জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি: জামালপুর জেলায় যমুনার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং জামালপুরে বন্যার পানিতে ১৫ বয়সি একটি ছেলে নিখোঁজ।

জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতি: জামালপুর জেলায় যমুনার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে এবং জামালপুরে বন্যার পানিতে ১৫ বয়সি একটি ছেলে নিখোঁজ।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


জামালপুর জেলায় যমুনার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে জামালপুরে দেখা দিয়েছে বন্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি ৩২ সেন্টি মিটার বেড়েছে। পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টি মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে।** যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ইসলামপুরের চিনাডুলি, পাথর্শী, নোয়ারপাড়া, বেলগাছা, কুলকান্দি, সাপধরী, দেওয়ানগঞ্জের চুকাইবাড়ী, বাহাদুরাবাদ, পৌর এলাকা, বকশীগঞ্জের সাধুরপাড়া, মেরুরচর, সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা, পোগলদীঘা, আওনা, কামারাবাদ ও সাতপোয়া ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলার চার উপজেলার অন্তত ১৫টি ইউনিয়নের ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।** গত বছর বন্যায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গিয়েছিল। সেইসব ভাঙা অংশ মেরামত না করায় সেসব জায়গা দিয়ে হু হু করে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। সড়কে পানি উঠায় ইসলামপুর-উলিয়া-মাহমুদপুর সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে, করোনায় কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষগুলো বন্যা পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবে এ নিয়ে দুঃশ্চিতায় পড়েছে।


বন্যার পানিতে ১৫ বছর বয়সি একটি ছেলে আনুমানিক ১০ টার দিকে পানিতে পড়ে যায়,,, ডুবে যায় স্থানীয় লোকজন বাচানোর চেষ্টা করে এবং ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিসকে জানায়,,, শিশুটিকে ঊদ্ধার করার চেষ্টা চলছে।
জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির আপডেট আজ বেলা ১২ টার আপডেট অনুযায়ী দেওয়ানগঞ্জের বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৮৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী মাসের ১ ও ২ তারিখ পর্যন্ত পানি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে. গতকাল দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্কুলের শেল্টার সেন্টারে অনেকগুলো পরিবার ইতিমধ্যে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন, এমনকি রেলের পরিত্যক্ত মালগাড়িতেও ঠাই গোজেছেন অনেকে. ইসলামপুর,দেওয়ানগঞ্জ,মেলান্দহ উপজেলার কয়েকহাজার পরিবার ইতিমধ্যে পানিবন্দি হয়েছেন. ইন শা আল্লাহ পেইজের পক্ষ হতে হয়তো বানভাসি মানুষের সহায়তায় কিছু করার প্রয়াস নিয়ে আপনাদের মতামত চাওয়া হতে পারে. একদিকে বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতা অন্যদিকে নিয়মিত বন্যার সাথে লড়াই করতে থাকা মানুষগুলোর আহাজারি আকরে ধরে বেচে থাকার জন্য লড়াই চালিয়ে।যাচেছ! বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জামালপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এ সম্পর্কিত মোবাইল নাম্বারসমূহ নিচে দেয়া হলো। মো:জাহিদুল ইসলাম, জামালপুর প্রতিনিধি









Post a Comment

[blogger]

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget