কোটিপতি হতে চান!!!

কোটিপতি হতে চান!!!

 আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 

কোটিপতি হতে চান!!!

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরি করুন!!! কোটিপতি হওয়ার নতুন রাস্তা ; এতে বড় বড় পাস ও সার্টিফিেকট লাগে না!! এটা কোন ভুলকিছু বলছি না! সাদিয়া,মালিক অাার কতজন!! এসএসসি ফেল সাদিয়া জান্নাত ৫ বছরে ৩০ কোটি টাকার মালিক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনের দেশে ৪০ কোটি আর বিদেশে ২৮৫ কোটি টাকার সম্পদ। আর স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেনের গাড়িচালক ৩য় শ্রেণীর কর্মচারী অষ্টম শ্রেণী পাশ ড্রাইভার মালেক শতকোটি টাকার মালিক।

এইদেশে পড়ালেখা করে তাহলে লাভটা কি? মাস্টার্স পাশ করে, এমবিএ করে ১৫-২০ হাজার টাকার চাকুরী পাওয়া যায় না। কয়েক লাখ বেকার। কেউ কেউ বেকারত্বের মর্মবেদনা নিতে না পেরে সুইসাইডও করে বসে। আর সব কোটিপতি হয় পিওন, ড্রাইভার, বাটপার, তাও দুই-চার কোটি না, শত শত কোটি টাকা.... এই সামান্য ড্রাইভার মালেকের স্ত্রীর নামে দক্ষিণ কামারপাড়ায় দুটি সাততলা বিলাসবহুল ভবন, ১৫ কাঠা জমিতে একটি ডেইরি ফার্ম যেখানে প্রায় ৫০ টা বাছুরসহ গাভী আছে, ধানমন্ডির হাতিরপুল এলাকায় সাড়ে চার কাঠা জমিতে একটি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবন রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য তার প্রধান কাজ। স্বাস্থ্য অধিদফতরের ক্যান্টিন প্রিয়ও তিনি পরিচালনা করেন। চালান তেল চুরির সিন্ডিকেট, স্বাস্থ্য অধিদফতরের যত গাড়ির চালক তেল চুরি করে, তার একটি অংশ তাকে দিতে হয়। এছাড়াও আছে অস্ত্র আর জালনোটের ব্যবসা এবং চাঁদাবাজি। মালেক নিজে ডিজির জন্য বরাদ্দকৃত একটা সাদা পাজেরো জিপ গাড়ি নিয়মিত ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে থাকেন। এটা ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আরো দুটি গাড়ি মালেক ব্যবহার করতেন। এর মধ্যে একটি পিকআপ গাড়ি, যা নিজের গরুর খামারের দুধ বিক্রি এবং জামাতার পরিচালিত ক্যান্টিনের মালামাল পরিবহনের কাজে ব্যবহার করতেন। অন্যটি মাইক্রোবাস, সেটি তার পরিবারের অন্য সদস্যরা ব্যবহার করতেন। মালেক তার পরিবারের ৭-৮ সদস্যকে প্রভাব বিস্তার করে, অনৈতিক উপায়ে চাকুরী দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক, ড্রাইভার পর্যন্ত শতশত কোটি টাকার মালিক। এদেরকে ধরা হলেও মূল গডফাদাররা আছে সবাই ধরাছোঁয়ার বাইরে। এমনকি আবজালের গডফাদার টেন্ডারবাজ মিঠুকে পর্যন্ত পালিয়ে যেতে দেয়া হয়েছে যাতে মূল অপরাধীরা কেউ ধরা না পড়ে। ড্রাইভার মালেকের বস স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেনকেও এই ঘটনায় এখনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে শুনিনি৷ এখন হয়ত হাইস্কুলের বাচ্চারাও জীবনের লক্ষ্য রচনায় লিখবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাকুরি করতে চাই, অন্তত ড্রাইভার হলেও সমস্যা নাই !!
Solaiman Tarafder

Post a Comment

[blogger]

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget