টাঙ্গাইলের মধুপুরের পেগামারী গ্রামে গারো আদিবাসী কৃষকের কলা বাগান জোরপূর্বকভাবে নিধন করায় কাপেং ফাউন্ডেশনের নিন্দা ও উদ্বেগ |

টাঙ্গাইলের মধুপুরের পেগামারী গ্রামে গারো আদিবাসী কৃষকের কলা বাগান জোরপূর্বকভাবে নিধন করায় কাপেং ফাউন্ডেশনের নিন্দা ও উদ্বেগ |

  আজকের শীর্ষ খবর ডেস্ক:


গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ সকাল পৌনে দশটায় টাঙ্গাইলের মধুপুর শালবনে বনবিভাগ কর্তৃক পেগামারী গ্রামে গারো আদিবাসী কৃষক বাসন্তী রেমা ও গেটিস যেত্রার লক্ষ টাকার আবাদী ফসল কলা বাগান জোরপূর্বকভাবে কেটে ফেলা হয়। বাসন্তী রেমা ও গেটিস যেত্রা যুগ যুগ ধরে বংশপরম্পরায় এই জমিতে বসবাস ও চাষাবাদ করে আসছে। স্থানীয় আদিবাসীসহ ভিক্টিমদের অভিযোগ, বনবিভাগের সহকারী কমিশনার জামাল হোসেন তালুকদার, রেঞ্জার আব্দুল আহাদ ও স্থানীয় জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে এ জগন্যতম ঘটনাটি ঘটানো হয়। কোনরকম মৌখিক বা লিখিত নোটিশ ছাড়া বনবিভাগ কর্তৃক এ কান্ডজ্ঞানহীন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে বর্তমানে করোনাকালীন কঠিন সময়ে এই পরিবারের উপার্জনের একমাত্র উৎস ধ্বংস হয়ে পড়ে যায়। এটা এক চরম মানবাধিকার লংঘন। দীর্ঘদিনের আবাদী জমিতে বিনা নোটিশে রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ফসল নিধন কর্মসূচী মধুপুরগড় অঞ্চলে আদিবাসী উচ্ছেদের এক গভীর ষড়যন্ত্র বলে সেখানকার আদিবাসীরা ও নানা সংগঠন মনে করছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় জনগন ও গারো ছাত্র সংগঠন (বাগাছাস) তাৎক্ষণিকভাবে বনবিভাগের দোখলা বিট অফিস ঘেরাওসহ নানা প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করছে। উক্ত ঘটনায় কাপেং ফাউন্ডেশন গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছে এবং সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচারের আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিকে যথাযথ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানাচ্ছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে আদিবাসীদের বিরুদ্ধে এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনা বন্ধ করতে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে সেই আশাবাদ করা হচ্ছে। কাপেং ফাউন্ডেশন মধুপুর এলাকার স্থানীয় জনগনের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনের সাথে সংহতি জানাচ্ছে। পল্লব চাকমা নির্বাহী পরিচালক কাপেং ফাউন্ডেশন

Post a Comment

[blogger]

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Theme images by RBFried. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget