July 2020

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 

দেশবাসীকে মোবাইলে অডিও বার্তায় ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান




আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 



গ্রেফতার করা হয়েছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ মধুপুর বনাঞ্চলের ১০ হাজার গাছের চারা নিধনের মূলহোতা শামসুল হক ফরিদকে। মধুপুর উপজেলার অরনখোলা ফাঁড়ির পুলিশ বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে তাকে দোখলার কালা বাজার থেকে গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার জেলহাজতে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছেন অরনখোলা ফাড়ির ইনচার্জ পুলিশ ইন্সপেক্টর হাসান মোস্তফা। শামসুল হক ফরিদ অরনখোরা গ্রামের মৃত সিরাজ আলীর ছেলে। মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তারিক কামাল দায়ের করা মামলার উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, টাঙ্গাইল বনবিভাগের মধুপুর বনাঞ্চলের দোখলা রেঞ্জের সদর বিটের ৪৯৭ দাগের ১০ একর সংরক্ষিত বনভূমি গত ২০ জুলাই জবরদখলমুক্ত করা হয়। ওই বিরান ভূমিতে উডলট মডেলে বনায়নের জন্য ফরেস্ট ডিপার্টমেন্ট গত ২১ জুলাই ১০ হাজার আকাশমনি প্রজাতির গাছের চারা সেখানে মওজুত করেন। গত ২২ জুলাই শামসুল হক ফরিদের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন দুর্বৃত্ত সেখানে হামলা চালিয় বনায়ন করা যাবেনা বলে হুমকি দেয়। পরে সেখানে মজুত রাখা দশ হাজার বনজ গাছের চারা কেটে সাবাড় করে। টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক জানান, শামসুল হক ফরিদ গংরা প্রভাব খাটিয়ে সংরক্ষিত বনভূমি জবরদখলের পর কলা চাষ শুরু করে। একজন সহকারী বন সংরক্ষকের নেতৃত্বে কলা বাগান উচ্ছেদের পর সেখানে নতুন করে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আর তখনি বনায়নে বাধা, হুমকি এবং মারপিটের ঘটনা ঘটিয়ে মূল্যবান দশ হাজার গাছের চারা নিধন করে। এ ঘটনায় দোখলা রেঞ্জ অফিসার আব্দুল আহাদ বনভূমি জবরদখল, বনজ সম্পদ ধ্বংস এবং কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে গত ২৩ জুলাই মধুপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি তদন্ত করেন অরনখোলা ফাডির পুলিশ। অভিযোগের সত্যতা মেলায় গত বুধবার পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসাবে গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই দৈনিক ইত্তেফাকের অনলাইনে ‘মুজিব বর্ষে দেশজুড়ে বৃক্ষরোপন, আর মধুপুরে ১০ হাজার চারা কেটে সাবাড়’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 


হারুনুর রশিদ নকলা প্রতিনিধি ঢাকা মহানগর দক্ষিন মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেরপুরের নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দা উম্মে কুলসুম রেনু এর নিজস্ব তহবিল থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা ও চরঅস্টধর ইউনিয়নের বন্যা কবলিত এলাকায় পানি বন্দী ১ হাজার পরিবারের মাঝে এসব ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীদের নেতৃবৃন্ধসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্তিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলায় আহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উম্মে কুলসুম রেনুকে দু’দফায় ২০ লক্ষ টাকার এফডিআর করে দেন। ওই টাকার লভ্যাংশ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সারা দিয়ে করোনা রোগীদের জন শেরপুর জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে দুই লক্ষ টাকা দান করেন।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 



❤.আজ ইসলামপুর উপজেলায় বন্যার্তদের মাঝে স্থানীয় সাংসদ জনাব ফরিদুল হক খান দুলাল মহোদয় সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন ময়মনসিংহ বিভাগের মান্যবর বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ কামরুল হাসান এনডিসি এবং জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক , করোনা সচেতনতায় তিনি নাগরিকদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।
বন্যা উপদ্রুত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন।রনি জাহিদুল ইসলাম



হারুনুর রশিদ শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলা উপজেলার খারজান বাজারে বুধবার বিকেলে আমিনুল হক হত্যা মামলার আসামীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী । মানববন্ধনে আমিনুল হক হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসিসহ সকল আসামীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করা হয় ।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 



হারুনুর রশিদ শেরপুর প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতি মূলক সভা কলাপাড়া বাজার মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। শেরপুরের নকলা পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী কলাপাড়া ঈদগাহ কমিটির সভাপতি আল্হাজ আতিকুর রহমান সুহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নকলা উপজেলা কৃষকলীগের আহব¦ায়ক আলগীর আজাদ , নকলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুনুর রশিদ , এডভেকেট খুরশেদুল আলম, কলাপাড়া দাখিল মাদরাসার সাবেক সহসুপার মৌলভী সামছুল হক , কলাপাড়া গোরস্থান কমিটির সম্পাদক শহিদুল আলম , শিক্ষক আব্দুল কদ্দুছ মাস্টার , আবু বক্কর সিদ্দিক , কাউন্সিলর ইনতাজ আলী ও মৌলভী লুৎফর রহমান উপস্থিত ছিলেন । সভায় সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে কলাপাড়া জামে মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ের সিদ্বান্ত নেওয়া হয় ।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



মুহাম্মদ মাসুদ রানা, হালুয়াঘাট প্রতিনিধিঃ “স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরি, করোনার বিস্তার রোধ করি” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সমগ্র ময়মনসিংহ জেলার ন্যায় হালুয়াঘাটে একযোগে মাস্ক পরিধান ক্যাম্পেইন ও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রেজাউল করিমের নেতৃত্বে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভুমি) তানভীর আহমেদ, পৌর মেয়র খাইরুল আলম ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কবিরুল ইসলাম বেগ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুর রশিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আনোয়ার খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আওলাদ হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আলাল উদ্দিন, একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ সাইফুল ইসলাম, সমবায় অফিসার সৈয়দ কামরুল হুদা, কৃষি অফিসার মাসুদুর রহমান, যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ গোলাম মোস্তফা, ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় নেতৃবৃন্দ পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কের পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরন, জনসচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা এবং সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উদাত্ত আহ্বান জানান।

তথ্য সূত্র: The Daily Haluaghat News

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


স্কুল পর্যায় (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক, মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ও সহকারী মৌলবি; এবতেদায়ি মাদরাসার এবতেদায়ি প্রধান, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং মাদরাসার প্রদর্শক ও শরীরচর্চা শিক্ষক; কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক, সাধারণ বিষয় (ভাষা) পদে নিবন্ধনে ইচ্ছুক সকল প্রার্থীর জন্য আবশ্যিক বিষয় ) পূর্ণমান-১০০, সময় : ১ ঘণ্টা ক. #বাংলা (#Bengali): ২৫ ১. ভাষারীতি ও বিরাম চিহ্নের ব্যবহার, ২. বাগধারা ও বাগবিধি, ৩. ভুল সংশোধন বা শুদ্ধকরণ, ৪. যথার্থ অনুবাদ, ৫. সন্ধি বিচ্ছেদ, ৬. কারক বিভক্তি, ৭. সমাস ও প্রত্যয়, ৮. সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, ৯. বাক্য সংকোচন, ১০. লিঙ্গ পরিবর্তন। খ. #ইংরেজি (English): ২৫ 1. Completing sentences, 2. Translation from Bengali to English, 3. Change of parts of speech, 4. Right forms of verb, 5. Fill in the blanks with appropriate word, 6. Transformation of sentences, 7. Synonyms and Antonyms, 8. Idioms and phrases. গ. #গণিত (Mathematics): ২৫ #পাটিগণিত: গড়, ল.সা.গু, গ.সা.গু, ঐকিক নিয়ম, শতকরা, সুদকষা, লাভ-ক্ষতি অনুপাত-সমানুপাত। #বীজগণিত: উৎপাদক, বর্গ ও ঘনসম্বলিত সূত্রাবলী ও প্রয়োগ, গসাগু, বাস্তব সমস্যা সমাধানে বীজগাণিতিক সূত্র গঠন ও প্রয়োগ, সূচক ও লগারিদমের সূত্র ও প্রয়োগ। #জ্যামিতি: রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, ক্ষেত্রফল ও বৃত্ত সম্পর্কিত সাধারণ ধারনা, নিয়ম ও প্রয়োগ। ঘ. #সাধারণ জ্ঞান: ২৫ ১. #বাংলাদেশ #সম্পর্কিত #বিষয় ২. #আন্তর্জাতিক বিষয় ও #চলতি ঘটনাবলী ৩. বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পরিবেশ এবং রোগব্যাধি সম্পর্কিত মৌলিক জ্ঞান। বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, পরিবেশ, ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, সভ্যতা, সংস্কৃতি, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), যোগাযোগ ব্যবস্থা, বাংলাদেশের সমাজজীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়, রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সরকার ও রাজনীতি, সরকারি ও বেসরকারি লক্ষ্য, নীতি, পরিকল্পনা (অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা), কর্মসূচি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, মানব সম্পদ উন্নয়ন, বিশ্ব রনি ভৌগলিক পরিচিতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ, নবায়ন যোগ্য শক্তি, জাতিসংঘ, আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সংগঠন, পুরস্কার ও সম্মাননা, আন্তর্জাতিক মূদ্রা সংক্রান্ত, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়াবলী, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, তথ্য, যোগযোগ ও প্রযুক্তি, প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (পদার্থ, রসায়ন ও জীব বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট) সাধারণ রোগ ব্যাধি ও পরিবেশ বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট। লিখেছেন: মো:জাহিদুল ইসলাম রনি



গতকাল উদ্ধার করা ২ জন শিশুর বাবা মাকে খুজে পাওয়া যায়নি। আবার কাউকে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি থানায় রাখাও যায়না। একই সাথে অপ্রাপ্তবয়স্ক তারা। বেতার বার্তা প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সব থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। হারিয়ে যাওয়া সুমন ও আব্বাস নামে কোন বাচ্চার জন্য সাধারণ ডাইরি লিপিবদ্ধ হয়নাই। এমতাবস্থায় ওদেরকে কোর্টের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের, সিদ্ধিরগঞ্জে, গোদনাইল সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে অনেক চেষ্টা করেও তাদের প্রকৃত অভিভাবক খুঁজে পাইনি। বিভিন্ন সময় উদ্ধারকৃত অনেক শিশুকে তাদের পরিবারের জিম্মায় প্রদান করেছি। এমন কেইস প্রায়শই হ্যান্ডেল করি। পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কেউ, সবসময়ই মনপ্রাণ দিয়ে চেয়েছি পরিবারের কাছে ফেরত পাঠাতে। বিভিন্ন সময় আপনারা দেখেছেন খুঁজে খুঁজে বের করে অবুঝ শিশুদের তাদের বাবা মায়ের বুকে ফিরিয়ে দিয়েছি। পেশাদারিত্বের চেয়েও বিবেকের দায়িত্ব কাজ করে এক্ষেত্রে । আর কারো সন্তান হারিয়ে গেলে তাদের বুকে তাদের সন্তান উদ্ধার করে দেওয়ার পর তাদের মুখের হাসির দিকে তাকালে যে আত্মতুষ্টি, শান্তি পাওয়া যায় এটা কোটি কোটি টাকা দিয়েও অর্জন করা যায় না! সুমন আর আব্বাসের দিকে তাকালে আমার দুটো বাচ্চার কথা মনে হয়৷ আমি যতটা ভালোবাসা, মনপ্রাণ দিয়ে আগলে রাখি আমার ছেলেদের তাদের ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম করে নাই হয়ত তাদের বাবা মা। ওদের হারিয়ে ওদের বাবা মা না জানি কতটা মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ওদের প্রকৃত অভিভাবক না পাওয়া অব্ধি তারা সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রেই থাকবে। ভিকটিম-১ নাম- সুমন। বয়স -১০, পিতা- রফিক, মাতা-তানিসা, জেলা-রংপুর। ভিকটিম-২ নাম- আব্বাস। বয়স-৬, পিতা- জিলন, মাতা- রুমা, জেলা- ভোলা। দুইজনের বাবাই রিক্সা চালায় সিলেটে। দুইজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সব ধরনের চেষ্টা করেও ওদের কোন অভিভাবক খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমার বন্ধু তালিকায় সবাই শেয়ার করে দিবেন প্লিজ। যদি এই পোস্ট দেখে আব্বাস ও সুমনের কোন পরিচিত জন বা আত্মীয় স্বজন দেখে চিনতে পারে তাইলে ওদের বাবা মায়ের কাছে ওদের ফেরত দিতে পারবো ।মায়ের নাড়ীছেঁড়া রত্ন মায়ের কোলে যাবে। বিশেষ করে যারা রংপুর, ভোলা, সিলেটের অধিবাসী আছেন তারা আঞ্চলিক গ্রুপ গুলোতে শেয়ার দিয়ে আব্বাস ও সুমন এর পরিবারকে খুঁজে পেতে সাহায্য করুন। যোগাযোগ, আমার নাম্বার-০১৭১৩৩৭৩৩৪৩ সোনারগাঁ থানার ওসির নাম্বার -০১৭১৩৩৭৩৩৫০ © Md. Khorshed Alam ভাই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাঃগঞ্জ খ সার্কেল

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 



মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা অনুদান তুলে দিচ্ছেন সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক। তিনি আজ ৩৫০ জন শিক্ষার্থী, ২৩ জন শিক্ষক এবং ১৬ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর অনুকুলে মোট ৩৮৯ টি চেক বিতরন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 


আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আল্লাহর রহমতে আপনারা যে যেখানে আছেন সবাই ভালো আছেন।এখানে মসজিদের যে ছবিটা দেখলেন সেটা হলো জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ির থানার আওনা ইউনিয়নের তরনী আটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।মসজিদটি কাজ এই পর্যন্ত এসেছে সকলের সহযোগীতায়। আল্লাহ সকলের দানকে কবুল করুন এবং প্রত্যেক দানকারীকে উত্তম যাযা দান করুন । মসজিদের যথাযথ ফান্ড না থাকায় ফ্লোর ডালাই করা, জানালা ও দরজা লাগানো সম্ভব হচ্ছে না।এখনো নামাজ পড়তে হয় ভাংগা ছাপড়াতে, ঝড় বৃষ্টি হলেই মেজো বিজে যায় পানিতে। অস্থায়ী মসজিদটিউ আবার অন্যের জায়গাতে করা হয়েছে।জায়গা ছাড়তে বলা হয়েছে কারণ কয়েক বছর হয়েছে। জমির মালিক জমিতে কাজ করবে।তাই প্রত্যেক দানবান ভাই ও বোনদের নিকট আমাদের আকূল আবেদন এই মসজিদের বাকী কাজ গুলো করে নামাজের উপযোগী করে দেওয়ার জন্য সকলের আর্থিক সহযোগীতা কামনা করছি।যে যা পারেন দান করবেন। নিচে মসজিদের ঠিকানা একাউন্ট নাম্বার, মোবাইল নাম্বার দেওয়া হলো :- গ্রাম তরনী আটা, পোষ্ট গোয়ালবাথান, থানা সরিষাবাড়ি , জেলা জামালপুর। মসজিদের একাউন্ট নাম্বার : 20501780200927811 (ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি, তারাকান্দি শাখা) নাম:তরনী আটা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ।
মোবাইল নাম্বার:-
মসজিদের সভাপতি : 01914681555
সেক্রেটারি : 01947908942
সবার নিকট বিনিত অনুরোধ রইলো, দান করতে না পারলেও শেয়ার করে ভালো কাজের অংশীদার হন।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 



হারুনুর রশিদ শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের নকলা প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার বিকেলে আমিনুল হত্যা মামলার আসামীদের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেন নিহতের ভাতিজা শফিক মিয়া । সম্মেলনে শফিক মিয়া লিখিত বক্তব্যে জানান, পূর্ব শত্রুতার জের হিসেবে গনপদ্দি ইউনিয়নের পিপড়ীকান্দী গ্রামে ১১ মে/২০২০ তারিখে শাহিন মিয়া (২৫),সালমান মিয়া (২২) ও বিশু মিয়া (৩৫) সহ ১৭জন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক জখম করে আমার চাচা আমিনুল ইসলামকে । তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য শেরপুর ও ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । এ ব্যাপারে আমার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে নকলা থানায় ১৫/০৬/২০২০ তারিখে মামলানং ১১ দায়ের করেন । হাসপাতালের চিকিৎসা শেষে আমার চাচা আমিনুল ইসলামকে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার অবস্থা আরো বেশি খারাপ হয়ে গেলে ১৭ জুলাই শেরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নকলা থানা পুলিশ মামলার ১৬ নং আসামী ইসমাঈল হোসেনকে গ্রেফতার করে এবং মামলার ৬,৭, ৮,৯,১১,১২,১৩,১৪,১৫ নং আসামীরা স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়ে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। বাকী পলাতক আসামীদের গ্রেফতারসহ সকল আসামীদের ফাঁসিসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।


আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 



হারুনুর রশিদ শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে সাবেক কৃষিমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শেরপুর-২ (নকলা- নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। গোপনে মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় দুই মাদরাসা সুপার কর্তৃক এ জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। জালিয়াতির ঘটনায় নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার সূর্যনগর গাগলাজানি দাখিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেন্ডেন্ট মাওলানা রফিকুল ইসলাম চলতি জুলাই মাসে তার পছন্দের লোকেদের দিয়ে গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে একটি প্রস্তাবিত কমিটি দাখিল করেন। প্রস্তাবিত ওই তালিকায় সুপারিশকারী হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর অগোচরে তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।অন্যদিকে, একই কায়দায় যোগসাজশ করে উপজেলার কালাকুড়া দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেন্ডেন্ট মাওলানা নুরুল ইসলামও গোপনে পকেট কমিটি গঠনকল্পে স্থানীয় সংসদ সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরীর স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছেন। তবে উভয়ের এ দূরভিসন্ধি ঘটনাক্রমে প্রকাশ হয়ে পড়লে সূর্যনগর গাগলাজানি দাখিল মাদরাসার প্রস্তাবিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সামেদুল হক এবং কালাকুড়া দাখিল মাদরাসা প্রস্তাবিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২৫ জুলাই মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। সুর্যনগর গাগলাজানি দাখিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠা মৃত রহিজ উদ্দিন মাস্টারের ছেলে আব্দুর রহিমসহ মাদরাসা সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়মানুযায়ী দাখিল পর্যায়ের মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে পদাধিকার বলে দায়িত্বে থাকেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। কিন্তু নির্বাহী কর্মকর্তাকে এখানে সভাপতি করলে ভারপ্রাপ্ত সুপার দুর্নীতি ও অনিয়ম করতে পারবেন না। এ কারণে তিনি তার পছন্দমতো ব্যক্তিকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করতে চান।তারা আরও জানান, স্থানীয় কাউকে সভাপতি করতে হলে স্থানীয় এমপির সুপারিশ লাগে। এক্ষেত্রে স্থানীয় এমপি মতিয়া চৌধুরী ওই সুপারিশ করবেন না বলে ভারপ্রাপ্ত সুপার রফিকুল ইসলাম ওরফে সাদা দ্বিতীয় বারের মতো মতিয়া আপার মতো একজন বড় নেত্রীর স্বাক্ষর জাল করেছেন। এসময় তারা এতবড় ধৃষ্টতার জন্য জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত সকলের কঠোর শাস্তির দাবী জানান।মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জহুরুল হক জানান, আসামীরা আত্মপোগনে রয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলছে। অন্য কেউ এর সাথে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে একইভাবে মতিয়া চৌধুরীর স্বাক্ষর জাল করে পুলিশি রিমান্ড ছাড়াও হাজতবাস করে সুর্যনগর গাগলাজানি দাখিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার রফিকুল ইসলাম।


আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 


ঝিনাই নদীর প্রবল স্রোতে ধসে গেছে সরিষাবাড়ী উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের শিশুয়া-বাঘমারা ব্রিজের সংযোগ সড়কের প্রায় ৩০ মিটার। সাতপোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাহের জানান, যমুনার শাখা ঝিনাই নদীর ওপর নির্মিত শিশুয়া-বাঘমারা ব্রিজ সংলগ্ন পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়কে গত রোববার (২৬ জুলাই) গভীর রাতে ভাঙন ধরে। এরপর বানের পানির প্রবল স্রোতে মুহূর্তেই সড়কের প্রায় ৩০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়ে ব্রিজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে প্রায় ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি হুমকির মধ্যে পড়েছে। সরিষাবাড়ী পৌরসভা ও সাতপোয়া ইউনিয়নের প্রায় ৩০টি গ্রামের মানুষের পাশের উপজেলা মাদারগঞ্জে যাতায়াতের মাধ্যম এ সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় দুই উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে অন্তত অর্ধশত গ্রামের মানুষ। সোমবার (২৭ জুলাই) সরিষাবাড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন আহমদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, নদীর তীব্র স্রোতে সড়কটির প্রায় ৩০ মিটার অংশ ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে কথা বলে শিগগিরই বালুর বস্তা ফেলে বা বাঁশের সাঁকো বানিয়ে আপাততঃ জনসাধারণের চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। মো:জাহিদুল ইসলাম রনি জামালপুর জেলা প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক: 



হোছাইন মুহাম্মদ তারেক, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মগটুলা হেল্পলাইন ঈশ্বরগঞ্জে গরীব অসহায় দুঃস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছে। “অসহায় দুর্গতদের সেবায়, আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ” এই শ্লোগানের আলোকে মাঠে ঘাটে সংগঠনের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মঙ্গলবার উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নে ধীতপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করে। সাম্প্রতিক করোনা ভাইরাসে নিন্ম শ্রেণীর পরিবার গুলো অসহায় হয়ে পড়ে। এমন অসহায় শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মগটুলা হেল্পলাইন পারভেজ ভুঁইয়ার সার্বিক সহযোগিতায় চাকুরীজীবী ও ব্যবসায়ী দাতাদের কাছ থেকে অর্থসংগ্রহ করে চাল, ডাল, সেমাই, চিনি, পেঁয়াজ, লবন, পিঠা, তেল ও সাবান ঈদ উপহার হিসেবে বিতরণ করেন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধীতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদ। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ধীতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোখলেছুর রহমান, হাবিবুর রহমান, মগটুলা হেল্পলাইনের এডমিন ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ মিয়া, আরিফ মান্নান, তাইজুল ইসলাম রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম নাঈম। স্বেচ্ছাসেবী মডারেটরদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাঈম আহমেদ, আনোয়ার হোসেন সাকিব, জুনায়েদ আহমেদ, জুয়েল কবির, আব্দুল্লাহ আল রাফি, সারওয়ার জাহান শুভ, সাকিব, জুনায়েদ হাসান, বাঁধন, মুক্তার, মমিন, সদস্যদের মধ্যে ছিলেন আনাস, রাকিব, আমির, ফারদিন প্রমুখ।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


লেখকঃ আজাহারুল ইসলাম ৩৮তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার(ইংরেজি), মেরিট পজিশন-১০। (সুপারিশপ্রাপ্ত)

আমার এ পোস্ট শুধু নতুনদের জন্য যারা প্রথম বারের জন্য প্রিলি, রিটেন ও ভাইভা দিবেন। তিনটি ধাপ সম্পর্কেই আলোচনা করা আছে, আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী পড়ে দেখতে পারেন। আপনারা যারা অভিজ্ঞ আছেন তারা চাইলে এড়িয়ে যেতে পারেন। ★★★প্রিলিমিনারি ধাপঃ ★একটা কথা মাথায় রাখবেন বিসিএসের সবচেয়ে কঠিন ধাপ হলো প্রিলিমিনারি। প্রায় পাঁচ লাখ 'ক্যান্ডিডেট'দের সাথে প্রতিযোগিতা করে আপনাকে টিকে থাকতে হবে দশ থেকে পনেরো হাজারের মধ্যে। এখানে অনেক 'ট্যালেন্টেড ক্যান্ডিডেট'রাও বাদ পড়ে যায়। অনেকে দেখি প্রিলিমিনারি পাস করেননি কখনো, তারাও রিটেনের জন্য ব্যাকুল হয়ে যান। কিন্তু আমি বলছি আপনারা রিটেন না পড়ে সকল বিষয়ে 'ব্যাসিক' জ্ঞানটা বাড়ান আর প্রিলি পড়েন। বিসিএসে 'ব্যাসিক' জ্ঞানটা খুব দরকার। প্রিলি উত্তীর্ণ হতে পারলে রিটেনের জন্য যে সময়টা পাবেন সেটা ভালোভাবে কাজে লাগান তাহলে আপনি সহজেই উৎরে যাবেন। আর প্রিলি উত্তীর্ণ হলে আপনার 'কনফিডেন্স' বেড়ে যাবে আর তাতেই আপনি রিটেনে ভালো করার জন্য যথেষ্ট সাহস পাবেন, আর এ সময়টা ভালো করে কাজে লাগতে পারলেই আপনি সফল! ★ আবার দেখছি অনেকে একগাদা বই কিনেন মানে একই বিষয়ের ৫-৬টা বই কিনে পড়েন আর সব তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। একাজ ভুলেও করবেন না, আপনার এতো বইয়ের দরকার নেই(তবে তথ্য যাচাইয়ের জন্য রাখতে পারেন)। আপনি 'সিলেবাস'টি ভলো করে বুঝে যেকোন সিরিজের (MP3/Professors/অ্যাসিওরেন্স/ওরাকল ইত্যাদি ইত্যাদি) বিষয়ভিত্তিক(সকল বিষয়ের) একসেট বই খুব ভালো করে পড়বেন এবং বারবার পড়বেন এতে তথ্যগুলো আপনার মাথায় গেঁথে থাকবে এবং আপনি এর সুফলও পাবেন, একবার পড়েই বলবেন না যে আপনার পড়া শেষ, তাহলে আপনিও শেষ হয়ে যাবেন কিন্তু! তবে হ্যাঁ, বাজারের বইগুলোতে (যেকোনো সিরিজের বইয়ে ৫%-১০% তথ্য ভুল থাকতে পারে) কোন তথ্য ভুল মনে হলে অবশ্যই নির্ভরযোগ্য কোন সোর্স(যেমন: বাংলাপিডিয়া, বিশেষ জার্নাল, প্রখ্যাত লেখকদের বই ইত্যাদি ইত্যাদি) থেকে সেটাকে 'কারেকশন' করে নিতে হবে। চাইলে 'গুগলিং' করে অনেকগুলো তথ্যের সাথে তুলনা করে সঠিকটা খুঁজে নিতে পারেন। ★আর একটি ব্যাপার সাধারণ জ্ঞানের বিষয়টি কিন্তু খুব ঝামেলার, এটার জন্য আপনার অনেক আগে থেকেই পড়তে হবে, এবং খুব বেশি বেশি পড়তে হবে, যারা মনে করেন আমি এক মাসেই সব শেষ করে ফেলবো বিষয়টা তেমন না! সাধারণ জ্ঞানের বিষয়টি রপ্ত করার জন্য আপনাকে সময় দিতে হবে, তাই আপনি এখন যে সেমিষ্টার বা ইয়ারেই থাকুন না কেন, যদি সত্যিই বিসিএস ক্যাডার হওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে এখন থেকেই খেলাচ্ছলে সাধারণ জ্ঞানের উপর জোর দিতে থাকেন। কারণ বড় একটা অংশই সাধারণ জ্ঞানের। তবে 'ব্যাসিক' ভালো করার জন্য কোন 'কম্প্রোমাইজ' চলবে না। ★ অনেকেই(১ম বর্ষ/২য় বর্ষ/৩য় বর্ষ/৪র্থ বর্ষ) জিঙ্গাসা করেন ভাইয়া, কখন থেকে বিসিএসের জন্য পড়াশুনা শুরু করবো, এটার জন্য আমার একটাই উত্তর একটাই 'এখন' থেকেই শুরু করেন কারণ বিসিএসের প্রতি আপনার 'প্যাশন' জম্নেছে। তবে পড়া শুরু করার আগে সিলেবাস ও প্রশ্নব্যাংক 'অ্যানালাইসিস' করে শুরু করবেন। বিসিএসের পড়াশুনাটা এভাবে খেলাচ্ছলে এবং বিনোদন হিসেবেই শুরু করেন! আপনার যখন ডিপার্টমেন্টের পড়া ভালো লাগবে না, তখনই শুরু করবেন বিসিএসের পড়া! চলতে থাকুক না, ক্ষতি কি তাতে!? তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন ডিপার্টমেন্টের পড়াশুনা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়! ★ আর একটি বিষয় যেটা অনেকেই ভুল করে থাকেন, সেটা হলো বিসিএসের ফর্ম ফিলাপ করার সময় ক্যাডার চয়েস দিতে জানেন না! অনেকে না বুঝেই ক্যাডার চয়েসগুলো এলোমেলোভাবে দিয়ে ফেলেন এর ফলে নিজের পছন্দের ক্যাডার পান না এবং ভাইভা বোর্ডে অনেক অবান্তর প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে থাকেন। মনে রাখবেন, আপনি যদি বোথ ক্যাডারে অ্যাপ্লাই করে থাকেন এবং জেনারেল ক্যাডারের প্রতি আবেগ বেশি থাকে তাহলে প্রথমে সকল জেনারেল ক্যাডার চয়েস দেওয়ার পর টেকনিক্যাল ক্যাডার চয়েস দিবেন। আপনার মনে রাখতে হবে, টেকনিক্যাল ক্যাডার চয়েস দেওয়ার পর যেসব জেনারেল ক্যাডার চয়েস দিবেন সেগুলো পাওয়ার সম্ভাবনা একদম নেই বললেই চলে! তাই আপনার যদি যেকোন ধরনের জেনারেল ক্যাডার পাওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনি টেকনিক্যাল ক্যাডারকে সবার শেষে দিতে পারেন অথবা আপনার যে ৪/৫ টি জেনারেল ক্যাডার পছন্দ সেগুলো চয়েস দেওয়ার পরেই টেকনিক্যাল ক্যাডার চয়েস দিতে পারেন, এরপর বাকিগুলো। ক্রমানুযায়ী যেগুলো প্রথম সারির ক্যাডার(যেগুলো পেতে তুলনামূলক বেশি মার্কস লাগে) সেগুলো আপনি শেষে বা মাঝে দিবেন না, তাহলে স্যারেরা অবান্তর প্রশ্ন করতে পারে। ধরুন, আপনি বিসিএস ফরেন অ্যাপেয়ার ক্যাডার চয়েস দিছেন ৪ নাম্বারে আর বিসিএস পরিবার পরিকল্পনা দিয়েছন ১ নাম্বারে। নিয়মানুযায়ী এটা ১ নাম্বারে দেওয়ার কথা কারণ এ ক্যাডারটি পেতে হলে তুলনামূলক বেশি মার্কসের দরকার হয়। তাই প্রথম সারির ক্যাডারগুলো প্রথমেই দিতে হবে আর প্রথমে না দিলে দেওয়ারই দরকার নেই। একটি (নমুনা) ক্যাডার চয়েস(জেনারেল/বোথ) আমি এখানে উল্লেখ করছিঃ ১ঃ বিসিএস ফরেন অ্যাফেয়ার্স ২ঃ বিসিএস প্রশাসন ৩ঃ বিসিএস পুলিশ ৪ঃ বিসিএস কাস্টমস ৪ঃ বিসিএস হিসাব ও নিরীক্ষা ৫ঃ বিসিএস কর ৬ঃ বিসিএস আনসার ৭ঃ বিসিএস তথ্য ৮ঃ বিসিএস রেলওয়ে ৯ঃ বিসিএস পোস্টাল ১০ঃ বিসিএস খাদ্য ১১ঃ বিসিএস পরিবার পরিকল্পনা এবং বোথ ক্যাডারে অ্যাপ্লাই করে থাকলে, ১২ঃ বিসিএস টেকনিক্যাল ক্যাডার। মূল কথা হলো, আগে ভালোভাবে জেনে তারপর ক্যাডার চয়েস দিবেন।তবে শুধু টেকনিক্যালে আবেদন করলে শুধু একটাই চয়েস থাকে এখানে কোন ঝামেলা নেই। (বিঃদ্রঃ যারা বিভিন্ন কারণে ফরেন এবং পুলিশ বা অন্যকোন ক্যাডার চয়েস দিতে না চান তাহলে একেবারেই দেওয়ার দরকার নাই, কখনো এসব ক্যাডার শেষের দিকে দিবেন না কারণ এগুলো প্রথম সারির ক্যাডার, আর ভুল করে দিয়ে ফেললে উত্তর আগেই গুছিয়ে রাখবেন।) ★ প্রিলির জন্য প্রয়োজনীয় যেসব বইগুলো পড়তে পারেন তার একটি লিস্ট আমি আপনাদের জন্য পেশ করছি।

প্রথমেই প্রশ্ন ব্যাংক হতে ১০-৪০তম বিসিএসের সকল প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে বারবার পড়বেন এক্ষেত্রে কোন 'কম্প্রোমাইজ' করা যাবে না সাথে সিলেবাসটিও একটু দেখে নিবেন। ২ঃ বাংলা সাহিত্য (অগ্রদূত/MP3/অ্যাসিওরেন্স/প্রফেসর সিরিজের যেকোন একটি বই) পড়ুন। রেফারেন্স বইঃ লাল নীল দীপাবলি(হুমায়ন আজাদ), ভাষা ও জিজ্ঞসা(সৌমিত্র শেখর) বই দু'টি পড়ুন। ৩ঃ বাংলা ব্যকরণঃ অ্যাসিওরেন্স + সৌমিত্র শেখরের বই হতে ব্যাকরণ অংশটুকু পড়ুন। রেফারেন্স বইঃ ৯-১০ শ্রেণির বাংলা ব্যকরণ বইটি পড়ুন। ৪ঃ ইংরেজি ভাষাঃ 'মাস্টার' বইটি ভালো করে পড়ুন। ৫ঃ ইংরেজি সাহিত্যঃ 'মিরাকল' বইটি পড়ুন। ৬ঃ গনিতঃ প্রচলিত সিরিজের(শাহীন'স ম্যাথ/ প্রফেসর ম্যাথ) যেকোন একটি বই। রেফারেন্স বইঃ ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির সকল ম্যাথ বই এবং ১১-১২ ক্লাসের ম্যাথ বই হতে শুধু 'কম্বিনেশন' ও 'পার্মুটেশন' অংশ ভালোভাবে করুন। ৭ঃ মানসিক দক্ষতাঃ রিটেনের অ্যাসিওরেন্স(মানসিক দক্ষতা) বইটি পড়ুন, অন্য আর কোন বই লাগবে না। ৮ঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তিঃ ইজি কম্পিউটার বইটি পড়ুন। রেফারেন্স বইঃ ১১-১২ শ্রেণির প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের ICT বইটি পড়ুন । ৯ঃ সাধারণ বিজ্ঞানঃ MP3 দৈনন্দিন বিজ্ঞান/ ডঃ জামিল'স দৈনন্দিন বিজ্ঞান যেকোন একটি পড়ুন। রেফারেন্স বইঃ ৯-১০ শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান এবং পদার্থ, জীব ও রসায়ন বিজ্ঞান বইগুলো পড়ুন। ১০ঃ বাংলাদেশ বিষয়াবলিঃ MP3/ Professor সিরিজের যেকোন একটি বই পড়ুন। ১১ঃ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ MP3/ Professor's সিরিজের যেকোন একটি বই পড়ুন। ১২ঃ নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসনঃ প্রফেসর'স সিরিজের বইটি পড়ুন। রেফারেন্স বইঃ ১১-১২ ক্লাসের পৌরনীতি ১ম ও ২য় পত্র পড়ুন। ১৩ঃ ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাঃ অ্যাসিওরেন্স সিরিজের বইটি পড়ুন। রেফারেন্স বইঃ ৯-১০ ক্লাসের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বইটি পড়ুন। ১৪ঃ প্রফেসর'স এর জব সলুশন বইটি পড়ুন(প্রিলি পরীক্ষার দু' মাস আগে)। ১৫ঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ভালো করে বারবার পড়ুন তবে আগে শিরোনামগুলো মুখস্ত করতে ভুলবেন না। ১৫ঃ পত্রিকাঃ সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য নিয়মিত পত্রিকা পড়ুন। ১৬ঃ সুযোগ থাকলে গ্রুপ স্ট্যাডি করুন। ১৭ঃ কোচিংয়ে বা বাসায় বসে মডেলটেস্ট পরীক্ষা দিন। আশা করি আপনি উপর্যুক্ত পরামর্শ ও বইগুলো পড়লে নিশ্চিতভাবে প্রিলিতে উত্তীর্ণ( ২০০ এর মাঝে সব মিলিয়ে ১২০ পেলেই সম্ভব) হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ্। ★★★লিখিত ধাপঃ আলহামদুলিল্লাহ্, আপনি যখন প্রিলি টিকে গেলেন তখন কিন্তু আপনার আর বসে থাকার সময় নেই। আপনি মনে করবেন না যে, প্রিলি টিকেই বিসিএস ক্যাডার হয়ে গেছেন, এখনো তা অনেক দূর! তাই, আপনাকে নেমে পড়তে হবে অদম্য গতিতে, যদি সেটা করতে পারেন তাহলে আপনি রিটেনেও উত্তীর্ণ হতে পারবেন। মনে রাখবেন রিটেনের মার্কস দিয়েই কিন্তু ক্যাডার নির্ধারিত হয়, সুতরাং এটা ভাবলেই হবে না যে, কোন রকম রিটেন পাস(৯০০ এর মাঝে সব মিলিয়ে ৪৫০ পেলেই) করলেই ক্যাডার হবেন। আসলে, রিটেনে যে ২০০০+ 'ক্যান্ডিডেট' বেশি মার্কস পাবে, তারাই ক্যাডার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকবে আর বাকিরা সবাই নন-ক্যাডার হওয়ার আশা করতে পারেন। প্রিলির রেজাল্টের পর আপনি যে সময় পাবেন সে সময়ে নিচের বইগুলি পড়তে পারলে আশা করি আপনি রিটেনেও উত্তীর্ণ হবেন। ★রিটেনের জন্য প্রয়োজনীয় বইঃ ১ঃ বাংলাঃ অ্যাসিওরেন্স সিরিজের বইটি পড়বেন, তবে অবশ্যই প্রিভিয়াস ইয়ারের রিটেন প্রশ্নগুলো আগে ভালোভাবে পড়ে নিবেন। সেটার জন্য আলাদা কোন বইয়ের দরকার নেই এ একই বইয়ে পাবেন।(গ্রন্থ সমালোচনাও একই বইতে আছে, কেউ চাইলে আলাদা কিনতে পারেন)। ২ঃ ইরেজিঃ অ্যাসিওরেন্স সিরিজের বইটি পড়বেন, তবে অবশ্যই প্রিভিয়াস ইয়ারের রিটেন প্রশ্নগুলো আগে ভালোভাবে পড়ে নিবেন। সেটার জন্য আলাদা কোন বইয়ের দরকার নেই এ একই বইয়ে পাবেন। ৩ঃ বাংলাদেশ বিষয়াবলিঃ অ্যাসিওরেন্স সিরিজের বইটি পড়বেন, তবে অবশ্যই প্রিভিয়াস ইয়ারের রিটেন প্রশ্নগুলো আগে ভালোভাবে পড়ে নিবেন। সেটার জন্য আলাদা কোন বইয়ের দরকার নেই এ একই বইয়ে পাবেন। ৪ঃ আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিঃ অ্যাসিওরেন্স সিরিজের বইটি পড়বেন, তবে অবশ্যই প্রিভিয়াস ইয়ারের রিটেন প্রশ্নগুলো আগে ভালোভাবে পড়ে নিবেন। সেটার জন্য আলাদা কোন বইয়ের দরকার নেই এ একই বইয়ে পাবেন। ৫ঃ বিজ্ঞানঃ ওরাকল সিরিজের বইটি পড়বেন, তবে অবশ্যই প্রিভিয়াস ইয়ারের রিটেন প্রশ্নগুলো আগে ভালোভাবে পড়ে নিবেন। সেটার জন্য আলাদা কোন বইয়ের দরকার নেই এ একই বইয়ে পাবেন। সহায়ক বই হিসেবে ৯-১০ শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান এবং ১১-১২ শ্রেণির প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের আইসিটি বইগুলো পড়তে পারেন। ৬ঃ গণিতঃ প্রফেসর'স সিরিজের বইটি ভালো করে করবেন এবং পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন সমাধান করতে ভুলবেন না। সাথে অবশ্যই ৯-১০ শ্রেণির সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত বই দুটি খুব ভালো করে করবেন এবং ১১-১২ শ্রেণির বই হতে স্থানাংক(সরলরেখা, ত্রিভুজ), সমাবেশ, বিন্যাস, সম্ভাবনা, অসমতা খুব ভালো করে করবেন। ৭ঃ মানসিক দক্ষতাঃ অ্যাসিওরেন্স সিরিজের বইটি পড়বেন, তবে অবশ্যই প্রিভিয়াস ইয়ারের রিটেন প্রশ্নগুলো আগে ভালোভাবে পড়ে নিবেন। সেটার জন্য আলাদা কোন বইয়ের দরকার নেই এ একই বইয়ে পাবেন। ৮ঃ সংবিধান টা অবশ্যই ভালো করে পড়বেন(এটা বাংলাদেশ বিষয়াবলির অংশ)। ৯ঃ সম্প্রতিক তথ্য, বাজেট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা খুব ভালো করে পড়বেন। ১০ঃ পরীক্ষায় লেখার সময় ডাটা, কোটেশন, চার্ট, গ্রাফ, ম্যাপ ব্যবহার করুন এবং আপনার লেখাকে তথ্য সমৃদ্ধ করুন। ১১ঃ হাতের লেখা দ্রুত করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ১২ঃ প্রতিটি পরীক্ষায় অবশ্যই পুরোপুরি উত্তর করে আসবেন আর সেজন্য বাসায় বা কোচিংয়ে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিবেন। এর কোন বিকল্প নেই। ১৩ঃ নিজ বিষয়(টেকনিক্যাল)ঃ আপনি যদি বোথ ক্যাডারে অ্যাপ্লাই করে থাকেন তাহলে আপনাকে জেনারেলের ৯০০ মার্কসের পরীক্ষা দেওয়ার পরও আপনার নিজ বিষয়ের উপর অতিরিক্ত ২০০ মার্কসের একটি পরীক্ষা দিতে হবে। আর এখানে আপনার টেকনিক্যাল ক্যাডারের হিসাবটা হবে একটু অন্য রকম অর্থাৎ জনারেল ক্যাডারের পরীক্ষার বিষয় বিজ্ঞান ও বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাদে বাকি ৭০০ মার্কস ও আপনার সাবজেক্টের(টেকনিক্যাল) ২০০ মার্কস|

১৩ঃ নিজ বিষয়(টেকনিক্যাল)ঃ আপনি যদি বোথ ক্যাডারে অ্যাপ্লাই করে থাকেন তাহলে আপনাকে জেনারেলের ৯০০ মার্কসের পরীক্ষা দেওয়ার পরও আপনার নিজ বিষয়ের উপর অতিরিক্ত ২০০ মার্কসের একটি পরীক্ষা দিতে হবে। আর এখানে আপনার টেকনিক্যাল ক্যাডারের হিসাবটা হবে একটু অন্য রকম অর্থাৎ জনারেল ক্যাডারের পরীক্ষার বিষয় বিজ্ঞান ও বাংলা দ্বিতীয় পত্র বাদে বাকি ৭০০ মার্কস ও আপনার সাবজেক্টের(টেকনিক্যাল) ২০০ মার্কসের উপর অর্থাৎ মোট ৯০০ মার্কসের উপর। এ ৯০০ মার্কসের মাঝেও আপনি সব মিলিয়ে ৪৫০ বা ৪৫০+ পেলেই পাস করবেন। হ্যাঁ, এই ২০০ মার্কসের জন্য আপনার টেকনিক্যাল বিষয়ের বিসিএসের রিটেনের সিলেবাস দেখুন, সেখানে সব দেওয়া আছে, এর বাইরে অতিরিক্ত আর কিছু পড়তে হবে না। বাজারে আপনাদের নিজ নিজ টেকনিক্যাল বিষয়ের উপর বই পেতে পারেন আর যদি না পাওয়া যায় তাহলে আপনার অনার্স ও মাস্টার্সের পঠিত বিষয়গুলোর জন্য যেভাবে পড়েছিলেন, বিসিএসের রিটেনের টেকনিক্যাল বিষয়ের সিলেবাস দেখে ঠিক সেভাবেই পড়তে থাকুন। ।। (বিঃদ্রঃ রিটেনে কোন সাবজেক্টে ৩০% এর কম মার্কস পেলে সেই সাবজেক্টের মার্কস আর যোগ হবে না মানে আপনি শূন্য(০) পেয়েছেন ধরা হবে, তবে ৩০% এর বেশি পেলে আবার যোগ হবে কিন্তু পাস করতে হলে অবশ্যই ৫০% মার্কস লাগবে, যেটা আপনাকে অন্য কোন সাবজেক্ট দিয়ে পুষিয়ে দিতে হবে। তবে ঐ সাবজেক্ট ছাড়াও যেটায় আপনি ৩০% এর কম মার্কস পেয়েছেন মানে আপনি যে সাবজেক্টে শূন্য(০) পাবেন বলে ধরা হবে, সে সাবজেক্ট ছাড়াই যদি ৪৫০ বা ৪৫০+ মার্কস পায়ে যান তাহলেও পাস করবেন অর্থাৎ কোনভাবে ৫০% মার্কস পেলেই পাস করবেন)। আশাকরি আপনি উপর্যুক্ত রিটেন বিষয়ক কাজগুলো ভালোভাবে করতে পারলে কাঙ্ক্ষিত মার্কস পেয়ে উত্তীর্ণ(৯০০ এর মাঝে সব মিলিয়ে ৪৫০+ পেয়ে) হয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ্। ★★★ভাইভা ধাপঃ আলহামদুলিল্লাহ্ এতো কষ্ট করে আপনি রিটেন পাস করলেন আর ভাইভায় ভালো না করার কারণে আপনি যদি বাদ পড়ে যান মানে ভাইভায় ফেল করেন তাহলে আপনার পুরো কষ্টটাই ব্যর্থ। আপনার আর কোনও সম্ভাবনা নেই ক্যাডার বা নন-ক্যাডার জব পাওয়ার কারণ আপনি ফেল করেছেন! নন-ক্যাডার থেকেও কোন জব পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভাইভায় পাস করতে হবে। ভাইভায় মোট ২০০ মার্কস, এখানে আপনার আদব-কায়দা ও আচার-আচরণ খুব নিঁখুত ভাবে লক্ষ করা হয়। আপনি কিছু না পারলেও আপনার আচরণে যদি অশালীনতা না থাকে তাহলে আপনাকে স্যাররা ফেল করাবেন না(পাস মার্কস ১০০ সবাই পেয়ে যায়)। ★ভাইভায় যে বিষয়গুলো করবেন ও করবেন না! ১। রুমে ঢোকার সময় অবশ্যই অনুমতি নিয়ে ঢুকবেন এবং ভিতরে প্রবেশ করার পর দরজা আস্তে করে বন্ধ করবেন, খেয়াল রাখবেন কোন ধরনের শব্দ যাতে না হয়। দরজা বন্ধ করার পর চেয়ারের কাছাকাছি গিয়ে সালাম দিবেন, এরপর স্যারেরা বসতে বললে বলবেন নতুবা বসবেন না! ২ঃ ছেলেরা স্যুট-কোর্ট, টাই, অক্সফোর্ড শু পরবেন আর মেয়েরা মার্জিত কালারের শাড়ী, ফুল হাতা ব্লাউজ ও মার্জিত জুতা(হাই হিল না) পরিধান করবেন। আশালীন বা অমার্জিত পোশাক পরিধান করবেন না এবং মেয়েরা অতিরিক্ত গহনা পরবেন না। ৩ঃ যথা সম্ভব হাসিখুশি ও আত্নবিশ্বাসী থাকবেন কোন প্রশ্নের উত্তর না পারলে মৃদু হাসি দিয়ে 'সরি ' বলুন। ৪ঃ মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করবেন না, না জানা থাকলে জানার ভাণ করবেন না। ৫ঃ কোন বিষয় নিয়ে স্যারদের সাথে তর্ক করা যাবে না। ৬ঃ চেয়ারে ডানদিক দিয়ে গিয়ে বসবেন এবং ভাইভা শেষে বামদিক দিয়ে উঠে আসবেন। ৭ঃ উঠার পরে আপনি পিছনের দিকে ৪-৫ কদম হাঁটবেন কখনোই চেয়ার থেকে উঠে স্যারদের দিকে পেছনের দিক দেখাবেন না এতে তারা 'মাইন্ড' করতে পারেন। এরপর একটু দাঁড়িয়ে স্যারদের সালাম দিয়ে ঘুরে দরজার দিকে হাঁটবেন। দরজা দিয়ে বের হওয়ার সময় স্যারদের দিকে মুখ করে মাথা নত করে সালাম দিয়ে বের হবেন। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে কোন ধরনের শব্দ না হয়। আপনি বের হয়ে দরজাটা সুন্দরভাবে নিঃশব্দে আটকে দিবেন। ৮ঃ মনে রাখবেন পুশ করে ঢুকবেন এবং পুল করে বের হবেন। ৯ঃ হাঁটার সময় যেন জোরে শব্দ না হয়। ১০ঃ কথা বলার সময় যথাসম্ভব অাঞ্চলিকতা বাদ দিতে হবে। ১১ঃ হাত-পা নাড়িয়ে কথা বলা যাবে না। এগুলো আগেই ঠিক করে নিতে হবে। ১২ঃ আই-কন্টাক ঠিক রেখে কথা বলতে হবে, যখন যে স্যার প্রশ্ন করবেন তখন সে স্যারের দিকে তাকিয়ে তার প্রশ্নের উত্তর দিবেন। ১৩ঃ ভাইভার কমন বিষয়(ব্যক্তিগত) ও প্রশ্নগুলোর উত্তর একটু স্মার্টলি ও ব্যতিক্রমভাবে শিখে মুখস্ত করে গেলে মন্দ হয় না! ১৪ঃ আপনাকে অবশ্যই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্র্যাক্টিস করতে হবে এবং বেশি বেশি মক ভাইভা দিতে হবে। মনে রাখবেন আপনি যত প্র্যাক্টিস ও মক ভাইভা দিবেন আপনি তত অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। ১৫ঃ নিজেকে পরিপাটি রাখার জন্য পকেটে/ভ্যানিটি ব্যাগে ছোট চিরুনি, ছোট আয়না, ও লিপজেল জাতীয় কিছু রাখুন। আসলে আপনাকে ভাইভায় ভালো করার জন্য অবশ্যই এসব শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে। ★এবার আসি ভাইভায় কি কি বই পড়বেনঃ ১ঃ আপনি প্রথমেই নিজ কেন্দ্রিক বিষয়গুলো খুব ভালো করে পড়বেন ওয়েবপোর্টাল বা তথ্য বাতায়ন থেকে। যেমনঃ নিজের পারিবারিক ইতিহাস, নিজের জেলা, নিজের উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম ইত্যাদি, ইত্যাদি। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ইতিহাস ও ঐতিহ্য নির্ভর প্রতিটি জেলার বই পাওয়া যায়, সবাই তার নিজের জেলার বইটি কিনে নিতে পারেন। ২ঃ প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও শেষ ক্যাডার চয়েস সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে যাবেন। আর মৌলিক দু'চারটি প্রশ্ন সবগুলো চয়েস সম্পর্কেই জেনে যাবেন। বিসিএস ভাইভা পররাষ্ট্র, বিসিএস ভাইভা প্রশাসন, বিসিএস ভাইভা পুলিশ এরকম অনেক বই বাজারে পাওয়া যায়, আপনার চয়েস অনুযায়ী আপনি কিনে নিতে পারেন। ৩ঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বইগুলি যতগুলো সম্ভব পড়বেন। তিন চারটে সিরিজের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই পড়বেন। সাথে রেফারেন্স বইও পড়বেন। যাতে উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে আপনি রেফারেন্স হিসেবে সেগুলোর নাম বলতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় এ তথ্য আপনি কোথায় পেলেন, তাহলে আপনি কোন বাজারের বইয়ের নাম বলবেন না, এতে স্যারেরা আপনার প্রতি অখুশি হতে পারেন। তাই তথ্য যাচাইয়ের জন্য সর্বদা নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স বই ব্যবহার করুন।

৪ঃ বিভিন্ন সিরিজের ভাইভার বই বাজারে পাওয়া যায়। আপনি চাইলে তার কয়েকটা বই আপনার সংগ্রহে রাখতে পারেন, তাতে তথ্য যাচাইয়ে আপনার সুবিধা হবে। ৫ঃ রেফারেন্স বই হিসেবে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই পড়তে হবে সেগুলো হলোঃ- অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, নয়া চীন ভ্রমন, একাত্তরের দিনগুলি, একাত্তরের দিনলিপি, শেখ মুজিব আমার পিতা, রেইপ অব বাংলাদেশ, মূলধারা ৭১, রক্তের ঋণ, ১৯৭১, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের ওয়েব সাইটে দেওয়া তথ্য ইত্যাদি ইত্যাদি। ৬ঃ সাম্প্রতিক তথ্যের উপর খুব গুরুত্ব দিতে হবে। ভাইভাতে সম্প্রতিক ঘটনার উপর বেশি জোর দেওয়া হয়। ৭ঃ আপনার নিজ বিষয়ের উপর বিস্তারিত ও গভীর ধারণা রাখুন, কারণ আপনার নিজ বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর না পারলে স্যাররা সাধারণত খুব 'মাইন্ড' করে থাকেন, অনেক সময় ফেল করানোর মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায় এটা। স্যারেরা মাঝে মাঝে ঝাড়ি দিয়ে বলে, "আপনি ৫+ বছর অনার্স-মাস্টার্সে কি পড়ছেন, আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কে তো কিছুই জানেন না!" তাই, বলছি নিজ বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিন ও ভালোভাবে পড়ুন। ভাইভা বিষয়ক উপর্যুক্ত কাজগুলি আপনি ঠিকমত করতে পারলে আল্লাহ্র রহমতে আপনি ভাইভায় উত্তীর্ণ (২০০ এর মাঝে ১৩০+/১৪০+ পেয়ে) হয়ে আপনার পছন্দের ক্যাডারে মনোনীত হবেন। অনাকাঙ্ক্ষিত বানান ভুল হয়ে থাকলে নিজগুণে ক্ষমা করে দিবেন। আপনার জন্য শুভ কামনা, আপনাকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে অগ্রিম শুভেচ্ছা।।

তথ্য সংগ্রহে: মো: জাহিদুল ইসলাম রনি
জামালপুর জেলা প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



টাঙ্গাইলের মধুপুরে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বন বিভাগের জমি অবৈধ দখলমুক্ত করে চারা রোপণের দুই দিন পরই ১০ হাজার বনজ গাছের চারা কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মধুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে বন বিভাগ। জানা যায়, টাঙ্গাইল বন বিভাগ মুজিব বর্ষ উপলক্ষে মধুপুর বনাঞ্চলের সংরক্ষিত বনভূমি জবরদখল মুক্ত করে সেখানে নতুন বনায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে গত ২০ জুলাই দোখলা রেঞ্জের অরণখোলা মৌজার ৪৯৭ দাগের ১০ একর বনভূমি থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলকে উচ্ছেদ করা হয়। উদ্ধার করা বন ভূমিতে বন বিভাগ পরবর্তীতে পুনঃবনায়নের কাজ শুরু করে। এ জন্য ১০ হাজার আকাশ মনি প্রজাতির বনজ গাছের চারা সেখানে রোপন করা হয়। থানায় লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২২ জুলাই অরণখোলা গ্রামের মৃত সিরাজ আলীর ছেলে শামছুল হক ফরিদের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত সেখানে হামলা চালিয়ে চারাগুলো নষ্ট করে ফেলে। খবর পেয়ে বন রক্ষীরা বাঁধা দিতে গেলে তাদের উপর হামলাচালীয়ে মারধর করার চেষ্টা করে। দোখলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, গত ২০ জুলাই সহকারী বনসংরক্ষক দোখলা রেঞ্জের অরণখোলা কমিউনিটি ফরেষ্ট ওর্য়াকারদের সাথে নিয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখল থেকে ১০ একর জায়গা কলা গাছ কেটে জবরদখল মুক্ত করেন। উদ্ধারকৃত জমিতে বনায়নের জন্য ১০ হাজার গাছের চারা এনে রোপন করা হয়। সেখানে অবৈধ দখলদার শামছুল হকের নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে গাছের চারাগুলো নষ্ট করে ফেলে। সরকারী বনভূমি জবরদখল, বনজ সম্পদ ধ্বংস ও বন কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগে রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বাদি হয়ে মধুপুর অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়িতে মামলা করেছেন। এ ব্যাপারে মধুপুর অরণখোল পুলির ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক খান হাসান মোস্তফা এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ব্যাপারে বন বিভাগের লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


টাঙ্গাইলের মধুপুরে ককটেল ফাটিয়ে সিনেমাটিক কায়দায় ডাকাতি মামলার ১০ জন আসামী গ্রেফতার এবং ৮ টি স্বর্ণ রাখার ট্রে ও ২ ভরি ১৩ আনা স্বর্ণ উদ্ধার গত ০৬-০১-২০২০ তারিখ মধুপুর পৌরসভাধীন রেখা জুয়েলার্স এ একদল ডাকাত ককটেল ফাটিয়ে সিনেমাটিক কায়দায় ডাকাতি করে স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। এই সংক্রান্তে মধুপুর থানার মামলা নং-০৬ তারিখ-০৭-০১-২০২০ ধারা-৩৯৫ পেনাল কোড তৎসহ বিস্ফোরক আইনের ৩/৪ ধারা রুজু হয়। টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার জনাব সঞ্জিত কুমার রায় বিপিএম এর নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার মধুপুর সার্কেল এর নের্তৃত্বে অফিসার ইনচার্জ মধুপুর থানা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ থানা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতদলের ১০ জনকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়। গ্রেফতারকৃতদের নিকট থেকে ৮ টি স্বর্ণ রাখার ট্রে ও ২ ভরি ১৩ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার কৃত আসামীদের ০৬ জন বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। মো:জাহিদুল ইসলাম রনি জামালপুর, জেলা প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


আজ বন্যা কবলিত মাদারগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন উপদ্রুত এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক। পরিদর্শন কালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

পশ্চ্যাতপদ জনপথ মধুপুরে ফাদার হোমরিক এসেছিলেন ১৯৫৫ সালে।খ্রিস্টধর্ম প্রচারের পাশাপাশি নিরলসভাবে মানবকল্যাণে কাজ করে গেছেন দীৰ্ঘ ৬ দশক।এই ছয় দশকে শিক্ষা বিস্তারে অতুলনীয় অবদান, মুক্তিযুদ্ধের সময় অসামান্য অবদানের জন্য মধুপুরের মানুষের মনের খুব গভীরে স্থান করে নিয়েছিলেন তিনি।আমেরিকার নাগরিক হয়েও যিনি মনেপ্রাণে একজন খাঁটি বাঙালি হয়ে গিয়েছিলেন।ফাদার ইউজিন হোমরিক গত ১৩ আগস্ট ২০১৬সালে নীরবেই মধুপুর তথা বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তার জন্মভূমি যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে। সেখানেই তিনি বসবাস করছিলেন। মাত্র কয়েকদিন আগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসারত ছিলেন।আজ তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন।মধুপুরবাসী ফেইসবুক গ্রুপের পক্ষ থেকে ফাদার হোমরিকের মৃত্যূতে বিনম্র শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করছি। প্রচার বিমুখ এই মহান মানুষটির সম্পর্কে মধুপুরের বর্তমান প্রজন্ম তেমন কিছুই জানেন না। যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময়টুকু মধুপুর গড়ের শালবনের সঙ্গে গভীর মিতালি করে কাটিয়ে দিয়েছেন ৬ যুগ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকা বিরোধিতা করলেও তিনি আমেরিকান নাগরিক হয়েও মুক্তি পাগল জনতাকে সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছেন ধরেছেন অস্ত্র। শুধু তাই না আজকের আধুনিক সুশিক্ষিত গারো জাতি গড়ে তোলার পিছনে তাঁর অবদান অসাধারণ। রেভারেন্ড ফাদার ইউজিন হোমরিক সিএসসি ১৯২৮ সালের ৮ ডিসেম্বর আমেরিকার মিসিগান অঙ্গরাজ্যে জন্ম গ্রহণ করেন। তার কঠোর পরিশ্রমী পিতা ৬ সন্তানকেই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত গড়ে তোলেন। হোমরিক আমেরিকান ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ওয়াশিংটন ডিসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছর মেয়াদি ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। সেখানে তিনি নিজ ধর্মের পাশাপাশি ইসলাম, বৌদ্ধ ও হিন্দু র্ধেমর ওপর বিশদ জ্ঞান অর্জন করেন। ফাদার ইউজিন হোমরিক ১৯৫৫ সালে হলিক্রস মিশনারি হিসেবে বাংলাদেশে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আগমন করেন। মধুপুর শালবন যখন গহিন অরণ্য, বাঘ, ভালুক, হরিণ, হাতি ও বন্যপ্রানীতে ভরপুর। দুর্ভেদ্য এ বনে তখন ধর্ম প্রচার করতে আসেন তিনি। তখন এ এলাকার গারোরা ছিল বেশির ভাগই সাংসারেক ধর্মে অনুসারী। ফাদার ইউজিন হোমরিক এখানে হিংস্র বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে যুদ্ধ করে জীবনবাজি রেখে গড় এলাকার জলছত্র নামক স্থানে আস্তানা গড়েন। হাওদা বিলের স্বচ্ছ জল আর শাল গজারির মৌ মৌ গন্ধে কাটতে থাকে দিন। প্রকৃতি প্রেমি এ মানুষটি ধীরে ধীরে জলছত্র গ্রামের আশপাশে ঘুরে ঘুরে প্রকৃতি উপভোগ করেন। তখন জনসংখ্যা ছিল একেবারে কম। প্রতিবেশী গারোদের সঙ্গে গড়ে ওঠে তার সখ্যতা। টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ সড়কের পঁচিশ মাইল নামক স্থানে স্থানীয় গারোদের সঙ্গে নিয়ে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারের কাজ শুরু করেন। মিশনে গারোদের যাতায়াত বাড়তে থাকে। সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন ফাদার হোমরিক। এভাবে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তার ধর্ম প্রচারের কাজ। মানবতার সেবায় তিনি এগিয়ে যান দ্রুত গতিতে। যুদ্ধকালীন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসাসেবা, শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধা ও নিরস্ত্র বাঙালিদের তিনি সহায়তা করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের জন্য যাঁরা বিশেষ অবদান রেখেছিলেন, সেই বিদেশি বন্ধুদের বাংলাদেশ সরকার বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছেন। এই নিঃস্বার্থ বিদেশি বন্ধুটি ২০১২ সালে সেই সম্মাননায় সম্মানিত হয়েছেন। মো: জাহিদুল ইসলাম রনি জানালপুর জেলা প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



দেওয়ানগঞ্জ বিদ্যুৎ সাব স্টেশনে অগ্নি দূর্ঘটনা।আনুমানিক ৫ টার দিকে ট্রান্সফরমার এ আগুন লাগে।দেওয়ানগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিট প্রায় ৩০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে। তাই দেওয়ানগঞ্জ এ বিদ্যুৎ সাপ্লাই আপাতত বন্ধ আছে।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


ঘুমকে একটি স্বগীয় শান্তির সাথে তুলনা করা যায় এটা ঠিক সেই বুঝতে পারে যার রাতে ঘুম হয়না। হাজার-কোটি টাকা থাকলেও ঘুম হয় না, ঘুমের ঔষধ খেয়েও কারো ঘুম হয় না আবার কারো পেটে ক্ষুদা নিয়েও ঘুম হয়, অনিরাপদ স্থানেও ঘুম হয়। যেমন আমি দেখেছি ফার্মগেট ওভার ব্রিজের রেলিং এর উপর ঘুমিয়ে থাকতে, যেখানে একজন সাধারন মানুষ এক মিনিটি বসে থাকতে পারবে না ভয়ে হয়তো পড়ে যেতে পারে কিন্তু সেখানে টোকাইরা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকে, পড়ে গেলে হয়তো চাঁপা পড়তে হবে গাড়ীর নিচে কিন্তু সে ভয় তাদের নেই, আছে মজার ঘুম। এমনি একটি ঘুমের ছবি মানিকগঞ্জের শিবালয় থানার আলোকদিয়া চরে শেখ নাসিরের ক্যামেরায়।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার শুয়াকৈর গ্রামের ঝিনাই নদীর ওপর নির্মিত ২০০ মিটার ব্রিজের একাংশ বন্যার পানির তীব্র স্রোতে ভেঙে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েছে ১৫ টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। (মঙ্গলবার)মধ্যরাতে ব্রিজের মাঝ বরাবর বিরাট অংশ বিলীন হয়ে যায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন আহমদ জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনা এড়াতে সবধরণের যানবাহন ও মানুষের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। যেহেতু ব্রীজটি ভাঙা অংশ স্রোতে হারিয়ে গেছে, তাৎক্ষনিক কিছু করা সম্ভব নয়। তবে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল বিভাগের সাথে কথা বলে পরবর্তীতে কী করা যায় বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। মাদারগঞ্জের,বালিজুড়ি ইউনিয়নের নাদাগারি বাধ ভেঙে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।অসহায় মানুষগুলি বাস্তুভিটা রক্ষার প্রাণান্তকর চেষ্টা করেও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সাথে পেড়ে উঠছেনা।আজ সকালে বালিজুড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ নিয়ে স্থানটি পরিদর্শন করা হয় এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়। মোঃ জাহিদুল ইসলাম রনি, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

জামালপুর বাসীর জন্য অনলাইনে কুরবানির পশু ক্রয়ের জন্য ডিজিটাল প্লাটফর্ম http://qurbanihatjp.com/ এর শুভ উদ্বোধন করেন ময়মনসিংহ বিভাগের মান্যবর বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ কামরুল হাসান,এনডিসি।


জেলা প্রশাসক জনাব মোহাম্মদ এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনলাইন জুম মিটিং এর মাধ্যমে আজকের এ ডিজিটাল আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে করে জামালপুরবাসী করোনার শংকা থেকে রক্ষা পাবে!!!



মো;জাহিদুল ইসলাম রনি"

জামালপুর জেলাপ্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


হোছাইন মোঃ তারেক, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ)
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভায় পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে হতদরিদ্র, অসহায় ও দুঃস্থদের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষে ভিজিএফএর চাল বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পৌরসভা চত্বরে চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার ও উপজেলা নির্বাহী
অফিসার মো. জাকির হোসেন। জানা যায়, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ৭৩হাজার ৫শ ৮৮টি অতিদরিদ্র, অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের জন্য ১০কেজি হারে বিনামূল্যে খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ভিজিএফ বরাদ্দ প্রদান করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় পৌরসভার ৪হাজার ৬শ ২১ জনকে ১০কেজি করে চাল প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার ভেটেরিনারি সার্জন ডা. অমিত দত্ত, পৌর সচিব কামরুল হক, কাউন্সিলর আব্দুল মোতালেব, শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


বন্যায় সাধারণ মানুষের খোজ নিতে ছুটেছেন তিনি কে? না জানার মতো জামালপুরবাসী কেউ বাকি নেই?? বন্যার্তদের দেখতে নিজেই গাডিতে বের হয়েছেন।তিনি "মির্জা আজম!! মির্জা আজম সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ| বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে এাণ সহায়তা অব্যাহত থাকলেও নিজ দায়িত্বে ছুটে চলেছেন। অনেকের আশা এবং প্রত্যাশী স্বপ্নচারী হয়ে বেচে থাকুক -সাধারণ বানবাসীদের প্রত্যাশা.!

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:

ধবার (২২ জুলাই) যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে জেলার সাত উপজেলার আট পৌরসভা ও ৬৮ ইউনিয়নের মধ্যে ৬০টি ইউনিয়নের ১০ লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। বলা চলে পানির নিচে জামালপুর। বন্যায় তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে রয়েছেন বানভাসিরা। স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল থেকে যমুনা নদীর পানি তৃতীয়বারের মতো বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে যমুনার পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র, ঝিনাই, সুবর্ণখালী, জিঞ্জিরাম, দশআনীসহ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সাত উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। পাশাপাশি পানিতে ডুবে আছে গ্রামীণ হাট-বাজার দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ১১ হাজার হেক্টর বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, গো চারণ ভূমি ও বসতবাড়ি। বন্যায় দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের চরম সঙ্কট। এরই মধ্যে সরিষাবাড়ী উপজেলার শুয়াকৈর এলাকায় ২০০ মিটার সেতু ও সড়ক বাঁধ পানির তোড়ে ভেঙে ২০ গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। সেই সঙ্গে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এসব গ্রামের মানুষ। নিম্নাঞ্চল থেকে লোকালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করে চরমে পৌঁছেছে মানুষের ভোগান্তি। আঞ্চলিক ও স্থানীয় সড়কসহ রেললাইন পানিতে ডুবে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। ত্রাণের জন্য এখন হাহাকার বন্যাদুর্গত এলাকায়। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নায়েব আলী বলেন, বন্যাকবলিতদের জন্য নতুন করে ১০০ মেট্রিক টন চাল, নগদ পাঁচ লাখ টাকা এবং দুই হাজার প্যাকেট শুকনা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। নিম্নাঞ্চলে পানিতে ডুবে গেছে চার হাজার ৬০০টি নলকূপ ও সাড়ে পাঁচ হাজার ল্যাট্রিন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। মো: জাহিদুল ইসলাম রনি জামালপুর জেলা প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



জেলা প্রশাসন,জামালপুর, District Administration, Jamalpur. এর ফেসবুকপেইজের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরেন। মোশারফ হোসেন নামক একজন এতে বলেন---আর সচ্ছ নিয়োগ হলে দেশ ও দেশের জনগন অনেক লাভবান হয় সেই সাথে প্রশাসনের কাজের গতিও বাড়ে। নূরনবী নামের আরো একজন বলেন---আমরা স্বচ্ছ নিয়োগই চাই সঠিক আশ্বাস দেওয়ার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ! স্বচ্ছ নিয়োগ এখন সবার দাবি! আদৌ হবে কি না! এটার বিষয়ে সাধারণ মানুষ বলেন। স্বচ্ছ নিয়োগ এখন সময়ের দাবি! জামালপুর এই নিয়োগে টাকা ও নিজেদের লোক ও তদবিরও বন্ধ চান!! এবং জানান; এই ধরনের উদ্যোগ দেখে আমরা উৎসাহিত হই। নিয়োগ প্রত্যাশীরা ঘুষ & টাকার মাধ্যমে দূ্নী্তির নিয়োগ বন্ধ চান! এতে করে প্রাসাশন হবে আরো শক্তিশালী এবং জামালপুর হবে একটি মড়েল জেলা! মো:জাহিদুল ইসলাম রনি জামালপুর ;জেলা প্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



জামালপুর জেলার বন্যা দুর্গতদের সাহায্যার্থে রুটি তৈরি ও বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করছেন সম্মানিত জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক।
সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ দেলোয়ার হোসেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জনাব মোহাম্মদ কবির উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সংবাদ কর্মীগণ।

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


এক_নজরে_নদ_নদীর_পরিস্থিতি

• সুরমা ব্যতীত দেশের সকল প্রধান নদ-নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে।

•পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং তৎসংলগ্ন ভারতের হিমালয় পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা প্রদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আছে। ফলে, এ সময়ে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও তিস্তা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীসমূহ এবং দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অববাহিকার নদ-নদীসমূহের পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে।

• আগামী ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে, অপরদিকে যমুনা এবং গঙ্গা পদ্মা নদীসমূহের পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে।

• আগামী ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, নাটোর, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ি, শরিয়তপুর ও ঢাকা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে, অপরদিকে সিলেট এবং সুনামগঞ্জ জেলার বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে।

• ঢাকা জেলার আশেপাশে নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যহত থাকতে পারে।

বারিপাত_তথ্য

• ছাতক: ১৮০ মিমি
• দেওয়ানগঞ্জ: ১৫০ মিমি
• মহেশখােলা: ১৪১ মিমি
• লরেরগড়: ১৪০ মিমি
• জাফলং: ১৩৬ মিমি
• সুনামগঞ্জ: ১২০ মিমি
• লালাখাল: ১১৬ মিমি
• পঞ্চগড়: ১১৪ মিমি
• দুর্গাপুর: ১১২ মিমি
• কক্সবাজার: ১০১ মিমি
• পরশুরাম: ০৭৪ মিমি
• নোয়াখালী: ০৭৪ মিমি

* গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশে উল্লেখযােগ্য বৃষ্টিপাত (গত কাল সকাল ০৯:০০ টা থেকে আজ সকাল ০৯:০০ টা পর্যন্ত) *

তথ্য: বাংলাদেশে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র


মো: জাহিদুল ইসলাম রনি
জামালপুর :জেলাপ্রতিনিধি

আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:



জামালপুরে বন্যায় রাস্তায় ভাঙন!! জামালপুর সদরের,১২ নং তিতপল্যা ইউনিয়ন এর সুলতান নগর যাওয়ার একমাত্র রাস্তায় ভাঙন. এবং মাহমুদপুর, ইসলামপুর রাস্তায়ভাঙন.(নোয়ারপাড়া, হরকাব্রিজ)।
সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলেও বৃষ্টিতে আরো সমস্যা হচ্ছে। আরো কয়েকদিন বৃষ্টি থাকলে বন্যার্তদের মাঝে সীমাহীন দূ্ভোগ হওয়ার শংকা!




MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget