্ত, শিশুদের স্তব্দতার চিৎকার শুনে আমি ক্লান্ত,
বিশ্রামের ভারে আমি ক্লান্ত, ভার্চুয়াল জীবনাচরণে আমি ক্লান্ত, লকডাঊণ নামক স্থবিরতায় আমি ক্লান্ত,
জীবনের বিনিময়ে অন্যদের চিকিৎসার সুযোগের দাবীর মিছিল দেখে আমি ক্লান্ত,
ঝুকি দেখে ঝুকি নেওয়া সেবাদানকারীদের মৃত্যু দেখেও আমি ক্লান্ত ।
আর কতো ক্লান্ত করবে আমায় ?
আমার চারদিক বন্ধ হয়ে আসছে, তোমার ভয়ে সব সোনা কালো হয়ে যাচ্ছে, সব আলো অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে।
আমি আর পারছিনা করোনা, তোমার ভয় সহ্য করতে পারছিনা, তুমি তো একটা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী।
ভিনদেশী করোনা তুমি তো এসেছিলে চোরাপথে, বন্দরের অব্যাবস্থাপনার সুযোগে,
বিদেশাগতদের ঔদ্ধত্যতা আর দায়িত্বশীলদের অমানবিক মানবিকতার সুযোগে ।
অনেক অপেক্ষা করেছি, নিরব থেকেছি, ত্যাগ স্বীকার করেছি,
কতো অমানবিক নির্মমতা, মানবিক ব্যাকুলতা প্রত্যক্ষ করেছি,
কতো প্রতারণার অভয়বাণীর প্যানাছিয়া বিনামূল্যে সেবন করেছি।
আর সেই সুযোগে করোনা তোমার পাখা গজিয়েছে দেশজুড়ে, বিশ্বব্যাপী !
তুমি কি ভেবেছ ? তোমার কাছে আত্মসমর্পণ করব? মেনে নেব পরাজয়?
করোনা, তুমি কি জানো না বাঙ্গালী বীরের জাতি, ত্যাগের জাতি, বাঙ্গালীর রক্ত ভাঙ্গার কিন্তু মচকাবার নয়!
আমি রক্ত-মাংসে একজন বাঙ্গালী, আমরা বঙ্গবন্ধুর সন্তান, ফাঁসির মঞ্চেও আমরা দৃঢ় থাকি, আমাকে আবার ভয় দেখাও?
তুমি অনেক ধ্বংস লীলা দেখিয়েছ, আমরাও দেখেছি, চিনেছি তোমায়, জেনেছি তোমার ক্ষমতা,
তুমি একটা লম্পট, চরিত্রহীন, বকধার্মিক, ভিতু ভাইরাস, একটা খলনায়ক, বারবার রুপের পরিবর্তন কর।
যেমনটা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, গুপ্তঘাতকেরা করে ।
মানুষ আর তোমাকে ভয় পায়না, পাত্তাই দেয়না, জীবিকার ঘূর্ণিচক্রে তুমি এখন একটা গারবেজ ।
আমিও তোমার ভয় ছুড়ে ফেললাম , ছোট্ট একটা চ্যালেঞ্জ নিলাম, চ্যালেঞ্জ - এক বিন্ধু শৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জ ।
আমি তোমাকে মোকাবিলা করবোনা, আমাকে নিয়ন্ত্রণ করবো, মেলে ধরবো, কিভাবে তাই ভাবছ?
আমার ঝুকি আমিই নিব, শিষ্টাচারে পথ চলবো ।
আমরা সবাই মনে করি আমি ছাড়া পৃথিবীর সবার মাঝেই তুমি আছো।
তুমি যেথায় বিচরন কর, যেথায় আবার করনা আমি আর তা নিয়ে ভাবি না
আমি শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখি, সব শিষ্টাচার মানি জাত বেজাত কিছুই পুজিনা ।
পেটে আমার ক্ষুধা, দরিদ্রতা আমার জীবনসঙ্গী , অভাব অনটন আমার অলংকার, দুর্যোগ আমার আজন্ম পাপ,
মৃত্যু আমার ঘুমের মত প্রশান্তি- ঝড় বৃষ্টির মত নিয়তি, আর সংগ্রাম সে তো বাঙ্গালীর উত্তরাধিকার ।
শক্তি আমার মনোবল, ইচ্ছা আমার কর্ম , দায়িত্ব আমার ধর্ম ।
মানবতা আমার পোশাক, শৃঙ্খলা আমার অভ্যাস , সততা আমার পুঁজি, বাঙ্গালীর একতা আমাদের বর্ম ।
কোথায় দাঁড়াবে তুমি, কোথায় বাসা বাঁধবে এই মানিয়ে নেয়া সংগ্রামী সোনার বাংলায় ?
রোধ, ঝড় বৃষ্টির তাপে, মাস্ক-সানিটাইজার-সাবান –শৃঙ্খলা আর সচেতনতার চাপে
তোমাকে বর্জন আর ঘৃণার মাপে সমূলে ধ্বংস ছাড়া কি কোন বিকল্প তোমার থাকে !
আমি লজ্জিত মানুষের এভাবে ভয় পাওয়া দেখে, দ্রব্য সামগ্রী মজুদ করার দৃশ্য দেখে, মিথ্যে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা দেখে,
একই বাক্তির বারবার ত্রান নেওয়ার লোভ দেখে, অনেক যোগ্য লোকের ত্রাণের জন্য হাহাকার দেখে,
আমি লজ্জিত নেতার দেশে নেতৃত্বের সমন্বয় হীনতা আর সব শ্রেণী -পেশার নেতৃস্থানীয় মানুষদের গর্তে লুকিয়ে থাকা দেখে ;
অপ্রয়োজনীয় সাহায্য চাওয়া দেখে আবার মুখ ফুটে ত্রাণ সাহায্যের কথা বলতে না পারার কষ্ট দেখে আমি লজ্জিত,
আক্রান্ত সন্দেহে মা-বাবা-ভাই –বোন কে রাস্তায় ফেলে যাওয়া দেখে আমি লজ্জিত ।
আমি আর ত্রান সাহায্য চাইনা, আমি আমার পুরানো কাজে ফিরতে চাই,
হঠাৎ কর্মহীন হওয়া মানুষগুলোকে জীবিকার সাহায্যপ্রার্থীর কাতারে দেখতে চাইনা।
আমি আমার ব্যাস্ততা ফেরত চাই, শারীরিক দূরত্ব মানতে আইনের নির্মম প্রয়োগ চাই,
হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে স্বাস্থ্য সেবা না পেয়ে অরাজকতায় মৃত্যুর দায় কার- জানতে চাই,
কোন মহৎ শক্তিতে বলিয়ান হাসপাতালগুলো কোভিড প্রত্যয়ন ছাড়া রোগী গ্রহন করছেনা আমি জানতে চাই ?
আমি আমার মৌলিক অধিকারের প্রয়োগ চাই, সবার অধিকার কি তা সবাই জানে এই নিশ্চয়তা চাই ।
আমি একটা সময় নির্দিষ্ট করে দিতে চাই-কোভিড এর উপসর্গসহ আত্ম সন্দেহভাজন সব ব্যক্তির স্বঘোষণা চাই,
এর পরে এই চক্রের বাইরে কোন ব্যক্তি কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত হলে তার তাৎক্ষনিক বিচারে নিশ্চিত শাস্তি চাই ;
কারন -
সে কোন বিধি, শিষ্টাচার মানেনি তাই সে অপরাধী ।
সে তার নিজের, পরিবারের, সমাজের, দেশের সর্বোপরি মানবতার শত্রু ।
মহামারি করোনায় এমন অমানবিক সাময়িক সিদ্ধান্তই হতে পারে সবচেয়ে মহৎ, সবচেয়ে মানবিক ।
লিখেছেন: খায়রুল বাসার তরফদার

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারাদেশে কর্মহীন হয়ে পড়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। ঠিক এমন সময়ে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের ন্যায় এ সকল অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯বিজিবি)।
শনিবার বিকেলে হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী তেলীখালী, কড়ইতলী, গোবড়াকুড়া, আইলাতলী, সূর্যপুর ও বান্দরঘাটা এই ৬টি বিজিবি ক্যাম্পের অধীনে ৩৬০টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। বিতরণকৃত ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আটা ও লবন।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে নেতৃত্ব দেন কড়ইতলী বিজিবি’র ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মোঃ আব্দুল মজিদ মজুমদার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোবরাকুড়া বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার হারুন অর রশিদ ও সকল ক্যাম্প প্রধানসহ অন্যান্যরা। তথ্য সূত্র: Haluaghat Helpline

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 




মানবতার সেবায় সোনাচাকা ইসলামী কালচারাল সেন্টার, নোয়াখলা, চাটখিল, নোয়াখালী। করনা মাহামারী সময়কালে ৫ ম ধাপে ১৫০ পরিবারকে ত্রাণ বিতরণ করেন সোনাচাকা ইসলামী কালচারাল সেন্টার, আজ ২২/০৫/২০২০ খ্রী: রোজ শুক্রবার সকাল ৮ :৩০ এই কার্যক্রম উদ্ভোধন করেন জীব নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জনাব, মাসুদ ভূইয়া ও চাটখিল উপজেলা যুব উন্নায়ন অফিসার জনাব ফয়েজ আহম্মদ দিপ্তি এবং কৃষি অফিসার। আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী কালচারাল সেন্টারের সভাপতি জনাব জাকির হোসেন, সহ-

সভাপতি জনাব, মাহমুদুল হাসান পলাশ, সহ- সভাপতি জনাব, জসিম উদ্দীন, সহ- সভাপতি জনাব, আব্দুল মন্নান, সাধারণ সম্পাদক জনাব, হাফেজ নুর উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক জনাব জাহিদুল ইসলাম সাকিল, কোষাধক্ষ জনাব রাসেল,

অন্যান্য সদস্য রাকিব, সাকিব, হাবিব, জোবায়ের, ওসমান। নিজস্ব প্রতিবেদক: চাটখিল প্রতিনিধি


আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



আমি ছোট বেলায় যখন শিশু শ্রেনীতে পড়ি তখন জানতাম না মুক্তা আমাদেরই বংশের আমারই চাচাত ভাইয়ের ছেলে। তাই ছোট বেলায় বন্ধুকেতো আপনি করে বলতে হবে, তখন থেকে প্রিয় বন্ধু মুক্তাকে আপনি বলে ডাকতাম। সেই ডাক আর কোন দিনও পরিবর্তন হয়নি। দীর্ঘ প্রায় ৪২ বছর এভাবেই ডাকতাম। ছোট বেলায় যখন তরনী আটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়তাম তখন আব্দুল্লা কাকাদের পুকুর পাড়ে ক্লাস শুরুর আগে প্রতিদিন গল্প করতাম, সেখানে বসতে বসতে ঘাস গুলো শুকিয়ে গিয়েছিল। এভাবে ০৫ বছর কেটে যায়। মনে পড়ে এক দিন বাটিকামারী উচ্চ বিদ্যালয়ে গল্প করতে করতে রাত হয়ে গেল। তার পর সিদ্ধান্ত নিলাম আমরা একে অপরকে ছেড়ে যাব না গল্প করে রাত কাটিয়ে দিব, তাই কনকনে শীতেও একটি শার্ট পড়ে ব্যাঞ্চের মধ্যে সারা রাত গল্প করলাম। আমার মনে পড়ে যখন আমি সম্ভবত দশম শ্রেণীতে পড়ি তখন ছায়াছন্দ নামে বিটিবিতে একটি জন প্রিয় গানের অনুষ্ঠান হতো কি বারে হতো তা আমার সঠিক মনে পড়ে না, তবে এটা মনে আছে যে, আমি আর মুক্তা ছায়া ছন্দ দেখতে হালিম কাকাদের বাড়িতে যাই কিন্তু ছায়াছন্দ সে দিন আর হলো না। আমরা একে অপরকে  নিজ বাড়িতে এগিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলাম কিন্তু ব্যর্থ হলাম। আমরা বার বার একে অপরকে এগিয়ে দিতে গিয়ে ০৭ বার তরনীআটিা আর চাঁনপুর যাওয়া হল কিন্তু আমাদের কথা, গল্প কিছুই শেষ হল না। পরে পরিবারের অভিবাবক বকবে সেই ভয়ে তরনী  আটা এবং চানপুরের মাঝামাঝি এসে দুজন দুদিকে চলে গেলাম। আমি ও মুক্তা সরিয়াবাড়ি থেকে বই কিনতে গিয়ে সিনেমা দেখে ট্রেন না পেয়ে হেটে বাড়িতে আসছিলাম। আপনারা হয়তো ভাবতে পারেন ট্রেন না পাওয়াতে আমাদের দুঃখ হয়েছিল, কিন্তু না সেদিন ট্রেন না পেয়ে আমরা খুশি হয়ে ছিলাম এই কারনে আমাদের গল্পে কোন শব্দ দুষন হবে না। আমি মুক্তা, তাজ,শাহীন সিনেমা দেখতে গিয়ে ছিলাম সিরাজগঞ্জ সেখানে দিল সিনেমা দেখেছিলাম আজ যেন ঐ সব সিনেমার নাম গান সবই সারা জীবনের কষ্ট। আমার মনে পড়ে আমার  ক্লাসমেট ও ফুফাত বোন শিউলি এর ছোট বোন সীমার বিয়েতে মুক্তা একটি গান বার বার বাজিয়ে ছিল। যখন থামবে কোলা হল ঘুমে নিঝুম রাতে ঠিক সেই  গানটি মুক্তার মুত্যর পড় মুক্তার ফেসবুক থেকে আমি যখন শুনলাম জানিনা কি আনন্দ আমি পেলাম আমার চোখ দিয়ে অঝরে পানি পড়ছে এর  যখন বাসায় গেলাম বাসায় ডিম সিদ্ধ করতে দিলাম কখনযে আগুনের তাপে পানি শেষ হয়ে পাতিলও পুড়ে যাচ্ছে তা আর আমার খেয়াল নেই। তাই মুক্তাকে হারানোর ব্যাথা আমার জীবন থেকে কখনো শেষ হবে না। মুক্তা হল এই সেই বন্ধু যার সাথে ৪২ বছরেও কোন মতের অমিল হয়নি আমার, ঝগড়াতো দূরের কথা এমনকি ছোট বেলায় খেলতে গিয়েও ঝগড়া হয়নি। আমি আমার এই পত্রিকাটি শুরুর পর থেকে অনেক লেখেছি, অনেকের লেখা ছাপিয়েছি কিন্তু আজকের লেখাটি সব লেখা থেকে কেন ভিন্ন এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো দিবে কিন্তু কোন সমাধান নেই........উল্লেখ্য আমার বন্ধু গত ১৮.০৫.২০২০ সোমবার সন্ধ্যা ৬.০০ টার সময় হ্রিদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
সবাই তর রুহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করবেন। তথ্য সূত্র: মোঃ সোলায়মান তরফদার, সম্পাদক আজকের শীর্ষ খবর |

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর। বর্তমানে তিনি রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে। করোনা ভাইরাসের কারণে সেখানে গৃহবন্দি রয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের এই জনপ্রিয় তারকা।
গৃহবন্দি নিয়ে শাবনূর বলেন, ‘সাতদিনে একবার বের হচ্ছি। সেটাও বাসার বাজার করার জন্য। এছাড়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে খাবারও জলদি শেষ হয়ে যাচ্ছে। সিডনি থেকে মেলবোর্ন যাওয়া-আসা বন্ধ করে দিয়েছে এদেশের সরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আতঙ্কে দিন কাটচ্ছে। দেশের মানুষের কথা মনে পড়ছে। রাত-দিন দেশের সকলের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। খবর নিচ্ছি। বাংলাদেশের জনগণ এখনো জানতে পারছে না যে, এটি কতটা ভয়াবহ! বিশ্বে এ রোগের মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে।’
উল্লেখ্য, চীন থেকে উৎপত্তি হয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে সাড়ে তিন লাখের বেশি।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত ১৬ হাজার ৫১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৭৮ হাজার ৮৫৯ জন। বিশ্বের ১৯৫ টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাসটি। তবে এখন পর্যন্ত এক লাখ দুই হাজার ৬৯ জন মানুষ সুস্থ হয়েছেন।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের (এনএইচসি) তথ্য অনুযায়ী, সোমবার চীনে আরো ৭ জন মারা গিয়েছেন। চীনে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ২৭৭ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৮১ হাজার ১৭১ জন। এর মধ্যে চীনে মোট ৭৩ হাজার ১৫৯ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। তথ্য সূত্র: একুশে টেলিভিশন

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


হলিউড অভিনেত্রী আঞ্জেলিনা জোলি। বহুদিন হলো এক সময়ের প্রাণের মানুষ ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে তার। কিন্তু সেই বিচ্ছেদ তার জন্য ছিল বেশ বেদনাবিধুর। অনেক কষ্টে দিন কেটেছে তার। এবার সেই কষ্টের স্মৃতিচারণ করলেন অভিনেত্রী।
ফরাসি একটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জোলি বলেন, ‘বিচ্ছেদের কষ্ট কতটা, যার হয় সেই ভালো জানে। কাউকে দেখে বা কারো চোখের জল দেখে দূর থেকে বোঝা সম্ভব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাগ্যে কী আছে তা আমি সঠিকভাবে জানি না। এমনকি আন্দাজও করতে পারি না। কিন্তু এটুকুই বুঝতে পেরেছি যে, নিজের মধ্যে একটা পরিবর্তন কাজ করছে। অনেকটা শিকড়ে, নিজের রূপে ফেরার মতো। কারণ নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। মনে হয়, ব্র্যাডের সঙ্গে আমার বিচ্ছেদের কারণে এটা হয়েছে।’
জোলি বলেন, ‘আমার জীবনের সবচেয়ে জটিল সময় ছিল তখনই। এতটাই জটিল যে, নিজেকেই চিনতে পারছিলাম না। অনেকটা তুচ্ছ হয়ে গিয়েছিলাম। সত্যিই গভীরভাবে কষ্ট পেয়েছিলাম।’
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ সিনেমার শুটিংসেটে বন্ধুত্ব হয় ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির। তখন জেনিফার অ্যানিস্টনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন পিট। ২০০৫ সালে পিট-অ্যানিস্টনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরবর্তীতে পিট-জোলির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। দীর্ঘ ১০ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০১৪ সালে আগস্টে বিয়ে করেন পিট-জোলি। এরপর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে ব্র্যাডের কাছ থেকে বিচ্ছেদ চেয়ে আদালতে আবেদন করেন জোলি। তথ্য সূত্র: একুশে টেলিভিশন

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



লকডাউনে সবাই ঘর বন্দি। ঘরে বসে হাতের মোবাইল ফোনে টিকটক ভিডিও বানিয়ে তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই তালিকায় এবার নাম লেখালেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। বেশ কিছু ভিডিও তৈরি করে প্রকাশ করেছেন তিনি।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়- বাড়ির পরিচারিকাকে চুমু খাওয়ার অভিযোগে স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে মারধর করেছেন শিল্পা। ভিডিওটি বানিয়ে ইনস্টাগ্রামে আপলোড করেন তিনি। সেখানেই দেখা যায় এমন দৃশ্য।
ভিডিওতে দেখা যায়, ঘর গোছাচ্ছেন শিল্পা। এ সময় চুমু খেতে চাইছেন তার স্বামী। কিন্তু শিল্পা বলেন, এখন কাজের সময় এসব করো না। তখন বাড়ির পরিচারিকা এটা শুনে বলেন, ‘ঠিক বলেছেন ম্যাডাম। এটা আমি স্যারকে বোঝাতেই পারি না।’
এরপরই স্বামীকে মারধর শুরু করেন শিল্পা শেঠি।
এই মজার ভিডিওতে কাজের মেয়েটিও সেজেছেন শিল্পা নিজেই। ভিডিওটি শেয়ার করে শিল্পা লিখেন, ‘নজর হাটি, দুর্ঘটনা ঘটি। সাচ্চাই পাতা চলনে পর, পিট গেয়ে হামারে পতি।’


এর আগে ছেলে বিহান ও স্বামী রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে ‘মর্ডান ডে মহাভারত’-এর একটি ভিডিও বানিয়েছিলেন শিল্পা। যেখানে দেখা যায় নারদ, বিহান তার বাবা-মার মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি করছে ভুয়া খবর ছড়িয়ে। খেলনা বন্দুক দিয়ে মহাভারতের লড়াই লড়তে দেখা গিয়েছিল শিল্পা ও রাজকে। তথ্য সূত্র: একুশে টেলিভিশন

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন আশরাফুল!


বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০১৩ সালে বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকায় পাঁচ বছর নিষিদ্ধ হন তিনি। ২০১৬ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার অনুমতি পেলেও জাতীয় দল এবং ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগের দরজা বন্ধ ছিল তার। সেই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ২০১৮ সালের ১৩ আগস্ট ফেরেন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে। তবে নিষিদ্ধ থাকাকালীন এতটা বাজে কেটেছে আশরাফুলের, যে এ জন্য তিনি আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন!
গতকাল বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক লাইভ আড্ডায় এমন কথা নিজেই জানান আশরাফুল। 
তিনি বলেন, ‘এমনও আমার মাথার মধ্যে এসেছিল যে আমি বেঁচে থাকবো কিনা, সুইসাইড করব কিনা। এই ধরনের চিন্তাও আমার মধ্যে এসেছে। সময় যাচ্ছে। সময়ই তোমাকে সব চেঞ্জ করে দেবে। আমি কীভাবে মানুষের কাছে মুখ দেখাব, পরিবার কীভাবে থাকবে। আমি এটা নিয়ে খুব আপসেট ছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমি ২০১৩ সালে হজ করতে গেলাম। এরপর আমার দুলাভাইয়ের সঙ্গে শেয়ার করলাম। উনি কিছু পজিটিভ কথা বলেছিলেন। ক্রিকেট বোর্ডের সিইও সুজন ভাই (বিসিবির সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন), উনারা আমাকে প্রচুর সাপোর্ট করেছেন। বলতেন, তোমার এখন বাজে সময় যাচ্ছে। সময়ই তোমাকে সব চেঞ্জ করে দেবে।’
করোনার চেয়ে ঐ সময় কঠিন ছিল জানিয়ে আশরাফুল বলেন, ‘কাল আমাকে একজন বলছিলেন, করোনার কারণে আমরা এখন সবাই ঘরবন্দী। আপনার কাছে কেমন লাগছে? আমি বললাম, আমার কাছে ততটা কঠিন মনে হচ্ছে না। কারণ, আমি এর থেকেও কঠিন সময় কাটিয়েছি আমার ওই নিষেধাজ্ঞার সময়ে।’
নিজের ফিক্সিংয়ের কথা বলে গিয়ে আশরাফুল জানান, ‘আমি কিন্তু কোনো ম্যাচ ফিক্সিং করিনি। হ্যাঁ আমি বিপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। এগুলো আমি অন্যায় করেছি এবং সবার কাছে বলেছি। ভুল মানুষের হতেই পারে। অনেকে হয়তো ক্ষমা করেছে, অনেকে হয়তো ক্ষমা করেনি।’এসএ/ তথ্য সূত্র: একুশে টেলিভিশন

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


সংবাদ সম্মেলনে করোনাপ্রতিরোধী কাপড় নিয়ে কথা বলছেন জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের দুই কর্মকর্তা রাশীদ আশরাফ খান ও অনল রায়হান। পাশে করোনাপ্রতিরোধী কাপড় দিয়ে তৈরি পিপিই। আজ ঢাকার গুলশানে জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের কার্যালয়ে। ছবি: শুভংকর কর্মকারকরোনাভাইরাস-প্রতিরোধী বিশেষ কাপড়ের উৎপাদন শুরু করেছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড। ‘করোনা ব্লক’ নামের এই কাপড় দিয়ে মাস্ক ও পিপিইর মতো ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর পাশাপাশি শার্ট, প্যান্ট, জ্যাকেটসহ সব ধরনের পোশাক তৈরি করা যায় বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির 
সংবাদ সম্মেলনে করোনাপ্রতিরোধী কাপড় নিয়ে কথা বলছেন জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের দুই কর্মকর্তা রাশীদ আশরাফ খান ও অনল রায়হান। পাশে করোনাপ্রতিরোধী কাপড় দিয়ে তৈরি পিপিই। আজ ঢাকার গুলশানে জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের কার্যালয়ে। ছবি: শুভংকর কর্মকারসংবাদ সম্মেলনে করোনাপ্রতিরোধী কাপড় নিয়ে কথা বলছেন জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের দুই কর্মকর্তা রাশীদ আশরাফ খান ও অনল রায়হান। পাশে করোনাপ্রতিরোধী কাপড় দিয়ে তৈরি পিপিই। আজ ঢাকার গুলশানে জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের কার্যালয়ে। ছবি: শুভংকর কর্মকারকরোনাভাইরাস-প্রতিরোধী বিশেষ কাপড়ের উৎপাদন শুরু করেছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড। ‘করোনা ব্লক’ নামের এই কাপড় দিয়ে মাস্ক ও পিপিইর মতো ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীর পাশাপাশি শার্ট, প্যান্ট, জ্যাকেটসহ সব ধরনের পোশাক তৈরি করা যায় বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির। সুইজারল্যান্ডের দুটি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এই বিশেষ কাপড় নিজেদের টঙ্গীর কারখানায় উৎপাদন করছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তাঁদের এই কাপড় স্বাস্থ্যসম্মত। কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এই কাপড়ের সংস্পর্শে আসার ১২০ সেকেন্ড বা দুই মিনিটের মধ্যেই ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ করোনাভাইরাস ধ্বংস হবে। ২০ থেকে ৩০ বার ধোয়া পর্যন্ত কাপড়ের কার্যকারিতা বজায় থাকবে। তবে সাধারণ কাপড়ের চেয়ে করোনা ব্লক কাপড়ের দাম ২০ শতাংশ বেশি হবে। মানভেদে দাম কিছুটা কমবেশি হতে পারে।
রাজধানীর গুলশানে জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের নিজস্ব কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিশেষ কাপড় সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং অফিসার রাশীদ আশরাফ খান ও সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার অনল রায়হান।
অনল রায়হান বলেন, ‘আড়াই মাসের পরিশ্রমের ফসল এই করোনাপ্রতিরোধী কাপড়। ইতিমধ্যে বিদেশের পরীক্ষাগারে আইএসও ১৮১৮৪–এর অধীনে কাপড়ের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কাপড়টি রপ্তানি করার জন্য আন্তর্জাতিক মানসনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সনদ নিয়েছি। পরীক্ষাগারে প্রমাণ হয়েছে যে বিশেষ এই কাপড়ে মাত্র ১২০ সেকেন্ডে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ করোনাভাইরাস ধ্বংস হয়। এই কাপড়ে কোনো রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে জাবের অ্যান্ড জোবায়েরই প্রথম করোনা ব্লক কাপড় তৈরি করেছে। বর্তমানে কঠিন সময় পার করা রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে কাপড়টি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৫ মে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কাপড়টি উন্মুক্ত করা হয়। এমন তথ্য দিয়ে অনল রায়হান বলেন, ইতিমধ্যে এইচঅ্যান্ডএম, জারা, এমঅ্যান্ডএস, লাফ লরেনসহ শতাধিক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ড এই কাপড়ের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ইউনাইটেড গ্লোবাল হোল্ডিং নামের ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানও এই বিশেষ কাপড় দিয়ে তৈরি ৫ লাখ পিস মাস্ক তৈরির ক্রয়াদেশ দিয়েছে। ঈদের আগেই এসব মাস্ক চলে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, করোনা ব্লক কাপড় দিয়ে তৈরি পিপিই, মাস্কসহ অন্যান্য সুরক্ষা পোশাক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিনা মুনাফায় দেশের হাসপাতালগুলোয় সরবরাহ করতে চায় জাবের অ্যান্ড জোবায়ের। সে জন্য আগামী সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। এ ছাড়া করোনা ব্লক কাপড় দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের পোশাক এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে অনলাইনে দেশের বাজারে বিক্রি করা হবে।
অন্যদিকে রাশীদ আশরাফ খান বলেন, ‘সুতি, পলিয়েস্টার, ভিসকসসহ সব ধরনের সুতা দিয়েই করোনা ব্লক কাপড় তৈরি করেছি আমরা। তবে নিটেও বিশেষ এই কাপড় উৎপাদন করা যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের প্রস্তুত করা করোনাপ্রতিরোধী কাপড়ের নমুনা। ছবি: প্রথম আলোপরে জানতে চাইলে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জাবেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘সুইজারল্যান্ডের দুই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বছর দুই আগে ব্যাকটেরিয়া-প্রতিরোধী কাপড় তৈরি করেছিলাম আমরা। সেই ধারাবাহিকতায় করোনাপ্রতিরোধী কাপড় উৎপাদন করেছি। এই কাপড় দিয়ে সুরক্ষা পোশাকসহ সব ধরনের পোশাক প্রস্তুত করা যাবে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাইরাস ধ্বংস হওয়ার কারণে পোশাক না ধুলেও নিরাপদ থাকবে। ফলে এই কাপড়ের পোশাক পরিধান করলে বর্তমানের চেয়ে বেশি সুরক্ষিত থাকা যাবে।’
জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড নোমান গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। নোমান গ্রুপের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৭ সালে। প্রতিষ্ঠার ১৩ বছর পর ২০০০ সালে রপ্তানি বাজারে প্রবেশ করে তারা। এ জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস নামে রপ্তানিমুখী হোম টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান। এ পর্যন্ত নোমান গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সেরা রপ্তানিকারক হিসেবে ৪৬টি জাতীয় রপ্তানি পদক পেয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ছিল শীর্ষ রপ্তানিকারকের স্বীকৃতি।
নোমান গ্রুপের সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস। এ প্রতিষ্ঠানটি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলামের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ছেলের নামে নামকরণ করা হয়েছে। জাবের অ্যান্ড জোবায়েরের বর্তমানে ১৮ থেকে ২০ ধরনের পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। তথ্য সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে বাবার কবরে শেষ নিদ্রায় শায়িত হন তিনি।ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরিচালনা করেন রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের উপপরিদর্শক আব্দুর রহমান। সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রবিউল আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা বাবর আলী মীর উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের নামাজে জানাজা পড়ান মাওলানা ফরিদউদ্দিন আহমেদ।
গতকাল ১৪ মে বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে অন্তিম নিশ্বাস ত্যাগ করেন। নানা স্বাস্থ্য জটিলতায় আক্রান্ত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুর পর করোনা শনাক্ত হয়েছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের দাফন সম্পন্ন হয়।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। সম্প্রতি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন আনিসুজ্জামান। তাঁর ছেলে আনন্দ জামান জানান, গত ২৭ এপ্রিল তাঁর বাবাকে চিকিৎসার জন্য ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস ও কিডনিতে সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপ ছিল। অবস্থার অবনতি হলে ৯ মে তাঁকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল তাঁর জ্বর আসে, বুকের ব্যথাও বাড়ে। সব মিলিয়ে অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে। একটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল তাঁর চিকিৎসা করছিলেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, মৃত্যুর পর অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাতে তাঁর দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়। এর আগে ১০ মে হাসপাতালে তাঁর করোনা পরীক্ষায় ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে পৃথক বাণী দিয়েছেন। তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায়। তাঁর পিতা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন সুখ্যাত হোমিও চিকিৎসক। মা সৈয়দা খাতুন গৃহিণী হলেও তাঁর লেখালেখির হাত ছিল। পিতামহ শেখ আবদুর রহিম ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক। আনিসুজ্জামান ছিলেন পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে চতুর্থ। তিনি স্ত্রী সিদ্দিকা জামান, দুই মেয়ে রুচিতা জামান, শুচিতা জামান এবং ছেলে আনন্দ জামানসহ দেশ-বিদেশে অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
কলকাতার পার্ক সার্কাস হাইস্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু করেছিলেন আনিসুজ্জামান। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত সেখানেই পড়েছেন। দেশভাগের পর তিনি খুলনা জিলা স্কুলে এবং তারপর ঢাকায় প্রিয়নাথ হাইস্কুলে (বর্তমানে নবাবপুর সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) পড়েন। ১৯৫১ সালে প্রিয়নাথ হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক ও ১৯৫৩ সালে জগন্নাথ কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৬ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক এবং ১৯৫৭ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্নাতকোত্তর লাভ করেন। পরে তিনি 'ইংরেজ আমলে বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা (১৭৫৭-১৯১৮)' শীর্ষক গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এ ছাড়া ১৯৫৬ সালে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'উনিশ শতকের বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাস ইয়ংবেঙ্গল ও সমকাল' বিষয়ে পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রি অর্জন করেন।
পেশাগত জীবন তিনি শুরু করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে, ১৯৫৯ সালে। এরপর ১৯৬৯ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জুনিয়র রিডার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ভারতে গিয়ে শরণার্থী শিক্ষকদের সংগঠন 'বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি'র সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যুদ্ধকালে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে যুক্ত হন।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনিসুজ্জামান ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৪-৭৫ সালে তিনি কমনওয়েলথ একাডেমি স্টাফ ফেলো হিসেবে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজে গবেষণা করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় যোগ দেন। ২০০৩ সালে অবসর গ্রহণের পর সংখ্যাতিরিক্ত শিক্ষক হিসেবে যুক্ত হন। ২০১৮ সালের ১৯ জুন সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়। সব৴শেষ তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। যুক্ত ছিলেন সাহিত্য পত্রিকা কালি ও কলম-এর সঙ্গে।
পুরস্কার ও গ্রন্থ
জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান দেশে-বিদেশ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ১৯৮৫ সালে 'একুশে পদক', ২০১৫ সালে 'স্বাধীনতা পুরস্কার' এবং ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন। ভারত সরকার তাঁকে 'পদ্মভূষণ' পদকে ভূষিত করে। এ ছাড়া তিনি দুবার আনন্দবাজার পত্রিকার 'আনন্দ পুরস্কার', রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডি-লিট', কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'জগত্তারিণী' পদকসহ দেশ-বিদেশে অনেক পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন।
তাঁর রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য, স্বরূপের সন্ধানে, পুরোনো বাংলা গদ্য, আঠারো শতকের বাংলা চিঠি, কালনিরবধি, বিপুলা পৃথিবী, আমার একাত্তর ইত্যাদি। তথ্য সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


রোজায় দৈনন্দিন অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসায় অনেকেরই দাঁত ও মুখগহ্বরের সমস্যা বেড়ে যায়। ফলে ছুটতে হয় দাঁতের চিকিৎসকের কাছে। কিন্তু এবার করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চাইলেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে হয়তো কেউ কেউ চিন্তিত। তবে কিছু পরামর্শ অনুসরণ করলে সহজেই দাঁত ও মুখগহ্বরের ছোটখাট সমস্যা এড়ানো সম্ভব।
সমস্যা ১: শুষ্কতা  সারা দিন পানি পান না করার কারণে মুখে লালা নিঃসরণ কমে যায়। ফলে মুখ শুষ্ক হয়ে থাকে। লালার গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দাঁত পরিষ্কার রাখা, জীবাণু প্রতিহত করা, মুখ পিচ্ছিল রেখে কথা বলতে সাহায্য করা এবং ঘর্ষণজনিত ক্ষুদ্র ক্ষত থেকে রক্ষা করা। মুখ শুষ্ক থাকায় এগুলো ব্যাহত হয়। ফলে মাড়ির রোগ, দাঁতে ক্যারিজ বা গর্তসহ মুখের ভেতরে ক্ষত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
সমাধান
ইফতারের পর থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত পর্যাপ্ত তরল পান করুন। কোমল পানীয় বা কৃত্রিম ফলের জুস পরিহার করে বিশুদ্ধ পানি, লেবুর শরবত, মৌসুমি ফলের জুস, স্যুপ, ইসুপগুলের ভুসি ইত্যাদি পান করুন। সাহ্‌রির শেষ সময়ের ৩০ মিনিট আগে খাবার খেয়ে তার ২০ মিনিট পর যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করতে হবে। যাঁদের মুখ অতিরিক্ত শুষ্ক হয়, তাঁরা সাহ্‌রির পর দুইটা এলাচদানা চিবিয়ে খেয়ে নিন।
সমস্যা ২: মুখে দুর্গন্ধ
রোজায় মুখের দুর্গন্ধ নিয়ে অনেকেই বিব্রত থাকেন। মুখ পরিষ্কারে অবহেলা বা অলসতা, শুষ্কতা, সারা দিন না খাওয়া ইত্যাদি কারণে মুখের মধ্যেকার জীবাণু সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং দাতেঁর ফাঁকে আটকে থাকা খাবার পঁচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।
সমাধান
ইফতার ও সাহ্‌রির পর অন্তত দুই মিনিট করে নিয়ম অনুযায়ী দাতঁ ও মুখ পরিষ্কার করুন। সাহ্‌রির পর ডেন্টাল ফ্লস, জিহ্বা পরিষ্কার ও মাড়ি মেসেজ করা জরুরি। প্রয়োজনে জীবাণুনাশক মাউথওয়াশ বা উষ্ণ পানিতে লবণ মিশিয়ে গড়গড়া করা যেতে পারে। কৃত্রিম দাঁতও যথাযথভাবে পরিষ্কার করতে হবে।
সমস্যা ৩: দাঁত ক্ষয়
এ সময় চিনির শরবত, জিলাপি, মিষ্টি ইত্যাদি বেশি খাওয়া পড়ে, যা দাতেঁর জন্য ক্ষতিকর। অন্যদিকে ভাজাপোড়া থেকে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডিটির ফলে পেটের অ্যাসিড মুখে এসেও দাতঁ ক্ষয় করতে পারে।
সমাধান
খাদ্যতালিকায় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার থাকতে হবে। মৌসুমি ফল, দুধ, টক দই, ডিম, ছোলা, পনির, ছোট মাছ, সামুদ্রিক মাছ, শাকসবজি, আদা, কালোজিরাসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর ও আশঁযুক্ত খাবার খেতে হবে। ধূমপান ও জর্দা পরিহার করতে হবে।
এরপরও মুখের কোনো সমস্যা হলে দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। করোনা সংক্রমিত রোগীদেরও দাঁতের বা মাড়ির অতি জরুরি চিকিৎসা সম্ভব। তবে সে ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা বাধ্যতামূলক।
লেখক: দন্ত চিকিৎসক, কলাবাগান রাজ ডেন্টাল সেন্টার, তথ্য সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget